মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ১২:৫৯:৪৪

পুলিশের তাড়ায় নদীতে ডুবে মৃত্যু যুবলীগ নেতার

পুলিশের তাড়ায় নদীতে ডুবে মৃত্যু যুবলীগ নেতার

বরিশাল: বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জের কাজীরহাটে গতকাল রবিবার সকালে নদী থেকে শফিকুল ইসলাম তুহিন (৩৫) নামে যুবলীগের স্থানীয় এক নেতার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর এক দিন আগে, শনিবার দুপুর একটার দিকে পুলিশের তাড়া খেয়ে তুহিন লতা নদীতে ঝাঁপ দেন বলে জানিয়েছে কাজীরহাট থানাপুলিশ। কিন্তু নিহতের স্বজনরা বলছেন, ষড়যন্ত্রমূলকভাবে পুলিশ তাকে হত্যা করেছে।

তুহিন হিজলার হরিনাথপুর ইউনিয়নের আহসান উল্লাহ খানের ছেলে। শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে গতকালই তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়।

কাজীরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হারুন অর রশিদ জানান, শনিবার দুপুরে থানার এসআই মিজানুর রহমান ও এসআই শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল লতাবাজার সংলগ্ন জয়নগর ইউনিয়নের একটি বাগানে মাদকবিরোধী অভিযান চালায়। অভিযানকালে পুলিশ দেখতে পায়, বাগানে জুয়া খেলা চলছে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তুহিন ও তার তিন সঙ্গী পালানোর জন্য লতা নদীতে ঝাঁপ দেয়। তিনজন নদী সাঁতরে পাড়ে উঠতে সক্ষম হলেও তুহিন নিখোঁজ হয়। এর এক দিন পরই তার লাশ নদীতে ভেসে ওঠে।

তুহিনের চাচা হরিনাথপুরের ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ আবদুল লতিফ খান বলেন, শফিকুল ইসলাম তুহিন ভালো ছেলে ছিল। সে মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না। ডিগ্রি পাস করে ফিলিপাইন যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল সে, ভিসাও হয়ে গিয়েছিল। এক সপ্তাহের মধ্যে সেদেশে পাড়ি দেওয়ার কথা ছিল তার।

তুহিনের ভাই হরিনাথপুর ইউপি সদস্য জহির রায়হান খান বলেন, আমার ভাই মাদকসেবন কিংবা জুয়ার সঙ্গে কখনো সম্পৃক্ত ছিল না। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে পুলিশ আমার ভাইকে হত্যা করেছে।

এ অভিযোগ অস্বীকার করে কাজীরহাট থানার ওসি বলেন, তুহিন নিজ উপজেলার সীমানা ছেড়ে ১৫ কিলোমিটার দূরবর্তী পাশের উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নে অবস্থান করছিল। আমাদের কাছে তথ্য ছিল, শফিকুল ইসলাম তুহিনসহ সেখানে উপস্থিত সবাই মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তথ্য যাচাই করেই অভিযানে যায় পুলিশ। পুলিশ কাউকে ধাওয়া দিয়ে নদীতে ফেলার জন্য যায়নি। বরং তারাই পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে।

আজকের প্রশ্ন

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন ‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে বিএনপির নেতারা মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি করছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?