মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৬:৫৫:৩৬

সাপাহারে সাংবাদিক লাঞ্চিত, আটক-৫

সাপাহারে সাংবাদিক লাঞ্চিত, আটক-৫

সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি : নওগাঁর সাপাহারে নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র দুইজন সাংবাদিক লাঞ্চিত হওয়ার ঘটনায় স্থানীয় থানায় মামলা দায়েরের পর ৫ জন কে আটক করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। গত বুধবার বিকেলে সদরের ওয়াল্টন মোড়ের গিয়াস মার্কেটে ঘটনাটি ঘটে।

জানা গেছে, সাপাহারের শাহজাহন আলী ও ওসমান গনি বাবুর মধ্যে গিয়াস মার্কেটের একাংশ জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছিলো। শাহজাহান আলী তার কিছু লোকজন নিয়ে ওই মার্কেট গত সোমবার দুুপরে দখল নেয়। এরুপ ঘটনার সংবাদ পেয়ে গত বুধবার দুপুরে নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি চ্যানেল আই এর জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক ইমরুল কায়েশ ও এটিএন বাংলার প্রতিনিধি সাংবাদিক রায়হান আলম ঘটনা স্থলে এসে উভয় পক্ষে সাক্ষাতকার গ্রহণ শেষে দখলকৃত জায়গার ফুটেজ নিতে গেলে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নামধারী কতিপয় সন্ত্রাসী সম্পুর্ন সন্ত্রাসী কায়দায় সাংবাদিক রায়হান আলমের উপর চড়াও হয়ে বেধড়ক মারপিট সহ জোর পূর্বক তার হাত থেকে ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়। এর পর সাংবদিকদ্বয় মার্কেটের দখলদার শাহজাহান আলীর সরনাপূর্ন হলে তিনি পুলিশের মাধ্যমে ছিনিয়ে নেয়া ক্যামেরাটি উদ্ধার করে দেন।

পরে সাংবাদিকগন স্থানীয় থানার আশ্রয় নিলে বিষয়টি মিমাংসার জন্য দখলকৃত জায়গার মালিক শাহজাহন আলী ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শামসুল আলম শাহ চৌধুরী কতিপয় লোকজন সাথে নিয়ে তার অফিস কক্ষে এক শালিস বসায়।

পুলিশ প্রশাসন, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকগনের যৌথ আলোচনা শেষে সন্ধ্যা ৭টার দিকে মিমাংসার ফলাফল হিসেবে সাংবাদিক লাঞ্চিত দুস্কৃতকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবিতে থানায় একটি মামলা দয়ের করা হয়। মামলা দায়েরের পর পুলিশ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নামধারী আনু, নুর আলম পিংকি, বাবু সরকার, আমিন ও মোখলেছুর রহমান নামের ৫ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করে পুলিশ হাজতে আটকে রাখে এবং পরদিন বৃহস্পতিবার আটককৃতদের নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বর্তমানে দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা নাগালের বাইরে চলে গেছে। আপনি কি একমত?