মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ০৯ নভেম্বর, ২০১৯, ১১:৩৫:৩২

ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কলেজছাত্রীকে ধর্ষেণের অভিযোগ

ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কলেজছাত্রীকে ধর্ষেণের অভিযোগ

নওগাঁ: নওগাঁর পত্মীতলায় নজিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সাদেক উদ্দিনের বিরুদ্ধে এক কলেজছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি একাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযোগ ঠেকাতে চৌকিদার পাহারায় অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে ভুক্তভোগীর পরিবারকে। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেও কোনো প্রতিকার পাননি বলে জানান ওই কলেজছাত্রী। তিনি উপজেলার দিবর ইউনিয়নের বারইল গুচ্ছগ্রামের মৃত অনিল চন্দ্রের মেয়ে ও সাপাহার সরকারি কলেজের অনার্স ৩য় বর্ষের ছাত্রী। এ ঘটনায় ক্ষব্ধ এলাকাবাসী।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায় নজিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দীর্ঘ ৫ বছর ধরে বিয়ের কথা দৈহিক সম্পর্ক চারিয়ে আসছিল। এক পর্যায়ে ওই ছাত্রী গর্ভবর্তী হয়ে পড়লে বাচ্চা নষ্ট করার জন্য চেয়ারম্যান চাপ সৃষ্টি করেন।

গর্ভের বাচ্চা নষ্ট করতে না চাইলে ছোট মেয়ের বিয়ের পর তারা অনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করবে বলে বাচ্চা নষ্ট করতে বাধ্য করেন।

সম্প্রতি, তাকে বিয়ে করার কথা বললে ভুক্তভোগীর কাছে ৪০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন চেয়ারম্যান সাদেক। অভিযোগ ঠেকাতে গত সোমবার থেকে চৌকিদার পাহারায় অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে ভুক্তভোগীর পরিবারকে। এতে সহযোগিতা করছেন দিবর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ সরকার ও দিবর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হারুন-অর রশীদ।

ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা অভিযোগে জানান, স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল ওই চেয়ারম্যানের সঙ্গে আঁতাত করে ঘটনা ধামা-চাপা দেয়ার চেষ্টা করছে। সেই সঙ্গে ৪০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছে। আমরা নিজেরাই আশ্রয়ণ প্রকল্পের গুচ্ছগ্রামে বরবার করছি। মানুষের বাড়িতে দিন মজুরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করি। বর্তমানে মেয়েকে নিয়ে নিরাপত্তহীনতায় ভুগছি।

অভিযুক্ত নজিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাদেক উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। পত্মীতলা থানার ওসি পরিমল কুমার চক্রবর্তী বলেন, গ্রাম পুলিশকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আমরা উভয়পক্ষকে একটি সমাধান করার জন্য ডেকেছি।

ধর্ষেণের মামলা না করে উল্টো বিকটিমের বিরুদ্ধে সালিশের সমাধান করার এখতিয়ার পুলিশ আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এসপি স্যারের নির্দেশেই ডাকা হয়েছে। নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি ওই ছাত্রীকে উদ্ধারের জন্য থানা পুলিশকে বলেছি। বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা যাচাই পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?