শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০৮:০৬

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ৫ জেলায় বাস চলাচল বন্ধ

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ৫ জেলায় বাস চলাচল বন্ধ

ঢাকা : নতুন সড়ক পরিবহন আইন কার্যকরের প্রতিবাদে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, যশোর, নড়াইল, মেহেরপুর ও ঝিনাইদহে দ্বিতীয় দিনের মতো বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। ঘোষণা ছাড়া এই ধর্মঘট চালয় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।

যশোরের ১৮টি রুটে বাস চলাচল বন্ধ আছে। অনেক যাত্রী বাস স্ট্যান্ডে এসে ফিরে যাচ্ছেন। বাস চলাচল বন্ধ আছে ঝিনাইদহের সব রুটে।

এদিকে ঝিনাইদহ-যশোর, ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া, মাগুরা ও চুায়াডাঙ্গার অভ্যন্তরীণ রুটে বাস বন্ধ থাকায় মহাসড়কে নিষিদ্ধ তিনি চাকার যানবাহনে করে চলাচল করেছেন যাত্রীরা।

এছাড়া বাস চলাচল বন্ধ আছে নড়াইলের বিভিন্ন রুটে। নতুন আইন কার্যকরের ঘোষণার পর চলকরা নিজেরাই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। ঝিনাইদহে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে স্থানীয় বাস শ্রমিকরা।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) সকাল থেকে ঝিনাইদহ-যশোর, ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া, মাগুরা ও চুয়াডাঙ্গার অভ্যন্তরীণ রুটে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে চালকরা।

এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। ঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না চাকুরিজীবীসহ অন্যান্য সাধারণ যাত্রীরা। স্থানীয় সকল রুটে বাস চলাচল বন্ধ থাকলেও ঢাকাসহ দূরপাল্লার বাস ও ট্রাকসহ অন্যান্য পরিবহন চলাচল করতে দেখা গেছে। বাস চালকরা নতুন সড়ক আইন সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন।

নতুন সড়ক ও পরিবহন আইন সংশোধনের দাবিতে মেহেরপুরে আন্তঃজেলার সকল রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।

রবিবার বেলা ১১টার দিকে বাস না চালানোর সিদ্ধান্ত নেন চালকরা। ফলে মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর-কুষ্টিয়া, মেহেরপুর মুজিবনগর সড়কে লোকাল বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আকস্মিক বাস চলাচল বন্ধ হওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের।

মেহেরপুর মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান জানান, বাস না চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চালকরা। তারা সড়ক পরিবহন আইনের বেশ কিছু ধারা সংশোধন চান। এটা ইউনিয়নের কোনো সিদ্ধান্ত নয়। আগামী ২১ নভেম্বর পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নেতৃবৃন্দ বৈঠকে বসবেন। এ সভা থেকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?