বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ০১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ০৭:৩০:০৭

মিন্নির জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন

মিন্নির জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন

বরগুনা : বরগুনার কলেজ গেটের সামনে প্রকাশ্য দিবালোকে স্বামী রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে দুই শর্তে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

এদিকে মিন্নিকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

আজ রবিবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মিন্নিকে জামিন দিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হওয়ার পরপরই রাষ্ট্রপক্ষ এ আবেদন করে।

আগামীকাল সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) আপিল বিভাগের অবকাশকালীন চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে। এই আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে মিন্নি কারাগার থেকে বের হতে পারবেন কি না।

নিয়ম অনুযায়ী হাইকোর্টের জামিনের রায়ের কপি এখন বরগুনা আদালতে যাবে। ওই আদালতে জামিনের আদেশ পৌঁছানোর পর আসামিপক্ষ (মিন্নি) থেকে বরগুনার আদালতে জামিননামা দাখিল করতে হবে। এরপর ওই আদালত এই রায়ের কপি সত্য কি না তা যাচাই করবে। যাচাই-বাছাই শেষে তা কারাগারে পাঠাবে। কারা কর্তৃপক্ষও এই জামিনের আদেশ সঠিক কি না তা যাচাই করবে। জামিনের আদেশ সত্য হলে এবং এই আদেশ আপিল বিভাগে যদি স্থগিত না হয়ে থাকে তবে মিন্নিকে কারাগার থেকে মুক্তি দেবে কারা কর্তৃপক্ষ। তবে দ্রুত মিন্নির কারামুক্তির জন্য তার আইনজীবীদেরও তৎপর হতে হবে। জামিনের আদেশ বরগুনা আদালতে পৌঁছানোর পর জামিননামা দাখিল করা এবং তা দ্রুত কারাগারে পাঠানোর উদ্যোগ তাদেরই নিতে হবে।

এদিকে হাইকোর্টের রায় প্রকাশিত হওয়ার পরপরই ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড সুফিয়া খাতুনকে দায়িত্ব দেন। দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন প্রস্তুত করে তা আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় দাখিল করেন অ্যাডভোকেট সুফিয়া খাতুন।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে দশটার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের মূল ফটকের পাশে রিফাতকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীর সামনে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে কয়েকজন যুবক। সেসময় নানাভাবে নিজেকে রক্ষার চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত বাঁচতে পারেনি রিফাত। ওই ঘটনার একটি ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হলে তা ব্যাপক ভাবে ভাইরাল হয়। সেখানে দেখা যায়, কয়েকজন যুবক রিফাতকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে একের পর আঘাত করছে।

নৃশংস এ ঘটনায় নিহত রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে বরগুনা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। তাতে বরগুনা শহরে চিহ্নিত সন্ত্রাসী সাব্বির আহম্মেদ ওরফে নয়ন বন্ড এবং তার সহযোগী রিফাত ফরাজী ও তার ছোট ভাই রিশান ফরাজীসহ ১২ জনকে আসামি এবং আরও চার-পাঁচজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। হত্যাকান্ডে প্রধান আসামী নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। গ্রেফতার হয়েছেন বেশ ক’জন আসামি।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?