বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৯, ১২:১৯:০০

রংপুর মহানগর আ.লীগের বর্ধিত সভায় সংঘর্ষ, আহত ১০

রংপুর মহানগর আ.লীগের বর্ধিত সভায় সংঘর্ষ, আহত ১০

রংপুর : রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। আর এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত সভায় মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা প্রকৌশলী শাহাদতকে জামায়াত-শিবির আখ্যা দেওয়া হলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক উপস্থিত ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে নগরীর বেতপট্টিস্থ কার্যালয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা শুরু হয়। সভায় ৩৩টি ওয়ার্ডের সভাপতি সম্পাদকসহ আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সভার প্রধান অতিথি জাহাঙ্গীর কবির নানক ওয়ার্ড কমিটির নেতাদের কাছে দলের অবস্থা সম্পর্কে জানতে চান। এ সময় কয়েকজন নেতা অভিযোগ করেন দলে বেশ কয়েকজন জামায়াত-শিবির নেতা অনুপ্রবেশ করেছেন।

নানক অনুপ্রবেশকারীদের নাম জানতে চান। এসময় রংপুর সিটি করপোরেশনের ২৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান ছাত্রশিবির করতেন এবং তার শ্বশুর শাহআকমল এখনও জামায়াতের রংপুর মহানগরীর একজন নেতা বলে জানান অভিযোগকারীরা। একথা শোনার পরপরই নানক মিজানকে দল থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেন।

এছাড়া মহানগর আওয়ামী লীগের নেতা প্রকৌশলী শাহাদতকে জামায়াত শিবির বলে কয়েকজন চিহ্নিত করার চেষ্টা করলে শাহাদত এর তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, ‘আমি ছাত্রলীগ থেকে রাজনীতি শুরু করেছি। কোনোদিন জামায়াত-শিবির করিনি। অথচ মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আমার সম্মানহানি করা হচ্ছে।’ দু’পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা চলতে থাকা অবস্থায় মহানগর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সভাস্থলে প্রবেশ করেন। তারা শাহাদত হোসেনের অনুসারী।

তাদের সঙ্গে অভিযোগকারীদের হাতাহাতি ও মারামারি শুরু হয়। পরে নানক ও রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হকের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তবে সভা শেষে নেতারা চলে যাওয়ার পর রাত ৮টা পর্যন্ত আওয়ামী লীগের মহানগর নেতাদের সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে কমপক্ষে ১০ জন আহত হন। এ ব্যাপারে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) নুরুন নবী জানান, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এসময় নেতাকর্মীদের মারামারিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নানক। তিনি বলেন, ‘যারা এই সভায় গোলমাল করলো তারা আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগ হতে পারে না। আওয়ামী লীগের শত্রু হচ্ছে আওয়ামী লীগ। এই দল ঐক্যবদ্ধ থাকলে বিএনপি-জামায়াত আমাদের লোম স্পর্শ করতে পারবে না।’

আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তিনি ছাত্রলীগ দিয়ে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন। নিজ হাতে ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদক নির্বাচিত করে অভিযোগ পাওয়ার পর ঝেটিয়ে বিদায় করেছেন। আমি নানক না থাকলেও আওয়ামী লীগ চলবে। এই দলে কোনও নেতাই অত্যাবশ্যক নয়। শেখ হাসিনা সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য যা যা করা প্রয়োজন, করবেন।’

এই বিভাগের আরও খবর

  বাঁশে ঝুলিয়ে যুবককে নির্যাতন, সালাম মেম্বার ধরা পড়লেন

  পিইসি পরীক্ষায় ‘বহিষ্কার’ কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্ট

  বিভিন্ন জেলায় আজও পরিবহন ধর্মঘট, ভোগান্তি

  কিশোরগঞ্জে ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ট্রেন চলাচল বন্ধ

  কারণ ছাড়া প্রসূতির সিজার: ২৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট

  ‘সন্তানরা আরেকবার রাস্তায় নামলে আমাদের কারও পিঠে চামড়া থাকবে না’

  একটি গোষ্ঠী চাল নেই, লবণ নেই বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

  অপপ্রচারে কান দিয়ে বিভ্রান্ত হবেন না: প্রধানমন্ত্রী

  প্রাণ গ্রুপের কাভার্ড ভ্যানের চাপায় নিহত ২

  শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাসের পরও খুলনায় চলছে না বাস

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?