শনিবার, ১৮ জানুয়ারী ,২০২০

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২০, ০৬:৩৬:৫০

হোটেল এশিয়ায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সম্বন্ধীর লাশ

হোটেল এশিয়ায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সম্বন্ধীর লাশ

ঢাকা : রাজধানীর পল্টনের একটি আবাসিক হোটেল থেকে রাজশাহীর বেসরকারি বারিন্দ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম এসএমএ রশিদ (৬০)। তিনি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের সম্বন্ধী বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সোমবার দুপুরে পল্টনে হোটেল এশিয়া অ্যান্ড রিসোর্টের নবম তলার একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন শাহবাগ থানার ওসি আবুল হাসান।

তিনি বলেন, গত শনিবার (১১ জানুয়ারি) ঢাকায় আসেন এসএমএ রশিদ। ওই দিন বিকেলে তিনি হোটেলে ওঠেন। আজ সোমবার সকালে ঘুম থেকে না ওঠায় হোটেলের ম্যানেজার শিশির চন্দ্র ও রশিদের গাড়িচালক আরিফ হোসেন দুপুর ১২টার দিকে দরজা খুলে কক্ষের ভেতরে প্রবেশ করেন।

তাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ধারণা করা হচ্ছে স্বাভাবিকভাবে তার মৃত্যু হয়েছে। নিহত এসএমএ রশিদ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের সম্বন্ধী বলেও নিশ্চিত করেছেন ওসি আবুল হাসান।

অন্যদিকে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক এএসআই আব্দুল খান জানান, এসএমএ রশিদের মরদেহ বর্তমানে ঢামেক হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। তার মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি।

এই বিভাগের আরও খবর

  ২৫ জানুয়ারি দেশব্যাপী অবরোধের ডাক হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের

  রাজধানীতে মাদক বিক্রি ও সেবনের দায়ে গ্রেফতার ৪২

  যশোরে সড়কে ঝরলো ৩ প্রাণ

  সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

  চলে গেলেন বগুড়া-১ আসনের এমপি আব্দুল মান্নান

  বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, প্রাণ গেল ৩ তরুণীর

  পুত্র না হওয়ায় ৪০দিনের কন্যা শিশুকে পানিতে ফেলে দিল বাবা!

  কারওয়ান বাজারে চলন্ত বাস থেকে ফেলে দেয়া হলো যাত্রীকে

  ১৬ দিনে সৌদি থেকে খালি হাতে ফিরলেন দেড় হাজার প্রবাসী

  ইসির চাওয়া অনুযায়ী কাজ করবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  চট্টগ্রামে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

আজকের প্রশ্ন

ঢাকার সিটি নির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট হলে জনগণের রায় প্রতিফলিত হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আপনিও কি তাই মনে করেন?