শুক্রবার, ০৬ ডিসেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৯, ১১:১৩:০৯

ছোট্ট ভুলগুলোর অবসান করে সুখী থাকুন

ছোট্ট ভুলগুলোর অবসান করে সুখী থাকুন

লাইফস্টাইল ডেস্ক : দাম্পত্য জীবন শুরু হয় সুখ দিয়েই। তবে সে সূখে নানা কারণেই দেখা দেয় দু:খ। ফাঁটল ধরে সংসারে। কিছু ভুল বোঝাবুঝির কারনেই সম্পর্কে তিক্ততা চলে আসে। তবে নিজেরাই পারেন সে সম্পর্কের তিক্ততা সরিয়ে সুখ ফিরিয়ে আনতে।

ছোট্ট ছোট্ট ভুলগুলোর অবসান ঘটিয়ে নিলেই হয়। তার জন্য তো অবশ্যই দুজনের ছাড় দেয়ার মন মানসিকতা থাকতে হবে। আপনি চাইলেই সঙ্গীর সাথে মধুর সম্পর্ক স্থাপন করে দীর্ঘস্থায়ী সুখী সম্পর্কে থাকতে পারবেন। জীবনটা তখন অন্যরকম সুখে ভরে উঠবে।

ভালো ব্যবহার করুন :
মন মেজাজ খারাপ যে কোনো কারণেই হতে পারে। তখন সঙ্গীর সাথে খারাপ ব্যবহার করা কিন্তু একেবারেই উচিৎ নয়। কিংবা অন্যের রাগটাও মাঝে মাঝে সঙ্গীর ওপরেই ঝেড়ে ফেলা হয় যার প্রভাব পড়ে সম্পর্কে। তাই নিজের মধ্যে কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণ আনুন এবং সঙ্গীর সাথে সবসময় ভালো ব্যবহারের চেষ্টা করুন।

সময় বের করুন :
সঙ্গীকে আপনার সময় দিন। হতে পারে আপনি কাজে অনেক ব্যস্ত, কিন্তু তারপরও ব্যস্ততার মাঝেও সঙ্গীকে দেয়ার জন্য সময় বের করে নিন। নতুবা আপনাদের সম্পর্কে দূরত্ব এসে যাবে যা পরবর্তীতে মেটানো সম্ভব হয়ে উঠবে না।

সততা বজায় রাখুন :
নিজে একজন সৎ মানুষ হিসেবে সঙ্গীর সামনে দাঁড়ান। এমন কিছুই করবেন না যা আপনার জন্য সঙ্গীর মনে সন্দেহের জন্ম দেয়। বিশ্বাস হচ্ছে সম্পর্কের মূল ভিত্তি। নিজের সততা বজায় রাখুন। দাম্পত্য জীবন দীর্ঘস্থায়ী হবে।

সম্পর্কে তৃতীয় কাউকে আনবেন না :
স্বামী-স্ত্রীর মাঝে তৃতীয় কোনো ব্যক্তিকে আনবেন না। তিনি যদি শ্বশুর শাশুড়িও হন তবুও নয়। এতে সম্পর্কের দৃঢ়তা নষ্ট হয়ে যায়। একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা কমে যায়।

কিছু সময় দূরে থাকুন :
একে অপরের মূল্য কিছুটা হলেও বোঝা যায় যখন সঙ্গীর কাছ থেকে দূরে থাকা হয়। এতে করে সঙ্গী জীবনে কতোটা গুরুত্ব রাখে তা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। তাই সম্পর্কের মধুরতা বজায় রাখতে মাঝে মাঝে আলাদা থেকে দেখুন।

বাস্তববাদী হোন :
অবাস্তব কিছু আশা করবেন না সঙ্গীর কাছ থেকে। আপনার স্ত্রী যদি বাইরে চাকরী করেন তবে তার কাছ থেকে পুরো ঘর একা সামলানোর আশা করতে যাবেন না। আবার স্ত্রীরা আপনার স্বামীর প্রতি অযথা সন্দেহ ও অযথা নানা জিনিসপত্র কেনার বায়না করবেন না। সংসার আপনাদের দুজনেরই। দুজনকেই বাস্তবতা বুঝতে হবে।

সঙ্গীর পছন্দের খোঁজ খবর রাখুন :
সঙ্গী কী কী জিনিস পছন্দ করেন তার খোঁজ খবর রাখুন। মাঝে মাঝে তার পছন্দের জিনিস দিয়ে সারপ্রাইজ দিয়ে দিন। এতে সম্পর্কে থাকে মধুরতা এবং সম্পর্ক হয় দৃঢ়।

নিজের সত্ত্বা বিসর্জন দেবেন না :
সঙ্গীকে খুশি রাখতে গিয়ে নিজের সত্ত্বা বিসর্জন দিয়ে দেয়া কিন্তু আপনার সম্পর্কের জন্য ভালো নয়। কারণ আপনি তার প্রতি কথা মেনে নিলে তিনি কিন্তু আপনার ওপর নানা সময়ে নানা জিনিস চাপিয়ে দেবেন। বিচার বুদ্ধি ব্যবহার করুন। অন্যায় আবদার মেনে নেবেন না।

সঙ্গীর কথার গুরুত্ব দিন :
সঙ্গী যে কথাই বলুন না কেন একটু গুরুত্ব সহকারে শোনার চেষ্টা করুন। হতে পারে কথাটি আপনার কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। তখন তাকে বোঝানোর চেষ্টা করুন। কিন্তু আপনি যদি সঙ্গীর কথা নাই শুনলেন তবে তাকে অপমান করা হবে।

কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দিন :
কোনো সম্পর্কই একেবারে পারফেক্ট নয়। কিছু সমস্যা সকল সম্পর্কেই থাকে। তাই মাঝে মাঝে ছাড় দিতে শিখুন। ছোটোখাটো বিষয় নিয়ে অযথা সম্পর্কে তিক্ততা তৈরি করবেন না।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?