শুক্রবার, ১০ জুলাই ,২০২০

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ০১ ডিসেম্বর, ২০১৯, ০৭:২৪:১৯

পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া শ্যালিকাকে ধর্ষণ শেষে হত্যা, ভগ্নিপতির মৃত্যুদণ্ড

পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া শ্যালিকাকে ধর্ষণ শেষে হত্যা, ভগ্নিপতির মৃত্যুদণ্ড

কিশোরগঞ্জ : কিশোরগঞ্জের নিকলীতে ৫ম শ্রেণি পড়ুয়া শ্যালিকাকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে ভগ্নিপতি শাহীন (৩২) কে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছে কিশোরগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১।

এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর দুই আসামি রুবেল ও কাজলকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে। রোববার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে কিশোরগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক কিরণ শংকর হালদার আসামীর উপস্থিতিতে এই রায় দেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শাহীন নিকলী উপজেলার সিংপুর ইউনিয়নের ভাটি বরাটিয়া গ্রামের মানিক মিয়ার ছেলে।

অন্যদিকে নিহতের নাম রোকসানা। সে নিকলী উপজেলার দামপাড়া শেখ নবীনপুর গ্রামের ফাইজুল ইসলামের মেয়ে। রোকসানা স্থানীয় টেংগুরিয়া আহম্মদ আলী দাখিল মাদরাসার ৫ম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। মামলার বিবরণে জানা গেছে, নিকলী উপজেলার দামপাড়া শেখ নবীনপুর গ্রামের ফাইজুল ইসলামের মেয়ে সুজানার স্বামী শাহীন শ্বশুরবাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করতো। একই ঘরের অপর কক্ষে থাকতো সুজানার ছোট বোন রোকসানা।

২০১৭ সালের ১১ মে গভীর রাতে শাহীন তার শ্যালিকা রোকসানাকে ফুঁসলিয়ে বাড়ির পাশে একটি ঢেঁড়শ ক্ষেতে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে রোকসানাকে ক্ষেতের হাঁটু পানিতে মাথা ঢুকিয়ে চুবিয়ে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরদিন ১২ মে সকালে বাড়ির পেছনের ক্ষেতে রোসেনার লাশ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশকে জানায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে হাত-পা বাঁধা ও রক্তাক্ত অবস্থায় রোসেনার লাশ উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে নিহতের বাবা ফাইজুল ইসলাম বাদী হয়ে শাহীনসহ তিনজনের নামাল্লেখ করে নিকলী থানায় মামলা করেন। একই বছরের ৮ই আগস্ট শাহীনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ২২ জানুয়ারি ভগ্নিপিত শাহীনসহ তিনজনের নামে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। রাষ্ট্রপক্ষে স্পেশাল পিপি এম এ আফজল ও আসামীপক্ষে অ্যাডভোকেট মোজাম্মেল হক খান মাখন মামলাটি পরিচালনা করেন।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির নেতারা আইন না বুঝেই মন্তব্য করে আইনমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে আপনি কি একমত?