মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ০২ অক্টোবর, ২০১৯, ০৭:২২:৩৭

দক্ষিণ আফ্রিকায় বছরে ১০০ বাংলাদেশি হত্যা

দক্ষিণ আফ্রিকায় বছরে ১০০ বাংলাদেশি হত্যা

প্রবাস ডেস্ক : সম্প্রতি সময়ে মাঝে মধ্যেই বাংলাদেশিকে হত্যার ঘটনা ঘটছে দক্ষিণ আফ্রিকায়। প্রবাসী বাংলাদেশিদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নৃশংস তাণ্ডব চালিয়েছে যাচ্ছে স্থানীয় কট্টরপন্থি আফ্রিকানরা। তাদের নৃশংস তাণ্ডবে বছরে অন্তত ১০০ বাংলাদেশি প্রাণ হারাচ্ছেন।

ব্যবসা ও টাকা নিয়ে বিরোধ, বিয়েবহির্ভূত সম্পর্ক, ব্যক্তিগত বিবাদ ইত্যাদি কারণে সাউথ আফ্রিকায় গত ৪ বছরে ৪শ’র বেশি বাংলাদেশিকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাব্বির আহমেদ চৌধুর।

তবে নিহত অনেকের পরিবার মৃত্যুর বিষয় জানান না বলে প্রকৃত সংখ্যা আরো অনেক বেশি হতে পারে বলে বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান তিনি। বিবাদ মেটাতে বেশির ভাগ বাংলাদেশি ‘স্থানীয় গুন্ডা ভাড়া’ করেন বলেও জানান রাষ্ট্রদূত৷

দেশটিতে বাংলাদেশের দূতাবাস জানায়, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৮৮ জন বাংলাদেশির লাশ দেশে পাঠানো হয়েছে। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে সংখ্যাটি মোট ৪৫২।

বাংলাদেশের ঠিক কতজন নাগরিক প্রবাসে আছেন তার সঠিক পরিসংখ্যান নেই। বিএমইটি-র হিসাবে ১৯৭৬ সাল থেকে এখন পর্যন্ত এক কোটি ২৬ লাখ মানুষ কর্মসংস্থানের জন্য দেশের বাইরে পাড়ি জমিয়েছেন। তবে কতজন ফিরে এসেছেন সেই পরিসংখ্যান নেই সেখানে।

খলিল মিয়া নামে এক অভিবাসী বাংলাদেশি জানিয়েছেন, স্থানীয়রা তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখে থাকে। যদিও আমরা তাদের চাকরি নিচ্ছি না, তবুও তারা আমাদের বন্দুক নিয়ে হামলা করে।’

জোহানেসবার্গে প্রবাসী বাংলাদেশিদের নেতা আব্দুল আওয়াল তানসেন বলেন, ‘অনেক বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। কিন্তু বিচার চাওয়া তো দূরের কথা, আমরা সেগুলো কাউকে জানাইনি। কারণ, আমাদের অনেকেই এখানে অবৈধভাবে বাস করছেন।’

চলতি শতকের শুরুর দিকে দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশিদের অভিবাসন শুরু হয়। এখন প্রায় তিন লাখ বাংলাদেশি সে দেশে বাস করছেন। তাদের অনেকেই অবৈধভাবে আছেন। অনেক বাংলাদেশি মুদি দোকান দিয়েছেন।

দূতাবাসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘এখানে যারা মারা গেছেন তাদের প্রায় ৯৫ শতাংশই হত্যার শিকার হয়েছেন। অনেককেই তাদের দোকানে গুলি করা হয়েছে।’

প্রবাসীরা বলছেন, অধিকাংশ দোকানিই এখানে পুরোপুরি বৈধ নন। ফলে তাঁদের ব্যাংক হিসাবে নেই। এ কারণে নিজেদের কাছেই তাঁরা নগদ টাকা রাখেন। আর ওই টাকা ছিনিয়ে নিতেই এসব হামলার ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন বলছে, আমরা স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে এসব বিশৃঙ্খলা বন্ধ করতে। কিন্তু কিছুতেই তারা শান্ত হচ্ছে না। তাদের বিরুদ্ধে অভিযানের শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?