বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৯, ০৩:৫০:৪০

মালয়েশিয়ায় প্রবাসীদের সঙ্গে হাইকমিশনারের শুভেচ্ছা বিনিময়

মালয়েশিয়ায় প্রবাসীদের সঙ্গে হাইকমিশনারের শুভেচ্ছা বিনিময়

মালয়েশিয়া: মালয়েশিয়ায় প্রবাসীদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মহ. শহীদুল ইসলাম তার বাসভবন বাংলাদেশ হাইজে প্রবাসী কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

সোমবার স্থানীয় সময় বিকাল ৩টা থেকে শুরু শুভেচ্ছা বিনিময় চলে রাত ১০টা পর্যন্ত।

সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, সুশীল সমাজ, প্রবাসীরা রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে জড়ো হন।

নিজ হাতেই অতিথিদের আপ্যায়ন করেন হাইকমিশনার মহ. শহীদুল ইসলাম ও তার সহধর্মিনী বেগম শাহনাজ মজিদ। এ সময় হাইকমিশনার সবার খোঁজখবর নেন।

হাই কমিশনার প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের উপস্থিতিতে আমি অত্যন্ত খুশি হয়েছি। প্রবাসীদের নিয়েই আমার কাজ। আপনাদের সহযোগিতা ছাড়া কোনো কিছু করা সম্ভব নয়। সারা বিশ্বে পরিশ্রমী জাতি হিসেবে বাঙালির বিশেষ মর্যাদা রয়েছে।

হাই কমিশনার বলেন, বর্তমানে মালয়েশিয়া সরকার অবৈধ কর্মীদের নিজ দেশে ফিরে যেতে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে। আমাদের অবৈধ কর্মীরা যাতে করে কোনো দালাল বা ভেন্ডর ছাড়া ট্রাভেল পাস, স্পেশাল পাস নিয়ে দেশে ফিরে যেতে পারে।

এ ছাড়া একজন কর্মী বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্সের কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করেছেন একজন কর্মী ৪০০-৪৫০ রিঙ্গিতের মধ্যে টিকিট কাটতে পারবে বলেও জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে হাইকমিশনার বলেন, সাধারণ ক্ষমার আওতায় দেশে ফিরতে শ্রমিকরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়টি লক্ষ্য রাখার দায়িত্ব যেমন সরকারের, তেমনি সবার ওপর কিছু না কিছু দায়িত্ব বর্তায়। বাংলাদেশের শ্রমিকরা অত্যন্ত পরিশ্রমী। আর অন্যান্য দেশের নাগরিকদের তুলনায় এ দেশের আইন কানুন, নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলার ব্যাপারে আলাদা অবস্থান তৈরি করেছে। এটি এ দেশের কর্তৃপক্ষ থেকে শুরু করে সরকার সবাই বিশ্বাস করে।

সুদূর প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি তৈরি করতে হলে দ্বিধা-দ্বন্দ ভুলে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান হাই কমিশনার।

বাংলাদেশ প্রেসক্লাব অব মালয়েশিয়ার নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় হাইকমিশনার বলেন, লেখার মাধ্যমে জাতি অনেক কিছু জানতে পারে। আপনাদের সহযোগিতা দূতাবাসও কামনা করে। এমন সংবাদ পরিবেশন করবেন না, যাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ বয়ে আনে না। প্রবাসে নিজ দেশকে উঁচু স্থানে রেখে সংবাদ পরিবেশন করলে বিদেশিদের বাংলাদেশকে জানার আগ্রহ দেখাবে।

দূতাবাসের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এয়ার কমডোর মো. হুমায়ূন কবির বলেন, ঈদ মানে আনন্দ। প্রবাসীদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করতে এ উদ্যোগটি নেয়া হয়েছে। প্রবাসী সবাইকে একসঙ্গে পেয়ে অনেক ভালো লাগছে।

তিনি বলেন, হাইকমিশনার মহ.শহীদুল ইসলামের নেতৃত্বে এবং তার দিক নির্দেশনায় দূতাবাস সবসময় প্রবাসীদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।

শুভেচ্ছা বিনিময়ে হাইকমিশনের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এয়ার কমডোর মো. হুমায়ূন কবির, শ্রম কাউন্সিলার মো. জহিরুল ইসলাম, প্রথম সচিব কন্স্যুলার মো. মাসুদ হোসাইন, প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) মো. রাজিবুল আহসান, প্রথম সচিব (পাসপোর্ট ও ভিসা) মো. মশিউর রহমান তালুকদার, প্রথম সচিব কন্স্যুলার তাহমিনা ইয়াসমিনসহ দূতাবাসের অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময়ে অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি কমিউনিটি নেতা মকবুল হোসেন মুকুল, সহসভাপতি দাতু আক্তার হোসেন, কাইয়ূম সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, আবুল কালাম, মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও কমিউনিটি নেতা ওয়াহিদুর রহমান ওহিদ, রাশেদ বাদল,হাজী জাকারিয়া, হুমায়ূন কবির, শফিকুর রহমান চৌধূরী, নূর হোসেন ভূইয়া, রেহাদুজ্জামান, প্রদীপ কুমার, আবদুল বাতেন, শওকত হোসেন তিনু, মো. শাখাওয়াত হোসেন, মালয়েশিয়া শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম হাওলাদার, সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন টবলু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাকির হোসেন, প্রচার সম্পাদক গোলাম মোর্শেদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি বিএম বাবুল হাসান, সহ সভাপতি জালাল উদ্দিন সেলিম, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক তরিকুজ্জামান মিতুল, যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ন আহ্বায়ক মনসুর আল বাশার সোহেল, সদস্য বাবলা মজুমদার, জহিরুল ইসলাম জহির, মনির দেওয়ানসহ যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিকলীগ, ছাত্রলীগ ও আওয়ামী পরিবারের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ডা. শংকর চন্দ্র পোদ্দার, ইঞ্জিনিয়ার আমিরুল ইসলাম খোকন, সিবিএল মানি ট্রান্সফারের সিইও সাইদুর রহমান ফরাজি, অগ্রণী রেমিটেন্স হাউজের সিইও খালেদ মোর্শেদ রিজভী বাংলাদেশ প্রেসক্লাব অব মালয়েশিয়ার সিনিয়র সহসভাপতি আহমাদুল কবির, সাধারণ সম্পাদক বশির আহমদ ফারুক, মহিলা সম্পাদিকা ফারজানা সুলতানা, মোহাম্মদ আলী ও মনির হোসেন।

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?