সোমবার, ১৭ জুন ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০১৯, ১২:৩১:২৩

ঈদের আগে ও পরে ১২ দিনে নিহত ২২১

 ঈদের আগে ও পরে ১২ দিনে নিহত ২২১

ঢাকা : ঈদুল ফিতরের আগে-পরে ১২ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় ২২১ জন নিহত হয়েছেন। একই সময়ে নৌ-দুর্ঘটনায় চার ও ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত হয়েছেন আরো ২২ জন।

আটটি জাতীয় দৈনিক, ছয়টি আঞ্চলিক দৈনিক ও ১০টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং জাতীয় পঙ্গু হাসপাতালের তথ্য বিশ্লেষণ করে দুর্ঘটনায় হতাহতের এ চিত্র তুলে ধরেছে যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনায় হতাহতের তথ্য প্রকাশ করেন সংগঠনটির সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) জিএম কামরুল ইসলাম।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ঈদযাত্রা শুরুর দিন ৩০ মে থেকে ঈদ শেষে বাড়ি থেকে কর্মস্থলে ফেরা (১০ জুন) পর্যন্ত ১২ দিনে ১৮৫টি দুর্ঘটনায় ২২১ জন নিহত, ৬৫২ জন আহত ও ৩৭৫ জন পঙ্গু হয়েছেন। একই সময়ে নৌপথে পাঁচটি দুর্ঘটনায় চারজন নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছেন। উল্লিখিত সময়ে ট্রেনে কাটা পড়ে পূর্বাঞ্চলে ১৩ জন ও পশ্চিমাঞ্চলে নয়জনসহ মোট ২২ জন নিহত হয়েছেন।

সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনায় পড়েছে মোটরসাইকেল। ঈদযাত্রায় ১২ দিনে মোটরসাইকেলে ৬৪টি দুর্ঘটনা ঘটে। একইভাবে বাসে ৬৩, ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান ও পিকআপে ৩৮, কার-মাইক্রো বাসে ১৯, নছিমন-করিমন, ভটভটি-ইজিবাইক, অটোরিকশায় ৩০ এবং ২৬টি দুর্ঘটনা ঘটেছে অন্যান্য যানবাহনে। এর মধ্যে ৫১টি গাড়িচাপা, ৮১টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৯টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়া ও অন্যান্য কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে আরো ৩৪টি।

অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ, চালকদের প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব, অতিরিক্ত গতি, অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহনসহ দুর্ঘটনার আরো বেশকিছু কারণ চিহ্নিত করেছে সংগঠনটি। দুর্ঘটনা মোকাবেলায় যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, সড়কের বাঁক সোজা করা, ফিটনেস পদ্ধতি ডিজিটাল করা, রেশনিং পদ্ধতিতে ছুটির ব্যবস্থা করাসহ বিভিন্ন সুপারিশও এসেছে তাদের প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা ফাউন্ডেশনের সভাপতি ইসমাইল গাজী দেলোয়ার, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম, যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সামসুদ্দীন চৌধুরী প্রমুখ।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?