রবিবার, ২৯ মার্চ ,২০২০

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ, ২০১৯, ১২:৪১:০৭

চুয়াডাঙ্গায় বাণিজ্যিকভাবে ক্যাপসিকাম চাষ শুরু

চুয়াডাঙ্গায় বাণিজ্যিকভাবে ক্যাপসিকাম চাষ শুরু

ক্যাপসিকাম মূলত ঢাকা, রাজশাহী, চট্রগ্রাম ও বড় বড় শহরের শপিং মলে বাজারজাত করা হচ্ছে। ক্যাপসিকাম প্রতি কেজি ১৫০-১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাড়ির ছাদের টবে কিংবা শখের বশে নয় এবার মালচিং ফিল্মি পেপার পদ্ধতিতে বাণিজ্যিকভাবে চুয়াডাঙ্গায় চাষ করা হচ্ছে বিদেশি সবজি ক্যাপসিকামের। এবারই প্রথম বাণিজ্যিকভাবে এ জাতের সবজির চাষ করা হয়েছে। একটি গাছ থেকে একাধিকবার ফল পাওয়া ও অল্প সময়ে ফল বাজারজাতকরনের উপযোগী হওয়ায় আগ্রহ দেখাচ্ছে চাষিরা। এছাড়া ক্যাপসিকামের বাজার দামও ভালো পাওয়ায় লাভের আশা করছে জেলার চাষিরা।

বাংলাদেশে মূলত ক্যাপসিকামের চাষ হয় বাড়ির ছাদের গাছের টবে কিংবা শখের বশে। কিন্তু এবার সৌখিনতা নয় প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে চুয়াডাঙ্গায় চাষ করা হচ্ছে বিদেশি সবজি ক্যাপসিকামের।

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গাড়াবাড়িয়া গ্রামের একখণ্ড জমিতে এবারই প্রথম এ ধরনের আবাদ করা হয়। প্রথমে কিছুটা সংশয় থাকলেও ভালো ফলন ও চড়া বাজারদাম থাকায় কৃষকরা বেশ খুশি। এই ক্যাপসিকাম সালাত হিসাবে বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। এ দেশে ক্যাসিকামের বেশি চাহিদা না থাকলে ও বিদেশে এর চাহিদা বেশ। এর আগে ক্যাপসিকাম বিদেশ থেকে আমদানি করতে হত। এখন আর আমদানি করতে হবে না। দেশেই এখন ক্যাপসিকাম পাওয়া যাবে।

গাড়াবাড়িয়া গ্রামের কৃষক আ. কাদের জানান, ক্যাপসিকাম মূলত ঢাকা, রাজশাহী, চট্রগ্রাম ও বড় বড় শহরের শপিং মলে বাজারজাত করা হচ্ছে। ক্যাপসিকাম প্রতি কেজি ১৫০-১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তিনি আরোও জানান, প্রতি বিঘা ক্যাসিকাম চাষ করতে ৫০-৬০ হাজার টাকা খরচ হয়। ক্যাপসিকাম রোপনের ৬০-৭০ দিন পরে ফল পাওয়া যায়। এক বিঘা জমিতে প্রায় সাড়ে চার হাজার চারা রোপন করা যায় এবং প্রতিটি গাছ থেকে ১৫-১৬টি ক্যাসিকাম ধরে। এ ফল ৪-৫ মাস পর্যন্ত ফল ধরে। এক বিঘা ক্যাপসিকাম চাষ করে কৃষক ৪ লক্ষাধিক টাকার ও বেশি আয় করতে পারে।

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গাড়াবাড়িয়া গ্রামের কৃষক আশাদুল ইসলাম জানান, গাছ লাগানোর দুই মাসের মাথায় ফল দেয়া শুরু করে ক্যাপসিকামের ছোট্ট এই গাছগুলো। একটি গাছ থেকে ফলও পাওয়া যায় বেশ কয়েকবার। সেসব ফল বিশেষ উপায়ে প্যাকেজিংয়ের মাধ্যমে পাঠানো হয় ঢাকা ও চট্টগ্রামে। ক্যাপসিকামের দাম ভালো পাওয়ায় লাভের প্রত্যাশা করছে এই কৃষক।

এ জাতের বীজ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এগ্রিকনসার্ন এর ম্যানেজার খাইরুল ইসলাম বলেন, “প্রথম অবস্থায় কিছুটা ভীতি থাকলেও প্রত্যাশার তুলনায় ভালো ফলনে সে ভীতি কেটে গেছে। আগামীতে ক্যাপসিকাম চাষের ব্যপকতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করছে তারা।”

চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক সূফি রফিকুজ্জামান বলেন, বীজ রোপণের পর থেকেই ক্যাপসিকাম চাষিদের নানাভাবে সহায়তা করেছেন তারা। এছাড়া জেলার অন্যান্য কৃষকদের এ চাষে আগ্রহী করতে উদ্বুদ্ধ করছেন তারা।

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির নেতারা আইন না বুঝেই মন্তব্য করে আইনমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে আপনি কি একমত?