রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০১৯, ১১:২৩:৫১

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৭০০ বস্তা চাল আটক

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৭০০ বস্তা চাল আটক

শেরপুর : শেরপুরের নালিতাবাড়ী খাদ্যগুদামে সরবরাহ করতে আনা নিম্নমানের ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৩০ কেজি করে ৭শ বস্তা চাল আটক করেছেন স্থানীয় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোকছেদুর রহমান লেবু।

বুধবার (২২ মে) বিকেলে উপজেলা পরিষদের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় ট্রাকভর্তি ওইসব বস্তা চ্যালেঞ্জ করে তিনি তা জব্দ করেন।

জানা গেছে, খাদ্য গুদামের সাথে চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় একটি রাইচ মিল থেকে ৩০ কেজি করে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির সীলকৃত বস্তায় ভরা ৭শ বস্তা নিম্নমানের চাল নিয়ে একটি ট্রাক নালিতাবাড়ী শহরের আড়াইআনী বাজারস্থ খাদ্যগুদামে সরবরাহ করতে যায়। পরে খাদ্যগুদাম কর্তৃপক্ষ ওইসব বস্তা গ্রহণ করে গুদামজাত করেন। বিষয়টি খবর পেয়ে নালিতাবাড়ী পৌর মেয়র আবুবক্কর সিদ্দিক সেখানে গিয়ে চালের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় পরিস্থিতি মোকাবেলায় তাৎক্ষণিক ওইসব বস্তা বাতিল করে গুদাম কর্তৃপক্ষ।

এদিকে বাতিলকৃত চালের বস্তা নিয়ে বুধবার বিকেলে ট্রাকটি উপজেলা পরিষদের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের নজরে আসে। তিনি বস্তার গায়ে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির সীল দেখে চালগুলোর গন্তব্য এবং মান জানতে চান। এ সময় আশপাশের লোকজন জরো হয়ে ভিড় জমান। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে আসে।

ট্রাক চালকের সহকারী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, স্থানীয় বিজয় রাইচ মিল থেকে ৭শ বস্তা চাল গুদামে নিয়ে যাওয়ার পর গুদাম কর্তৃপক্ষ তা মজুদ করেন। কিন্তু চালের মান খারাপ হওয়ায় মেয়রের চ্যালেঞ্জের মুখে তা ফেরত দেন। ফলে এসব চাল পুনরায় মিলে ফেরত নেওয়া হচ্ছিল।

উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু সম্রাট জানান, চালের মান খারাপ হওয়ায় ফেরত পাঠানো হয়েছে। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোকছেদুর রহমান লেবু জানান, চালের মান একেবারে খারাপ। এমন চাল গুদামে যায় কিভাবে? তিনি প্রশ্ন রেখে আরও বলেন, সরকারি সীল করা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল কি করে রাইচ মিলে থাকতে পারে?

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুর রহমান বুধবার সন্ধ্যায় জানান, যেহেতু আজ খাদ্য কর্মকর্তা নেই। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) তিনি এলে তদন্তসাপেক্ষে খোঁজ-খবর নিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই বিভাগের আরও খবর

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?