শুক্রবার, ২২ জুন ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮, ০৩:৩১:১১

রাণীনগরে চিকিৎসক ও নার্স সংকট স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত জনসাধারণ

রাণীনগরে চিকিৎসক ও নার্স সংকট স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত জনসাধারণ

সুকুমল কুমার প্রামানিক, রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি : বর্তমান সরকারের আমলে সারাদেশে চিকিৎসা খ্যাতসহ বিভিন্ন খ্যাতে উন্নয়নের জোয়ার বইছে। ঠিক সেই মুহুর্তে চিকিৎসক ও নার্স সংকটের কারনে স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার জনসাধারণ। মাত্র ৭জন চিকিৎসক ও ১০জন নার্স দিয়ে শত শত রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অপরদিকে বিড়ম্বনায় পড়ে চিকিৎসা নিতে ব্যার্থ হচ্ছে রোগীরা।

জানা গেছে, উপজেলার দুই লক্ষাধিকেরও বেশী মানুষ ৫০ শয্যা বিশিষ্ট রাণীনগর হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার উপর নির্ভরশীল। সরকারী ভাবে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ ১৮জন চিকিৎসক ও ২৮জন নার্স কর্মরত থাকার নির্দেশ থাকলেও বর্তমানে এই হাসপাতালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ মাত্র ৭জন চিকিৎসক ও ১০জন নার্স কর্মরত রয়েছে। তার মধ্যে একজন ডেন্টাল মেডিকেল অফিসার ২বছর ধরে রাজশাহীতে প্রেষনে ও একজন নার্স নওগাঁ সদরে প্রেষনে রয়েছে। ফলে রাণীনগর উপজেলা ৫০ শয্যা হাসপাতালটি ১৮জনের স্থলে মাত্র ৭জন চিকিৎসক ও ২৮জনের স্থলে ১০জন নার্স দিয়ে চলছে উপজেলার জনসাধারণের স্বাস্থ্য সেবা। এলাকাবাসীর সুচিকিৎসার জন্য ৩১ শয্যা হাসপাতাল থেকে ২০১২ সালে ১৯ শয্যা বাড়িয়ে ৫০ শয্যা হাসপাতাল নির্মান করা হয়।

প্রতিদিন উপজেলার শত শত মানুষ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসে। চিকিৎসক ও নার্স সংকটের কারণে শত শত মানুষ চিকিৎসা না পাওয়ায় ফিরে যেতে হচ্ছে। ফলে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়ে প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে তাদের। ক্লিনিকে চিকিৎসা করতে হলে অনেক টাকার দরকার হয়। টাকার অভাবে নিম্ন আয়ের মানুষেরা ক্লিনিকেও চিকিৎসা করাতে পারছেন না। চিকিৎসা করতে না পেরে রোগ নিয়ে ভুগতে হচ্ছে তাদের। পথচারী বা যানবাহন যাত্রী দূর্ঘটনার শিকারসহ বিভিন্ন জরুরী চিকিৎসা হাসপাতালে নিতে এলে চিকিৎসক ও নার্স সংকটের কারণে তাদের মধ্যে বেশি ভাগ রোগীকে নওগাঁ সদরসহ বিভন্ন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

রাণীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: এএসএম নজমুল আহসান জানান, চিকিৎসক ও নার্স সংকটের কারণে স্বাস্থ্য সেবা দিতে অনেক কষ্ট হচ্ছে আমাদের।

তিনি আরো জানান, এখানে ১৮জন ডাক্তার ও ২৮জন নার্স থাকার নিয়ম থাকলেও আমিসহ মাত্র ৭জন চিকিৎসক ও ১০জন নার্স দিয়ে চালানো হচ্ছে হাসপাতালটি। এ ব্যাপারে উদ্ধর্তন কর্মকর্তাকে একাধিকবার লিখিত ভাবে জানানো হলেও এখনো পর্যন্ত কোনো ফল পাওয়া যায়নি।

 

 

আজকের প্রশ্ন

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন ‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে বিএনপির নেতারা মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি করছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?