শনিবার, ১৯ জানুয়ারী ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ১১ জানুয়ারী, ২০১৯, ০১:০০:৪৩

বিয়ে ও বিচ্ছেদ নিয়ে কয়েকটি অদ্ভূত নিয়ম

বিয়ে ও বিচ্ছেদ নিয়ে কয়েকটি অদ্ভূত নিয়ম

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বিয়ে ও বিচ্ছেদ নিয়ে সাড়া বিশ্বে নান বিচিত্র নিয়ম, আইন কানুন রয়েছে। এর কয়েকটি নিয়ম আপনাকে হয়ত অবাক করে দিতে পারে।

আসুন দেখে নেওয়া যাক এরকমই কয়েকটি অদ্ভুত নিয়ম-

১) আমেরিকার ২৬টি প্রদেশে কাজিনদের মধ্যে প্রেম সম্পর্ক গড়ে উঠলে তারা বিয়ে করতে পারেন, তবে সে ক্ষেত্রে সন্তানধারণ করা যাবে না। পরবর্তী প্রজন্মের জিনগত ত্রুটিরোধ ও শারীরিক সমস্যা কমাতেই কাজিনদের মধ্যে বিয়েতে সন্তানধারণের জন্য এমন বিধিনিষেধ রয়েছে সে সব প্রদেশে।

২) মৃত মানুষকে স্বামী বা স্ত্রীর স্বীকৃতি দিয়ে বিয়ে করার নিয়ম জারি রয়েছে ফ্রান্সে। তবে সে ক্ষেত্রে দেশের প্রেসিডেন্টের অনুমতি লাগে। শুধু তা-ই নয়, মৃত মানুষটি যে আপনাকে ভালবাসতেন ও বিয়ে করতে চাইতেন বা তার সঙ্গে আপনার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল, তারও প্রমাণ দিতে হয়।

২)পার্টনার বোকা। শুধু এটাই যথেষ্ট বিবাহবিচ্ছেদের জন্য? আমেরিকার মিসিসিপি প্রদেশের অধিবাসী হলে স্বামী বা স্ত্রীর চূড়ান্ত বোকামির নিদর্শন আদালতে প্রমাণ করতে পারলেই বিবাহবিচ্ছেদ মিলবে সহজে।

৩) এক বছর চলে যাবে এমন পরিমাণে শুকনো বিন, শুকনো আপেল, মাংস ও উলের জোগান তার স্ত্রীকে দিতে পারলে এক জন স্বামী তাকে ছেড়ে যেতে পারেন। আমেরিকার টেনেসি প্রদেশে বিবাহবিচ্ছেদ পেতে গেলে এই ক’টা ব্যবস্থা পাকা করতেই হবে।

৪) স্ত্রী’র জন্মদিন প্রতি বছরই ভুলে যান? ভাগ্যিস, আপনি ওসিয়ানিয়ারসামোয়া রাষ্ট্রের বাসিন্দা নন! এখানে স্ত্রীর জন্মদিন ভুললেই ডিভোর্স ফাইল করার অধিকার পেয়ে যেতেন স্ত্রী। তবে হ্যাঁ, স্ত্রী যদি তার ,স্বামীর জন্মদিন ভোলেন তবে কিন্তু এমন নিয়ম খাটবে না!

৫) স্ত্রী’র সঙ্গে যে দিন খুশি ঝগড়া করুন, কিন্তু রোববার কোনও দাম্পত্যকলহ চলে না কলোরাডোয়। স্ত্রী যদি মনে করেন, রোববার তার সঙ্গে ঝগড়া করার জন্য স্বামীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করতে পারেন। এতে জেলও হতে পারে স্বামীর।

৬) অসুখী দাম্পত্য? বিবাহবিচ্ছেদের জন্য মনের এই টানাপড়েন মোটেও যথেষ্ট নয় ব্রিটেনে। বরং ডিভোর্স পেতে গেলে কোনও না কোনও কারণ দর্শাতেই হয় এখানে। কোনও খারাপ ব্যবহার, অসহনীয় ঘটনা, মানসিক বা শারীরিক অত্যাচার ইত্যাদি কোনও একটা কারণ থাকতেই হবে।

তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?