শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ,২০১৭

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৭, ০২:৩২:২২

লেকহেড স্কুল খুলে দেয়ার নির্দেশ স্থগিত থাকছে

লেকহেড স্কুল খুলে দেয়ার নির্দেশ স্থগিত থাকছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে বন্ধ করে দেয়া রাজধানীর লেকহেড গ্রামার স্কুল খুলতে হাইকোর্টের দেয়া আদেশের ওপর স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরও ১০ দিন বাড়িয়েছেন আপিল বিভাগ। ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়িয়ে ওই দিন শুনানির দিন রাখা হয়েছে।

এর আগে গত ১৫ নভেম্বর হাইকোর্টের দেয়া আদেশ আজ রবিবার পর্যন্ত স্থগিত করেছিলেন চেম্বার জজ আদালত।

রবিবার আপিল বিভাগের নিয়মিত পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানির পর আরও ১০ দিন হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত দেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে লিভ টু আপিল করার জন্য বলা হয়েছে।

লেকহেড স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারীদের কেউ জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত কি না সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বহিনীকে একটি প্রতিবেদন দিতেও বলা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা নেৃতৃত্বাধীন ৫ সদস্যের আপিল বেঞ্চ এসব আদেশ দেন।

আদালতে আজ রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। অন্যদিকে রিটের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফ, ব্যারিস্টার আখতার ইমাম ও ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম।

গত ১৪ নভেম্বর হাইকোর্ট এক আদেশে স্কুলটির দুই শাখা খুলে দেয়ার নির্দেশ দেয়। এরপর ওই নির্দেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

হাইকোর্ট আদেশে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ওই স্কুলের ধানমন্ডি ও গুলশানের শাখা খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি লেকহেড স্কুল কর্তৃপক্ষকে জঙ্গিবাদসহ যেকোনো বিষয়ে সরকারকে সব ধরনের সহযোগিতা করার নির্দেশ দেয়।
স্কুল খুলে দিতে আনা রিট আবেদনের পক্ষে হাইকোর্টে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফ, ব্যারিস্টার আখতার ইমাম ও রাশনা ইমাম।

এর আগে ৯ নভেম্বর লেকহেড গ্রামার স্কুলের গুলশান ও ধানমন্ডি শাখা বন্ধের সিদ্ধান্ত কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভুত ঘোষণা করা হবে না-তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে হাইকোর্ট। বন্ধ করে দেয়া লেকহেড স্কুলের মালিককে স্কুলটি খোলা ও পরিচালনা করতে দেয়ার জন্য কেন বিবাদীদের নির্দেশ দেওয়া হবে না- রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়। স্কুলটির মালিক খালেদ হাসান মতিন ও ১২ শিক্ষার্থীর অভিভাবক হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।

গত ৬ নভেম্বর ধানমন্ডি ও গুলশানের দুটি শাখাসহ লেকহেড স্কুলের সব শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সালমা জাহানের সই করা চিঠিতে ঢাকা জেলা প্রশাসককে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়, এই প্রতিষ্ঠানটি সরকারের অনুমোদন নেয়নি। এ ছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ধর্মীয় উগ্রবাদ, উগ্রবাদী সংগঠন সৃষ্টি, জঙ্গি কার্যক্রমে পৃষ্ঠপোষকতাসহ স্বাধীনতার চেতনাবিরোধী কর্মকান্ডে যুক্ত বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

এই প্রতিষ্ঠানটির মূল উদ্যোক্তা ও পৃষ্ঠপোষক রেজোয়ান হারুনের বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদে অর্থায়ন ও মদদের অভিযোগ রয়েছে। চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিবেদনে রেজোয়ান হারুনকে আইনের আওতায় আনার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সূত্র: বাসস

আজকের প্রশ্ন

কিছু সহিংসতা ও অনিয়ম হলেও সামগ্রিকভাবে ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে—সিইসির এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি একমত?