শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ০৮ আগস্ট, ২০১৯, ০৫:২৯:১৩

বৃষ্টিদিনে ত্বক সুস্থ নাগালে রাখুন ৫ উপাদান

বৃষ্টিদিনে ত্বক সুস্থ নাগালে রাখুন ৫ উপাদান

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বর্ষাকালে স্যাঁত-সেঁতে আবহাওয়া, ভ্যাপসাভাবের কারণে অনেকের ত্বকেই ইনফেকশন হয়! এ সব থেকে বাঁচতে দরকার বাতাসের আর্দ্রতা থেকে ত্বক শুকনো আর সুরক্ষিত রাখা, কোনওরকম ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাকঘটিত সংক্রমণ হতে না দেওয়া। তাই ত্বক সুস্থ রাখতে হাতের নাগালে রাখুন ৫ উপাদান-

গোলাপজল
গোলাপজলের মনমাতানো সুগন্ধের সঙ্গে তো সকলেই পরিচিত! কিন্তু জানেন কি, গোলাপজল হল এমনই একটি উপাদান যা বর্ষায় তো বটেই, সারা বছর ত্বকের পরিচর্যায় ব্যবহার করতে পারবেন আপনি! বর্ষায় ত্বক তেলতেলে হয়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকে, আর গোলাপজল দিয়েই সেই বাড়তি তেলকে বাগ মানানো সম্ভব! তুলোয় করে গোলাপজল নিয়ে দিনে দু’ তিনবার করে মুখটা মুছে নিন, কাছে ঘেঁষতে পারবে না বাড়তি তেলাভাব!

নিমপাতা
ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাকজাত সংক্রমণ বর্ষাকালের একটি চলতি সমস্যা। হাতের কাছে নিমপাতা থাকলে সহজেই সামাল দিতে পারবেন তা। নিমপাতা শুকিয়ে গ্রাইন্ডারে দিয়ে মিহি গুঁড়ো করে নিন। তাতে সামান্য জল মেশালেই একটা পেস্ট তৈরি হবে। পরিবর্তে কাঁচা নিমপাতা জল দিয়ে মিহি করে বেটে নিতেও পারেন। ব্রণ, পায়ের সংক্রমণ, চুল ওঠার সমস্যা, সব কিছু কমিয়ে ফেলতে পারবেন এই নিমপাতার পেস্ট দিয়ে!

মোরিঙ্গা তেল
চলতি বাংলায় সজনের তেল। আজকাল বড়ো দোকানে বা অনলাইনে মোরিঙ্গা তেল পাওয়া যায়। বাদলা মরশুমে যে কোনও ত্বকের সংক্রমণের মোকাবিলা করতে দারুণ কাজের এই মোরিঙ্গা তেল। যে কোনও কেরিয়ার অয়েলে কয়েক ফোঁটা মোরিঙ্গা তেল মিশিয়ে নিয়ে গায়ে মাখুন আর বিদায় জানান যাবতীয় সংক্রমণকে। মোরিঙ্গা তেল খুবই হালকা, ফলে ত্বকে শুষে যায় ঝটপট!

অলিভ অয়েল
একদিকে অলিভ অয়েল দারুণ হালকা, অন্যদিকে অ্যান্টি অক্সিডান্টের ভাঁড়ার! ফলে ত্বকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগাতে জুড়ি নেই অলিভ অয়েলের। ত্বক কোমল, মখমলের মতো মোলায়েম আর ব্রণমুক্ত ঝকঝকে রাখতে গোটা বর্ষাকাল অলিভ অয়েল মাখুন।

নারকেল তেল
খাঁটি নারকেল তেল খুব হালকা ও তাতে তেলাভাবও বিশেষ থাকে না। প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজার হিসেবে নারকেল তেল খুবই কাজের। পরিবেশের যাবতীয় ক্ষতি রুখে দিয়ে নারকেল তেল ত্বক সুরক্ষিত ও কোমল রাখে।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?