বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৯, ১০:০২:৪৯

দৈহিক সম্পর্ক করতে না দেয়ায় প্রেমিকা রেখে পালাল প্রেমিক

দৈহিক সম্পর্ক করতে না দেয়ায় প্রেমিকা রেখে পালাল প্রেমিক

ঢাকা : লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় এক কলেজ ছাত্রের বাড়িতে জানালা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে বিয়ের দাবি করছেন দশম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রী। ওই ছাত্রী গত ৭ দিন ধরে ওই বাড়িতে অবস্থান করছেন।

উপজেলার সানিয়াজান ইউনিয়নের নিজ শেখ সুন্দর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। গত সোমবার (১৮ আগস্ট) থেকে শনিবার (২৪ আগস্ট) বিকেল পর্যন্ত অনশনে রয়েছে ওই স্কুলছাত্রী। সে দোয়ানী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

দশম শ্রেণীর ওই স্কুল জানান, অষ্টম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় সাখাওয়াতের সঙ্গে আমার প্রেম হয়। গত তিন বছর ধরে চলছে আমাদের প্রেমের সম্পর্ক। সে আমাকে বিয়ে করবে বলে আমার ৩টি বিয়ে ভেঙে দেয়। ১৮ আগস্ট বাড়িতে ডেকে দৈহিক মিলনের চেষ্টা করা হয়। তখন আমি চিৎকার করলে সাখাওয়াত পালিয়ে যায়। উপায় না পেয়ে সেদিন থেকে বিয়ের দাবিতে সাখাওয়াতের বাড়িতে অনশন করছি আমি। সেই সঙ্গে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।

ওই ছাত্রী আরও বলেন, বাড়ি কেউ না থাকায় আমি জানালা দিয়ে ঘরে প্রবেশ করছি।

স্থানীয় সূত্র ও এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার সানিয়াজান ইউনিয়নের শেখ সুন্দর গ্রামের ওই ছাত্রীর সঙ্গে একই এলাকার বদিউজ্জামানের কলেজ পড়ুয়া ছেলে সাখাওয়াত হোসেনের প্রেমের সম্পর্ক হয়। তিন বছর ধরে চলছে তাদের প্রেমের সম্পর্ক। বিষয়টি মেয়ের পরিবার বুঝতে পেয়ে মেয়েকে অন্যত্র বিয়ে দিতে চায়। মেয়ের বাবা যৌতুকের কিছু টাকা বরপক্ষকে দিয়েও দেয়। কিন্তু সাখাওয়াত বিষয়টি জানতে পেয়ে ওই বিয়ে ভেঙে দেয়।

এরপর সাখাওয়াত স্কুলছাত্রীকে তার বাড়িতে আসতে বলে। কথামতো স্কুলছাত্রী ১৮ আগস্ট সাখাওয়াতের বাড়িতে আসে। এ সময় সাখাওয়াত তাকে বিয়ে না করেই তার সঙ্গে দৈহিক মিলনের চেষ্টা করে। তখন স্কুলছাত্রী চিৎকার করলে সাখাওয়াত পালিয়ে যায়। সেদিন থেকে বিয়ের দাবিতে সাখাওয়াতের বাড়িতে অনশন শুরু করে ওই স্কুলছাত্রী।

ওই দিন রাতে স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসা করতে গ্রাম্য সালিশে বসে। ওই সালিশে দেড় লাখ টাকা যৌতুক ঠিক করলে সাখাওয়াত তার প্রেমিকাকে বিয়ে করতে রাজি হয়। স্কুলছাত্রীর বাবা যৌতুকের পাঁচ হাজার টাকা সালিশ বৈঠকের মাধ্যমেই ছেলেপক্ষকে দেয়। তবে ঘটনার সাতদিন অতিবাহিত হলেও মেয়েটিকে বিয়ে করেনি সাখাওয়াত, উল্টো বাসা ছেড়ে পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে সানিয়াজান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে গেছি, বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেছি। কোনোপক্ষ এগিয়ে না আসায় বিষয়টি সমাধান করা যায়নি। তাই এখনো অনশন করছে ওই ছাত্রী।

হাতীবান্ধা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক বলেন, এ বিষয়ে ওই ছাত্রীর বাবা থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?