বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ,২০২০

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ০৪ অক্টোবর, ২০১৯, ০৩:৪০:৫৯

পূজায় যেভাবে আনন্দ করতে পারেন দম্পতিরা

পূজায় যেভাবে আনন্দ করতে পারেন দম্পতিরা

লাইফস্টাইল ডেস্ক : পূজা মানে একদিকে যেমন দেদার মজা, ফুর্তি, দল বেঁধে ঠাকুর দেখা আর প্রাণভরে খাওয়াদাওয়া, তেমনি পূজা মানে চার-চারটে দিনের ছুটি। যাঁদের সারাবছর অফিসের ঘানি ঘোরাতে হয়, তাঁদের অনেকেই এই ছুটির দিনগুলো প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঠাকুর দেখার পরিশ্রমটা আর করে উঠতে চান না।

বরং বাড়িতে হাত-পা ছড়িয়ে ছুটির আনন্দ উপভোগ করাই তাঁদের বেশি পছন্দের। আর যে সব দম্পতির কাজের চাপে পরস্পরের সান্নিধ্য বেশি উপভোগ করা হয় না, তাঁদের কাছেও পূজার ছুটিই আদর্শ সময় প্রেমের উদযাপন করার। তাই চট করে চোখ বুলিয়ে নিন এই টিপসে-

সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে পড়ুন
ছুটির দিন মানেই বেলা পর্যন্ত ঘুমোনো, এই ধারণাটা থেকে বেরিয়ে আসুন। শরৎকালের সকালটা খুব সুন্দর, একটু তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠলে সেই সৌন্দর্যটা দু’জনে মিলে উপভোগ করতে পারবেন। ভোরবেলা দু’জনে মিলে বেরিয়ে পাড়ার আর পাড়ার আশপাশের কয়েকটা ঠাকুর টুক করে দেখেও আসতে পারেন। মর্নিংওয়াকও হবে, প্রতিমা দর্শনটাও হয়ে যাবে একই সঙ্গে। ফেরার পথে সকালের চা-টা না হয় খেয়েই ফিরবেন! ইচ্ছে করলে একদিন একটু বেশি সকালে লং ড্রাইভেও বেরিয়ে পড়তে পারেন।

একসঙ্গে অঞ্জলি দিতে যান
পূজায় সবাই মিলে অঞ্জলি দেওয়ার মজাই আলাদা, তার উপরে সঙ্গে যদি থাকেন প্রিয় মানুষটি, তা হলে তো কথাই নেই! অঞ্জলির ফুল ছোড়ার ফাঁকে পুরোনো প্রেমের মুহূর্তগুলোও ঝালিয়ে নিতে পারবেন!

অর্ডার করুন দুপুরের খাবার
এরকম নির্ভেজাল ছুটি বিশেষ পাওয়া যায় না, তাই অকারণে সময়টা গাদাখানেক রান্নাবান্না করে নষ্ট করবেন না। কাছেপিঠের রেস্তোরাঁ থেকে খাবার অর্ডার করে দিন, বা গিয়ে খেয়ে আসুন। ইচ্ছে করলে দু’ একটা স্পেশাল পদ রান্না করতে পারেন, তবে রান্নাঘরে ঘেমেনেয়ে কাজ করলে আপনারই ছুটিটা নষ্ট হবে! বরং সেই সময়টা পার্টনারের সঙ্গে গল্প করুন, পছন্দের সিনেমা দেখুন একসঙ্গে, অথবা ভরপুর শারীরিক ঘনিষ্ঠতায় বাড়িয়ে তুলুন বিছানার উষ্ণতা!

বন্ধুদের ডেকে নিন
পূজার ছুটিতে বাড়িতে প্রতিদিনই কোনও না কোনও বন্ধু ঢুঁ মারবেন, এটাই স্বাভাবিক। সবাই মিলে জমিয়ে আড্ডা মারুন, সঙ্গে থাক মুখরোচক স্ন্যাকস! ছুটির বিকেলটা দারুণ কাটবে সন্দেহ নেই!

পাড়ার প্যান্ডেলে আড্ডা
সন্ধের মুখে যখন পূজার আলোগুলো জ্বলে উঠছে টিপটিপ, নিজেরাও সেজে উঠুন সেই সময়টা! কোথাও বেরোতে পারেন, আবার ভিড় ঠেলার ইচ্ছে আদৌ না হলে পাড়ার প্যান্ডেলে চেয়ার নিয়ে বসে পড়ুন। ঠাকুর দেখাও হবে, আড্ডাও হবে জমিয়ে! চাই কি, দু’জনে মিলে একটু ধুনুচি নাচ নাচলেও মন্দ হবে না কিন্তু!

রাতের প্ল্যান
খাওয়াদাওয়ার পর দু’জনে মিলে একটু বেশি রাতে বেরিয়ে পড়ুন। বেশি রাতে বেরোলে ট্রাফিক জ্যামেও খুব একটা আটকাতে হবে না। তবে রাতেও পূজা প্যান্ডেলগুলোয় যথেষ্টই ভিড় থাকে, তাই ভিড় ঠেলার ইচ্ছে না থাকলে ঢুকতে পাওয়ার আশা কম। প্যান্ডেলে না ঢুকেও গাড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়ান কলকাতার রাস্তায়! শহরের আলোয় সাজা রূপ দেখে মুগ্ধ হয়ে যাবেন, গ্যারান্টি!

আজকের প্রশ্ন

ঢাকার সিটি নির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট হলে জনগণের রায় প্রতিফলিত হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আপনিও কি তাই মনে করেন?