শনিবার, ২৩ নভেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ০৩ মে, ২০১৯, ০৯:১৭:২৫

ধর্ষণের সময় বাবু মিয়ার লিঙ্গ কেটে দিল গৃহবধূ

ধর্ষণের সময় বাবু মিয়ার লিঙ্গ কেটে দিল গৃহবধূ

গাইবান্ধায় ধর্ষণের সময় বাবু মিয়া (৪০) নামে এক ব্যক্তির পুরুষাঙ্গ কেটে দিয়েছেন এক গৃহবধূ। মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) রাতে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামারদহ ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার কামারদহ ইউনিয়নের ফাঁসিতলা বাজারের চায়ের দোকানদার বাবু মিয়াকে এক গৃহবধূ সুদে টাকা ধার দেন। ওই টাকা লেনদেনের মাধ্যমে বাবু মিয়ার সঙ্গে গৃহবধূর সম্পর্ক তৈরি হয়। সম্পর্কের সূত্র ধরে মঙ্গলবার রাতে কৌশলে ওই গৃহবধূর ঘরে ঢুকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় বাবু। এ সময় নিজের সম্মান রক্ষার জন্য ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাবু মিয়ার পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেন গৃহবধূ।

বাবু মিয়ার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। পরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে বগুড়া ঠেঙ্গামারা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে এখনো তার জ্ঞান ফেরেনি বলে জানিয়েছে চিকিৎসকরা।

এদিকে এ ঘটনার পর নিরাপত্তার কারণে গাঢাকা দিয়েছেন ওই গৃহবধূ। এ ঘটনায় ফাঁসিতলা এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার ঝড় বইছে।

বাবু মিয়ার পরিবার জানায়, ওই গৃহবধূ খুবই খারাপ কাজ করেছে। বাবু মিয়ার অঙ্গহানি করে কাজটা ঠিক করেনি। আমাদের রোগী সুস্থ হলে আলোচনা করে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি শুনেছি। তবে এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এই বিভাগের আরও খবর

  চাচা শ্বশুরের লালসার শিকার গৃহবধূ ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা!

  কেনাকাটায় দুর্নীতি: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১২ জনকে তলব

  ১১৮ জনের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানে দুদক

  ধর্ষণের সময় কলা বাগানেই জ্ঞান হারায় স্কুলছাত্রী

  এক সন্তানের জননীকে ডেকে নিয়ে গণধর্ষণ

  দুই বন্ধুর ধর্ষণ শেষ, তৃতীয় জনকে লাথি মারল তরুণী

  বন্ধুকে বাজারে পাঠিয়ে তার স্ত্রীকে গণধর্ষণ!

  স্বামীকে তালাক দিতে বাধ্য করে তরুণীকে দিনের পর দিন ধর্ষণ

  হোটেল কক্ষে কলেজ ছাত্রীসহ যুবলীগ নেতা আটক

  ঢাকার ফ্ল্যাটে তরুণীকে টানা ধর্ষণের অভিযোগ, বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা

  রংপুরে নারীসহ চট্টগ্রামের এএসপি আটক, অতঃপর...

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?