মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ০৯:৪৪:৩০

স্পিরিট পান করে নোয়াখালীতে ৫ জনের মৃত্যু

স্পিরিট পান করে নোয়াখালীতে ৫ জনের মৃত্যু

নোয়াখালী : কোমলপানীয় স্পিরিট পান করে নোয়াখালীতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরো ছয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের কয়েকজনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল ও বাকিদের ঢাকায় নেয়া হয়েছে।

শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট বাজারের পান বাজার সংলগ্ন রফিক হোমিও হলের স্পিরিট পান করে ওই পাঁচজনের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন- উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের বাঁশ বেপারি বাড়ির নূর নবী মানিক (৫০), একই এলাকার ক্ষিরত মহাজন বাড়ির রবি লাল রায় (৫৫), মোহাম্মদনগর গ্রামের মহিন উদ্দিন (৪০), চর কাঁকড়া ইউয়িনের টেকের বাজার এলাকার আদুল খালেক (৫৮) ও সিরাজপুর ইউনিয়নের মতলব মিয়ার বাড়ি সংলগ্ন মো. সবুজ (৬০)। আশঙ্কাজনক ছয়জনের নাম পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনা সকালের দিকে হলেও, পুলিশের কাছে খবর পৌঁছতে দেরি হয়। ফলে, পুলিশ জানার আগেই নিহত তিনজনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তবে আরো ২ জনের দাফন এখনও সম্পন্ন হয়নি। পরে পুলিশ খবর পেয়ে রবি লাল রায়’র মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে এবং আরো একজনের লাশ উদ্ধারের চেষ্টা করছে।

এ ঘটনায় পুলিশ স্পিরিট বিক্রেতা জায়েদের ছেলে প্রিয়মকে আটক করতে পারলেও, ঘটনার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছেন জায়েদ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রফিক হোমিও হলের মালিক ডা. জায়েদ ও তার ছেলে প্রিয়ম নেশা জাতীয় দ্রব্য স্পিরিট বিক্রি করে আসছেন। এ ব্যবসার টাকা দিয়ে উপজেলায় ভূমি অফিসের পাশে বহুতল ভবন নির্মাণ করেছেন জায়েদ।

এ বিষয়ে কোম্পানিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আরিফুর রহমান বলেন, স্পিরিট পানে পাঁচজনের মৃত্যুর খবর শুনে নিহতদের বাড়ি পরিদর্শন করা হয়েছে। এ সময় একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আরো একজনের লাশ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এর আগে তিনজনের দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ঘটনার পর থেকেই স্পিরিট বিক্রেতা ডা. জায়েদ পলাতক রয়েছেন। তবে তার ছেলে প্রিয়মকে আটক করা হয়েছে। জায়েদকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

এই বিভাগের আরও খবর

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?