শুক্রবার, ২৪ মে ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ, ২০১৯, ০৩:৩৯:৫০

রোকেয়া হলের প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি নুরের

রোকেয়া হলের প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি নুরের

ঢাকা : রোকেয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. জিনাত হুদাকে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ডাকসুর নবনির্বাচিত ভিপি নুরুল হক নুর।

তিনি বলেন, রোকেয়া হলের নির্বাচনে কারচুপি ও অনিয়ম হয়েছে। সে কারণে অধ্যাপক ড. জিনাত হুদার প্রভোস্ট হিসেবে থাকার নৈতিক অধিকার নাই।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় রোকেয়া হলের অনশনরত ছাত্রীদের সমর্থনে সেখানে এসে তিনি এ মন্তব্য করেন।

শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে সহমত পোষণ করে নুরুল হক নুর বলেন, যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারীর লাঞ্ছনা ও হেনস্তার অপসংস্কৃতি চালু করতে চায়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়।

এরপরে সেখানে সংহতি জানাতে আসেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের হয়ে ডাকসুর সহসভাপতি প্রার্থী মোস্তাফিজ রহমান। তিনি বলেন, ছাত্রীদের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা আছে। ছাত্রদল তাদের সঙ্গে থাকবে সব সময়।

কারচুপির অভিযোগে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হল সংসদ নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় নির্বাচন, হল প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগসহ চার দফা দাবিতে গতকাল বুধবার রাত নয়টা থেকে আমরণ অনশনে বসেছেন হলের পাঁচ শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে চারজন বিভিন্ন প্যানেল থেকে হল সংসদে প্রার্থী ছিলেন।

অনশনে বসা শিক্ষার্থীরা হলেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের রাফিয়া সুলতানা, উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের সায়েদা আফরিন, একই বিভাগের জয়ন্তী রেজা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের শ্রবণা শফিক দীপ্তি ও ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের প্রমি খিশা।

পরে রাতে ওই ছাত্রীদের হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। অনশনকারী ছাত্রীরা অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ও ডাকসুর নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক (জিএস) গোলাম রাব্বানী নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের হেনস্তা করেন।

তবে হলটির প্রাধ্যক্ষ জিনাত হুদা বলেছেন, তারা (ছাত্রীরা) হলের গেটের বাইরে গিয়ে অবস্থান করছেন। সেখানে হেনস্তার হওয়ার ঘটনাটি আমাদের কনসার্ন না। আমাদের কনসার্ন তাদের গেটের বাইরে থেকে হলের ভেতরে নিয়ে আসা।

সাংবাদিকেরা ছাত্রীদের হেনস্তার বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ঘটনার বিষয়ে আমি অবগত না। কোনো হাউস টিউটরও আমাকে অবগত করেননি।

এই বিভাগের আরও খবর

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?