বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ২৫ মে, ২০১৮, ০৯:২০:০৯

রাজধানীতে ৩০০ ফ্ল্যাট পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

রাজধানীতে ৩০০ ফ্ল্যাট পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

ঢাকা: রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য বহুতল আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই প্রকল্পের আওতায় মোট ৫টি ১৩তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করা হবে। যেখানে মোট ফ্ল্যাট বা ইউনিট থাকবে প্রায় ৩০০টি। এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬৯ কোটি টাকা।

আগামী বাজেটের আগে সরকারের শেষ একনেক বৈঠকে এ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়।

সরকার বলছে, ঢাকা মহানগরীতে সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের আবাসন ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিন চাহিদার তুলনায় বেশ ঘাটতি ছিল। সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংখ্যা বহুগুণ বাড়লেও তাল মিলিয়ে বাড়েনি সরকারি আবাসন সুবিধা। ফলে আবাসন সঙ্কট প্রকট আকার ধারণ করেছে।

এ সঙ্কট মেটাতেই নতুন করে প্রায় ৩০০টি ফ্ল্যাট নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তেজগাঁও স্টাফ কোয়ার্টার ক্যাম্পাসের ৩ দশমিক শূন্য ৬ একর জমির ওপর এই ভবন নির্মিত হবে।

সরকারি আবাসন পরিদপ্তর জানায়, ঢাকা মহানগরীতে পদায়িত এক লাখ ৪৮ হাজার ৯১৫ জন সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী আছেন। যার বিপরীতে মাত্র ১৩ হাজার ৫২টি ফ্ল্যাট বা ইউনিট বাসা আছে। সরকারের নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১৯ সালের মধ্যে আরও এক হাজার ৩০৮টি ফ্ল্যাট বাড়িয়ে সরকারি কর্মীদের ফ্ল্যাট বা ইউনিট সংখ্যা ১৮ হাজার ২৭৬ এ উন্নীত করা হবে।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, এ প্রকল্পের আওতায় ৮০০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাট বিশিষ্ট ৪টি ১৩তলা ভবন নির্মাণ করা হবে। যেখানে ফ্ল্যাট থাকবে ১৯২টি। আর ৬৫০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট হবে ৯৬টি। যার জন্য আলাদা দুইটি ১৩তলা ভবন নির্মিত হবে।

এছাড়া এই এলাকায় ২০০০ হাজার বর্গফুট আয়তনের ৩তলা বিশিষ্ট একটি কমিউনিটি হল নির্মাণ, একটি ৬ তলা অফিস কাম রেস্ট হাউজ নির্মাণ করা হবে।

সরকার আশা করছে, এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন হলে সরকারি কর্মচারীদের আবাসন সংকট কিছুটা দূর হবে। সেইসঙ্গে তাদের মানসম্পন্ন, স্বাস্থ্যকর বাসস্থান নিশ্চিতের পাশাপাশি কাজের মান বাড়বে।

বর্তমানে তেজগাঁও স্টাফ কোয়ার্টার ক্যাম্পাসে একটি একতলা ভবন, একটি ৩তলা ভবন ও অনেকগুলো অর্ধস্থায়ী স্থাপনা আছে। সবগুলো স্থাপনাই প্রায় ৭০ বছর আগে নির্মিত। যেখানে গণপূর্ত অধিদপ্তরে কর্মরত চাকরিজীবীদের প্রায় ১৫০ পরিবার বাস করে আসছে।

নতুন প্রকল্পটি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতায় গণপূর্ত অধিদপ্তর বাস্তবায়ন করবে। যা ২০২০ সালের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পের পুরো অর্থই সরকার থেকে দেয়া হবে।

আজকের প্রশ্ন

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন ‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে বিএনপির নেতারা মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি করছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?