বৃহস্পতিবার, ২২ নভেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ০৯ নভেম্বর, ২০১৮, ১০:৫০:৫২

এসআই’র ‘ধর্ষণের শিকার’ গৃহবধূর আত্মহত্যার চেষ্টা

এসআই’র ‘ধর্ষণের শিকার’ গৃহবধূর আত্মহত্যার চেষ্টা

ইয়াবা ও অস্ত্র মামলায় স্বামীকে আসামি করে কারাগারে পাঠানোর ভয় দেখিয়ে এক গৃহবধূকে আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়েছে। এয়ার হোসেন সোহেল নামের পুলিশের এক উপ-পরিদর্শক (এসআই) এর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনা হয়েছে।

 

এর প্রতিকার চেয়ে শুক্রবার সিএমপির উত্তর জোনের উপ-পুলিশ কমিশনারকে লিখিতভাবে অভিযোগ দিয়েছেন ওই গৃহবধূর স্বামী।

এদিকে, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর লোকলজ্জার ভয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন ওই গৃহবধূ।

বর্তমানে ওই গৃহবধূ চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সিএমপির উত্তর জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মিজানুর রহমান বলেন, এ ধরনের একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। ঘটনা সত্য হলে অবশ্যই বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলার কর্ণফুলী থানার শাহ-মিরপুর পুলিশ ফাঁড়ির (ক্যাম্পের) ইনচার্জ (এসআই) এয়ার হোসেন সোহেল বদলী হয়ে সিএমপির বায়েজীদ বোস্তামী থানায় রয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে জানতে এয়ার হোসেন সোহেল বলেন, আল্লাহর কসম আমি এরকম কিছুই করিনি। আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে এই দম্পত্তি আমাকে ফাঁসাতে বসেছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, নগরের বাকলিয়া থানার কালামিয়া বাজার এলাকায় একটি ভবনের ৫ম তলায় বাসা ভাড়া থাকনে ভিকটিম দম্পতি।

পূর্বপরিচয়ের সূত্রধরে এসআই এয়ার হোসেনও তাদের সাথে ওই বাসার একটি কক্ষে থাকতে শুরু করেন। গত ১৮ আগস্ট রাতে এসআই এয়ার হোসেন সোহেল জ্বর উঠেছে বলে ওই গৃহবধূকে তার কক্ষে ডেকে পাঠান।

অভিযোগে দাবি করা হয়, সে সময় ওই গৃহবধূর স্বামীকে ইয়াবা ও অস্ত্র মামলা দিয়ে চালান দেয়ার ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করেন।

ঘটনাটি জানার ওই গৃহবধূকে তার স্বামী গ্রামের বাড়িতে চলে যেতে বলেন। এসময় এসআই সোহেল তাকে বাবার বাড়ি পৌঁছে দেয়ার কথা বলে নগরের বিভিন্নস্থানে আটকে টানা নয়দিন ধর্ষণ করেন।

বাঁচার উপায় না পেয়ে গত ২৮ অক্টোবর ওই গৃহবধূ টয়লেটে ঢুকে হারপিট খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তখন এসআই এয়ার হোসেন সোহেল নিজেই তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।

এই বিভাগের আরও খবর

আজকের প্রশ্ন

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন ‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে বিএনপির নেতারা মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি করছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?