বুধবার, ২০ জুন ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ১২ মার্চ, ২০১৮, ০৩:৩৭:০০

ভালোবাসার ক্ষেত্রে বয়স একটা সংখ্যা মাত্র

ভালোবাসার ক্ষেত্রে বয়স একটা সংখ্যা মাত্র

লাইফস্টাইল ডেস্ক : রবি ঠাকুরের ভাষায় ‘পৃথিবীতে বালিকার প্রথম প্রেমের মতো সর্বগ্রাসী প্রেম আর কিছুই নাই।  প্রথম যৌবনে বালিকা যাকে ভালোবাসে তাহার মতো সৌভাগ্যবানও আর কেহই নাই’। আর ভালোবাসা হয়ে থাকে অন্ধ। এটি কখনও সঙ্গীর বয়স দেখে হয় না। হতে পারে ছেলেটির বয়স ৩১ আর মেয়েটির ২৫ বছর। কিন্তু তারা তাদের ভালোবাসার রসায়ন তৈরির মাধ্যমে পৃথিবীতে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। আবার অনেক কাপলের ক্ষেত্রে বয়সের পার্থক্য ১০ বছরের বেশি হলেও তাদের মধ্যে অনেক সুন্দর সম্পর্ক হয়ে থাকে। কিন্তু প্রশ্ন একটাই আপনার বয়সের সঙ্গে আপনার সঙ্গীর বয়সের উপযুক্ততা আছে কি?

বয়সের পার্থক্য কোনো সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোন ধরণের ভূমিকা পালন করে থাকে তা জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। এগুলো হলো-

ম্যাচুরিটি না থাকলে কিছু করার থাকে না

এমন অনেক দম্পতি আছেন যাদের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়েছে। তবে স্বামী, স্ত্রীর থেকে ১৫ বছরের বড়। তাদের এই বিয়ের উপযুক্ততা নিয়ে প্রত্যেকেই সন্দিহান থাকেন। অনেককেই নানা কথা বলতে শোনা যায়। কিন্তু বিয়ের ২০ বছর পর স্ত্রীকে নিরাপদের সঙ্গে বলতে শোনা গেছে, সম্পর্কের ক্ষেত্রে বয়স শুধুই একটা সংখ্যা। অল্প বয়স্ক অনেকেই ম্যাচুউর এবং যৌক্তিক দৃষ্টিভঙ্গি থাকতে পারে। আবার অনেক বয়স্ক ব্যক্তির তা নাও থাকতে পারে।

বয়সের পার্থক্য কোনো ব্যাপার না

অনেকে নারীকে দেখা যায় তার বয়স থেকে পাঁচ বছরের ছোট ছেলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে যায়। কিন্তু তাকে বলতে শোনা গেছে ছেলেটি ম্যাচিউর না হলেও তারা তাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে শ্রদ্ধাশীল। সবকিছুই একে অন্যের কাছে পছন্দের। এটা তাদের সম্পর্ককে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলে। তাই যখন আপনি কাউকে প্রকৃতপক্ষেই ভালবাসবেন, তখন বয়সের পার্থক্য আপনার কাছে কোনো ব্যাপারই না।

সিদ্ধান্ত নিতে এক সঙ্গে লড়াই

এমন অনেক নারী আছেন তার বন্ধুর থেকে সে চার-পাঁচ বছরের ছোট। তাদের সম্পর্ক ভাঙার মূল কারণ থাকে এটাই। কারণ কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে খুব ছোট বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া লেগে যায়। তাই এক্ষেত্রে সমবয়সী হলে সিদ্ধান্ত নিতে কোনো ঝামেলা হয় না।

আবেগ কখনও এক হয় না

বয়স একজন ব্যক্তির মধ্যে বেশিরভাগ সচেতনতা নিয়ে আসে। এক্ষেত্রে সঙ্গী যদি সঙ্গিনীর থেকে বড় হয়ে থাকে তবে সঙ্গীটি বুঝতে পারে সঙ্গিনী ঠিক কি চাইছে। কারণ এক্ষেত্রে তার আবেগ অনুভূতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকে।

ভালো মানুষ হতে সাহায্য করা

স্ত্রীর থেকে স্বামীর বয়সের অল্প পার্থক্য প্রকৃত সম্পর্ক গড়ে তুলতে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে একজন উপযুক্ত সঙ্গীই তার সঙ্গিনীর সব বিষয়ে গাইড করে। এই পদ্ধতিকে সবসময় শ্রদ্ধা করা উচিত। কারণ সঙ্গীর এই ব্যবহার সঙ্গিনীকে একজন ভাল মানুষ হতে সহায়তা করে।

আজকের প্রশ্ন

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন ‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে বিএনপির নেতারা মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি করছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?