শনিবার, ১৬ নভেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ০৬:০৩:১৯

দাম্পত্য সম্পর্কে প্রেমের ছিটেফোঁটা না থাকলে

দাম্পত্য সম্পর্কে প্রেমের ছিটেফোঁটা না থাকলে

লাইফস্টাইল ডেস্ক : দাম্পত্য সম্পর্কের বাঁধন সারাজীবন একইরকম পোক্ত রাখা রীতিমতো কঠিন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভালোবাসা, শারীরিক আকর্ষণ, সবেতেই ভাটা পড়ে।

আবার অনেক সময় সমস্ত রকম আকর্ষণ উবে গেলেও অর্থনৈতিক কারণে, বা সামাজিক চাপে পড়ে, কখনও আবার সন্তানদের মুখ চেয়ে প্রেমহীন একটা সম্পর্ক বয়ে নিয়ে যেতে বাধ্য হন দম্পতিরা। প্রশ্ন হলো, এমন একটা সম্পর্ক বয়ে নিয়ে যাওয়া কি আদৌ বাঞ্ছনীয়? নাকি সম্ভব হলে সে সম্পর্ক চুকিয়ে দেওয়াই শ্রেয়?

দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যের কথা ভাবুন
বিবাহিত সম্পর্ক থেকে দিনের পর দিন যদি কিছু পাওয়া না যায়, তা হলে সে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার মানে কী? এমনটাই মনে করেন অনেকে। এ কথায় যে একেবারে সত্যতা নেই তা নয়, কিন্তু কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, কোনওভাবে যদি সাময়িক ঝড়ঝাপটা, মতের অমিল সহ্য করে দাম্পত্য সম্পর্কে থেকে যাওয়া যায়, তা হলে দূর ভবিষ্যতে সম্পর্ক উন্নতও হতে পারে। সন্তানের জন্মের পর যে সব দম্পতির জীবনে ওঠাপড়া আসে, তাঁদের ক্ষেত্রে এ কথা বেশি করে প্রযোজ্য।

শারীরিক-মানসিক অত্যাচার সহ্য করবেন না
দম্পতিরা নানা কারণে বিবাহিত সম্পর্কে থেকে যেতে বাধ্য হন। কিন্তু সেটা যদি ভয়ের কারণে হয়, তা হলে মুশকিল! স্বামীকে যদি আপনি ভয় পান, তিনি যদি আপনার উপর শারীরিক অত্যাচার করেন, তা হলে সেই বিয়ের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখবেন না। সাহস সঞ্চয় করুন, প্রথম সুযোগেই বেরিয়ে আসুন দাম্পত্য সম্পর্ক থেকে। ব্যক্তিগত নিরাপত্তা আর মানসিক শান্তি আপনার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত।

শারীরিক সম্পর্কের অভাব
দিনের পর দিন যৌন সম্পর্ক নেই স্বামীর সঙ্গে? সে ক্ষেত্রে কোনওরকম চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে স্বামীর সঙ্গে বসে কথা বলুন। প্রয়োজনে সেক্সোলজিস্ট বা কাপল কাউন্সেলরের সঙ্গে কথা বলে যৌনজীবন স্বাভাবিক করে তোলার চেষ্টা করতে হবে। যদি চেষ্টা করেও সম্পর্কের উন্নতি না হয়, তবেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিন।

মানসিক ব্যবধান
আপনার কি মনে হচ্ছে, সম্পর্কটা টিকিয়ে রাখতে আপনি যতটা চেষ্টা করছেন, স্বামীর দিক থেকে ততটা তাগিদ দেখা যাচ্ছে না? কাউকে জোর করে সম্পর্কে ধরে রাখা যায় না এটা ঠিক, কিন্তু ইগো সরিয়ে রেখে একবার শেষ চেষ্টা করে দেখতেই বা ক্ষতি কী? প্রয়োজনে রিলেশনশিপ কাউন্সেলরের সাহায্য নিন, কিন্তু মাথায় রাখবেন স্বামী যদি সম্পূর্ণভাবে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন, তা হলে কাজ নাও হতে পারে। তবু শেষ চেষ্টা করে দেখুন।

সারাক্ষণ তিক্ততা
ঝগড়াঝাঁটি কমবেশি সব দম্পতিরই হয়, আবার মিটেও যায়। কিন্তু আপনাদের ঝগড়া কি প্রতিবারই চূড়ান্ত তিক্ততার পর্যায়ে চলে যায়? নিজের রাগটাকে কি সংযত করতে পারেন না আপনারা? মাথা ঠান্ডা করে ভাবুন আপনার এই প্রচণ্ড রাগের কারণ কী? ঝগড়া থেমে গেলে, মেজাজ শান্ত হওয়ার পর স্বামীর প্রতি আপনার অনুভূতিটা কেমন, সেটাও ভেবে দেখুন। যদি মনে হয় ভুল বোঝাবুঝিটা মিটিয়ে নিতে পারলে ভালো হয়, তা হলে সম্পর্কটা বাঁচিয়ে রাখার আশা আছে। কিন্তু যদি চরম হতাশ লাগে, যদি মুক্তির জন্য হাঁফিয়ে ওঠে মন, তা হলে এ সম্পর্কের আর উন্নতি সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে বিকল্প পথেই হাঁটা ভালো।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?