বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১৯, ১২:২১:৪৯

মৃত্যুশয্যায় নুসরাতের বলা ‘ওস্তাদ’ রহস্যের খোঁজে পুলিশ

মৃত্যুশয্যায় নুসরাতের বলা ‘ওস্তাদ’ রহস্যের খোঁজে পুলিশ

ঢাকা: ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিছানায় অনেকবার একটি শব্দ বলেছিল। শব্দটি হলো ‘ওস্তাদ’। এই শব্দটি দিয়ে হয়তোবা কোনো কথা বুঝানোর চেষ্টা করেছিল সে। তবে মূর্ছা অবস্থাতে ‘ওস্তাদ’ শব্দটি ছাড়া আর কিছু উচ্চারণ করতে পারছিল না নুসরাত। এই ‘ওস্তাদ’ শব্দ দিয়ে মারা যাওয়ার আগে কিছু একটা স্পষ্ট বুঝাতে চেয়েছিল ওই ছাত্রী।

এদিকে চিকিৎসাধীন থেকে নুসরাতের মৃত্যুশয্যা পর্যন্ত তার সেবাদাতা নার্স ও চিকিৎসকদের নিকট থেকেও এই বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। একই সঙ্গে পিবিআইয়ের দুজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নুসরাতের মৃত্যুর আগে পর্যন্ত সবসময় হাসপাতালে ছিল। তারা নিজেরাও নুসরাতের মুখ থেকে বের হওয়া ‌‘ওস্তাদ’ কথাটি অনেকবার শুনেছেন। তাই এই ‘ওস্তাদ’ রহস্য খুঁজছে পুলিশ।

পিবিআইয়ের প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার বলেন, ‘যেখানে নুসরাতের চিকিৎসা হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে; সেখানে আমাদের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খালেদা বেগম এবং রিমা সুলতানা দুই পুলিশ কর্মকর্তা নুসরাতের কাছাকাছিই সবসময় উপস্থিত ছিল। আমরা চেষ্টা চালিয়েছি ডাক্তার ও নার্সরা, যারা নুসরাতকে সেবা দিচ্ছিল। তারা কেউ অন্য কোনো তথ্য দিতে পারেন কি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘সে (নুসরাত) মূর্ছার মধ্যেও বলার চেষ্টা করেছে যে বক্তব্যটি সে তার ভাইয়ের কাছে দিয়েছে। তেমনি বলার চেষ্টা করেছে। নুসরাত শুধু একটি মাত্র শব্দ বলছে, যেটা আগে প্রকাশ করতে চাই নাই। সে মাঝে মাঝে ‘ওস্তাদ’ শব্দটি বলছে। এটার আমরা অর্থ বুঝি নাই। এটা আমরা বের করব।’

পিবিআই প্রধান বলেন, ‘এই ঘটনার পর পিন্সিপালের নাম বার বার আসছে যে তিনি এটা ঘটিয়েছেন। এ ছাড়াও একজন শিক্ষক আছেন আফছার উদ্দিন, যিনি ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার। এই ঘটনার আগেও অনেক কাহিনি আছে। সব কিছু থেকে ওস্তাদ বিষয়টি স্পষ্ট করতে কাজ করা হচ্ছে।’

গত ২৭ মার্চ ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা করেন ওই ছাত্রীর মা। পরে ওই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় অধ্যক্ষকে।

এর জেরে গত ৬ এপ্রিল আলিম পর্যায়ের আরবি প্রথমপত্র পরীক্ষা দিতে সকাল ৯টার দিকে সোনাগাজীর ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসাকেন্দ্রে গেলে কৌশলে নুসরাতকে পাশের ভবনের ছাদে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে চার থেকে পাঁচজন বোরকা পরা ব্যক্তি ওই ছাত্রীর শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে তার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে যায়।

পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নুসরাত।গত বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

এই বিভাগের আরও খবর

  আমি রিফাতকে হত্যা করিনি, বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করেছি: মিন্নি

  ট্রেনের ধাক্কায় নিহতের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট

  ডিসিদের জন্য বিশেষ ফোর্সের প্রয়োজন নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  কয়েক সেকেন্ডে উধাও কোটি টাকার সেতু!

  প্রবল স্রোতে ফেরি চলাচল ব্যাহত, পাটুরিয়া ঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ সাড়ি

  জামালপুরে পানির নীচে রেললাইন, খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট

  গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, রংপুরের সঙ্গে ঢাকাগামী রেল যোগাযোগ বন্ধ

  মানুষ মারা যাচ্ছে, আপনারা বলছেন দুশ্চিন্তা নেই: ২ মেয়রকে হাইকোর্ট

  সিরাজগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট, ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ

  যেসব ‘যুক্তি ও কারণে’ মিন্নি রিমান্ডে

  সদরঘাটে ভবনধস, বাবা ছেলে নিখোঁজ

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?