রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ০৫ জুলাই, ২০১৮, ০৬:৫৫:৩০

জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে: ইইউকে প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে: ইইউকে প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা : চলতি বছরের শেষের দিকে বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) নতুন রাষ্ট্রদূত রেন্সজে তিরিঙ্ককে আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (৫ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি ইইউ রাষ্ট্রদূতকে এ আশ্বাস দেন। বৈঠকে বিদ্যমান পারস্পরিক হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়।

এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্রক্ষমতা ক্যান্টনমেন্টে অবরুদ্ধ থাকার সময় আওয়ামী লীগকে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারের সুরক্ষায় আন্দোলন করতে হয়েছে।’

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের বৈঠকের বরাত দিয়ে এসব কথা জানান।

প্রেস সচিব বলেন, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে ইইউ প্রতিনিধির আশাবাদের প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী তাদের আশ্বস্ত করেছেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন কমিশন এবং স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সের ব্যবস্থা ও ছবিসহ ভোটার তালিকা হালনাগাদে সহায়তার জন্য ইইউকে ধন্যবাদ জানান।

বর্তমান সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে এবং পূর্ব নির্ধারিত লক্ষ্যেই সব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়িত হচ্ছে।’

চলমান রোহিঙ্গা সংকট ইস্যুতে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিরাট বোঝার সৃষ্টি করছে। তাদের নিরাপদ আশ্রয়, খাদ্য ও স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে প্রশাসন, পুলিশ ও সেনাবাহিনী, বিজিবিসহ অন্যান্য সংস্থাগুলো নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছে।’

তিনি বলেন, ‘বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা স্থানীয় জনসাধারণের চাষের জমি দখল করেছে। এতে স্থানীয়দের অর্থনৈতিক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।’ এসময় প্রধানমন্ত্রী শরণার্থী ইস্যুতে ইইউর ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, এই সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ প্রতিবেশী মিয়ানমার ও মিয়ানমারের অন্যান্য সীমান্তবর্তী দেশের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গাদের জন্য সহায়তা বৃদ্ধি ও অতিরিক্ত সহায়তা হিসেবে ৩০ মিলিয়ন ইউরো প্রদান এবং রোহিঙ্গাদের ওপর নিষ্ঠুর অভিযান পরিচালনার দায়ে মিয়ানমারের ৭ জন জেনারেলের ওপর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা উল্লেখ করেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী বর্তমান সরকারে আমলে গার্মেন্ট শিল্পের শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি প্রদানের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘গার্মেন্ট শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির জন্য আমরা মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। আওয়ামী লীগ সরকার বরাবরই শ্রমিকবান্ধব সরকার।’

সাক্ষাৎকালে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান ও সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মুহাম্মাদ জয়নুল আবেদিন।

 

আজকের প্রশ্ন

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন ‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে বিএনপির নেতারা মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি করছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?