মঙ্গলবার, ২৬ মে ,২০২০

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ০৫:১০:০৩

যে বিষয়গুলো বিয়ে ভাঙ্গার কারণ হতে পারে

যে বিষয়গুলো বিয়ে ভাঙ্গার কারণ হতে পারে

লাইফস্টাইল ডেস্ক : আমরা প্রায় সবাই বিচ্ছেদ শব্দের সঙ্গে পরিচিত। বিয়ে ভাঙা বা বিবাহবিচ্ছেদ শব্দটি মোটেই সুখকর নয়। বর্তমানে প্রেমের বিয়েই হোক বা সম্বন্ধ করা বিয়ে; বিচ্ছেদের হার বেড়ে গেছে অনেক।

এমন নয় যে বিয়ে ভাঙার পর কেউ আনন্দিত হয় বা কারো কষ্ট কম হয়। বরং একটি ডিভোর্স মানে দু’টি মানুষেরই পরাজয়, দু’জনেরই কষ্ট। এই বিচ্ছেদ অনেক সময় জীবন ধ্বংসেরও কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবু ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় বিবাহবিচ্ছেদের মতো এত বড় কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন অনেকেই। কিন্তু এর পেছনেও থাকে বড় কোনো কারণ নয়তো খামখেয়ালি। কারণ যাই হোক না কেন, ফলাফল তো একটাই।

দিন যাপনের ভিড়ে আমরা বুঝতেও পারি না যে কিছু বিষয় তিল তিল করে আমাদের টেনে নিয়ে যায় বিচ্ছেদের দিকে। আজ এমন কিছু বিষয় সম্পর্কে জানবো।

কম বয়সে বিয়ে: অনেক সময় মেয়েদের অনেক কম বয়সে বিয়ে হয়। এ কারণে বিয়ের পর অনেক বিষয়েই তাদের বৈবাহিক জীবনে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। সব সময় কাছাকাছি বয়সের মানুষকে বিয়ে করা ভালো। এতে দুজনের বোঝাপড়া ভালো হয়। না হলে বয়সের ব্যবধানের কারণে একটা সময় বিয়ে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

দুজনের মধ্যকার ব্যবধান: বিয়ের পর দু’জনের মধ্যকার বয়সের ব্যবধান, আয়ের ব্যবধান, জীবনযাপনের ব্যবধানের কারণে একটা সময়ে নিজেদের প্রতি আর শ্রদ্ধাবোধ কমে যায়। তাই বিয়ে সব সময় সমানে সমানে হওয়া উচিত। তাহলে বৈবাহিক জীবনে সামঞ্জস্য বজায় থাকবে।

প্রতারণার কারণে: বিয়ের পর যদি একজন আরেকজনের সঙ্গে প্রতারণা করেন এবং সেই প্রতারণা যদি ক্রমশ বেড়েই চলে, তাহলে সেই সম্পর্ক বিচ্ছেদেই শেষ হয়। বেশির ভাগ বিয়ে ভাঙার প্রধান কারণ এটি। বিয়ের পর অন্য কারো সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়লে বিয়ের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা বেশ কঠিন। সেটা নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

অতিরিক্ত ঝগড়া: কথাকাটাকাটি অথবা ঝগড়া সব সম্পর্কেই থাকে। কিন্তু অতিরিক্ত কোনোকিছুই ভালো না। মনে রাখবেন, ঝগড়ার ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি সব সময়ই সম্পর্কের ইতি টানে। আর এই ঝামেলা যদি সব সময় লেগেই থাকে, তাহলে সম্পর্কে সুখ তো থাকবেই না বরং বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যাবে।

সন্তান হওয়ার পর দূরত্ব: অনেক সময় সন্তান জন্ম হওয়ার পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অনেকটা দূরত্ব তৈরি হয়। তারা বুঝতেই পারে না যে তাদের মধ্যকার সম্পর্কটা ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অনেকটা দূরত্ব তৈরি হওয়ার পর তাদের মধ্যে আর টান থাকে না। আর এ কারণেই অনেক সময় বিবাহবিচ্ছেদ হয়।

অতিরিক্ত প্রত্যাশা: অতিরিক্ত বা অবাস্তব প্রত্যাশা সম্পর্ককে নষ্ট করে। বিয়ের পর একজনের জীবনের সঙ্গে আরেকজনের জীবন জড়িয়ে পড়ে। তখন দুজনেরই দুজনের প্রতি প্রত্যাশা থাকে। কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত প্রত্যাশা কখনোই সুখকর হয় না। বরং এটি ধীরে ধীরে সম্পর্কের ভিত্তিকে নষ্ট করে। যার ফলাফল বিবাহবিচ্ছেদ।

শারীরিক নির্যাতন: অনেক সময় শারীরিক নির্যাতনের কারণে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। পারিবারিক এই নির্যাতনের শিকার নারীরাই বেশি হন। একই নির্যাতন চলতে থাকলে একটা সময় নারীরা বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন। তবে এমন ঘটনা ঘটলে বিয়ের সম্পর্ক না টিকিয়ে রাখাই শ্রেয়। সূত্র: ওয়ান্ডারসলিস্ট

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির নেতারা আইন না বুঝেই মন্তব্য করে আইনমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে আপনি কি একমত?