বুধবার, ১৩ নভেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ০২ নভেম্বর, ২০১৯, ১০:২০:০৬

স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা: হাসপাতালে লাশ ফেলে পালালো স্বামী

স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা: হাসপাতালে লাশ ফেলে পালালো স্বামী

ঢাকা: ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পিটিয়ে হত্যা করে হাসপাতালে ফেলে পালিয়ে গেছেন স্বামী। শুক্রবার (১ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে হরিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটেছে।

নিহত ওই গৃহবধূর নাম ময়না খাতুন (৩০) । তিনি পীরগঞ্জ উপজেলার আবদুল কাদেরের মেয়ে। তার স্বামী জাকির হোসেন হরিপুর উপজেলার আমবাড়ি গ্রামের জয়নালের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ময়না খাতুনকে পারিবারিক কলহের কারণে স্বামী জাকিরসহ তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে কয়েকদফা মারধর করে। তাকে আহত অবস্থায় হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর স্বামী জাকির তার লাশ হাসপাতালে ফেলে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় স্বামী জাকিরসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহতের বড় ভাই আশরাফুল আলী। পরে পুলিশ হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠা

নিহত ময়নার ভাই আশরাফুল বলেন, ২০০৪ সালে ময়নার সঙ্গে পারিবারিকভাবে উপজেলার জয়নালের ছেলে জাকিরের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর জাকির মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ে। এরপর থেকেই ময়নাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতে থাকে। বেশ কয়েকবার গ্রাম সালিশ ডেকেও অবস্থার কোন পরিবর্তন হয়নি। এরমধ্যেই জাকির দিনাপুরে সুরভী নামের এক মেয়ের সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে তোলে।

একপর্যায়ে জাকির হোসেন ওই মেয়েকে স্ত্রীর অজান্তে কিছুদিন আগে বিয়ে করে। পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এর জের ধরেই ময়নাকে তার স্বামী জাকিরসহ তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন রাত্রে মারধর করে। তাকে আহত অবস্থায় হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর স্বামী জাকির তার লাশ হাসপাতালে ফেলে পালিয়ে যায়।

হরিপুর থানার ওসি আমিরুজ্জামন বলেন, নিহতের বড় ভাইয়ের লিখিত অভিযোগে একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?