শুক্রবার, ১৯ জুলাই ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই, ২০১৯, ১১:১৪:২৩

মোটা নারীদের স্বামীরা সবচেয়ে সুখী, বলছে গবেষণা

মোটা নারীদের স্বামীরা সবচেয়ে সুখী, বলছে গবেষণা

লাইফস্টাইল ডেস্ক : প্রতিটি মানুষের কিছু পছন্দ থাকে। কারো পছন্দ চিকন মেয়ে আবার কারো মোটা। তবে এর কারণের যেন শেষ নেই। তবে সম্প্রতি এক গবেষণায় যে ফলাফল দেয়া হয়েছে, তা শুনলে হয়ত আপনারই মাথা খারাপ হবে। তাতে বলা হয়েছে, সহধর্মিনীতে সুখ চান? তাহলে এখনই ঘরে তুলুন মোটা মেয়ে! সে গবেষণায় আরো বলা হয়েছে, জীবনে সুখী হতে হলে, অবশ্যই মেদওয়ালা মেয়েদেরই বিয়ে করা উচিত।

মেক্সিকোর এক বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন গবেষণার উঠে এসেছে এ ধরণের তথ্য। যেখানে বলা হয়েছে পাতলা মেয়েদের থেকে মেদযুক্ত নারীদের সঙ্গে বিয়ে হলেই নাকি পুরুষ হবে সবচেয়ে সুখী।

গবেষণায় উঠে আসা তথ্য অনুযায়ী, মোটা মেয়েরা সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে খুবই পটু। কারণ, তারা শরীরের চাকচিক্যের থেকে ইমোশনকে গুরুত্ব দেয় সবচেয়ে বেশি।

মোটা মেয়েরা স্বামীর প্রতি বেশি যত্নশীল হয়ে থাকে। মোটা মেয়েকে বিয়ে করলে মানসিক দিক থেকেও শক্ত থাকা যায়।

কথিত আছে, মোটা মেয়েরা বুদ্ধির ভাণ্ডার। এইটা কোনো মিথ্যা মন্তব্য নয়, ব্রিটিশ শিক্ষকদের একটি গবেষণায় উঠে এসেছে এই তথ্য। এদের বুদ্ধি নাকি রোগাদের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি হয়। তাই ঘরে হোক কিংবা বাইরে, সব কাজই নিপূণতার সঙ্গে চালিয়ে নিতে পারেন মোটারা। এর বাইরেও আরেকটি কথা বলতে হয়, মোটা নারীদের ড্রেসিং চয়েস নাকি রোগা মেয়েদের থেকে অনেকগুণে ভালো হয়। কোন ড্রেসে তাদের সবচেয়ে ভালো মানাবে, আর কোনটাই খারাপ দেখাবে তা দ্রুত নির্বাচন করতে পারেন মোটা নারীরা।

সর্বশেষ যে বিষয়ে মোটা মেয়েরা বেশি পারদর্শী, সেটি হলো রান্না। এই দিক থেকে রোগা মেয়েদের তুলনায় অনেকগুণ বেশি পারদর্শী হয় স্বাস্থ্যবান নারীরা। এরা নিজের খাওয়ার থেকে পরিবারের লোকদের খাওয়াতে বেশি পছন্দ করেন। ঠিক মতো খাওয়া হলো কিনা, সেই দিকেও নজর থাকে তাদের। অপরদিকে চিকন নারীরা, চিকন হলেও খান বেশি। তাই তাদের খাওয়ার সময় অন্যের প্রতি নজর থাকে কম। আর মোটাদের রান্নার প্রতি একটা আলাদা টান আছে। ফলে নিত্যনতুন এই ধরনের সুবিধার জন্য এখনই মোটা নারীকে ঘরে তুলুন। মূলত এই গবেষণাটি কিন্তু এই সুবিধাগুলো দেখেই মোটা নারীকে বিয়ে করতে বলেছে।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?