শনিবার, ৩০ মে ,২০২০

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২০, ০৪:২১:২৬

নামের বিভ্রাটে ভুল নারীকে ধরে আইসোলেশনে, এরপর...

নামের বিভ্রাটে ভুল নারীকে ধরে আইসোলেশনে, এরপর...

সিলেট : করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত শুনে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায় এক নারী। এর মধ্যেই নামের বিভ্রাটে অন্য এক নারীকে আইসোলেশনে পাঠানো হয়। পরে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ওই নারীকে কোয়ারেন্টিনে থাকার কথা বলে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আজ শনিবার হাসপাতালের উপপরিচালক হিমাংশু লাল রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার পালিয়ে যাওয়া করোনায় আক্রান্ত ওই নারীর সন্ধান মেলেনি। তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে পুলিশ।

হাসপাতালের উপপরিচালক হিমাংশু লাল রায় বলেন, শুক্রবার দুপুরে পুলিশ যাকে ধরে আইসোলেশনে পাঠিয়েছিল, তিনি হাসপাতাল থেকে পালানো নারী ছিলেন না। একই এলাকার ও একই নামের হওয়ায় পুলিশ ভুল করে ওই নারীকে ধরে এনেছিল। তিনি দুদিন আগে হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগ থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি যান।

ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, খাদিমনগর এলাকার একই নামের দুজন নারী হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন। এর মধ্যে দুজনের বাচ্চাই জন্মের পর মারা যায়। এর মধ্যে একজন ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি চলে যান। অন্যজনের করোনার উপসর্গ থাকায় হাসপাতালে আলাদাভাবে রাখা হয়েছিল। গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই নারী করোনায় আক্রান্ত শুনে পালিয়ে যান।

এ ব্যাপারে সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার মহাপাত্র বলেন, ‘পুলিশ হাসপাতাল থেকে পালানো রোগীর সন্ধান পাওয়ার বিষয়ে জানিয়েছিল। আমরা তাকে প্রকৃত রোগী মনে করে অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে আসি। কিন্তু ওই নারীর উপসর্গগুলো করোনা ভাইরাসের রোগীর উপসর্গের সঙ্গে মিলছিল না। পরে ওসমানী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে, ওই নারী পালিয়ে যাওয়া সেই নারী নন। আমরা তাকে নিজের বাড়িতে কোয়ারেন্টিনে থাকার কথা বলে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছি।’

সিলেট বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম শাহাদাত হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, হাসপাতাল থেকে আমাদের তথ্য দেওয়া হয়েছিল। খাদিমনগর এলাকার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত এক নারী হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়েছেন। তার যে নাম বলা হয়েছিল, সেই নামের একজনকে আটক করে আইসোলেশনের জন্য শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ওই নারী আমাদের ছাড়পত্র দেখিয়েছিলেন। আমরা সেটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলাম। রাতে জানানো হয়, ওই নারী হাসপাতাল থেকে পালানো সেই নারী নন।

‘আমরা এখন পালিয়ে যাওয়া নারীর খোঁজ করছি। মুঠোফোন নম্বর সংগ্রহ করে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে’ বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির নেতারা আইন না বুঝেই মন্তব্য করে আইনমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে আপনি কি একমত?