শনিবার, ০৬ জুন ,২০২০

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২০, ১১:১৮:৫৩

সবসময় কাজের চাপে থাকেন স্বামী, কীভাবে সময় কাটাবেন?

সবসময় কাজের চাপে থাকেন স্বামী, কীভাবে সময় কাটাবেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক : কাজের চাপে সংসারের দিকে মন দেওয়ার সময় নেই স্বামীর। নিজের অফিস, ছেলেমেয়ের স্কুল, সংসারের কাজসহ যাবতীয় ঝক্কি পোহাতে হয় আপনাকেই। এমনকী, কোনো গেট টুগেদার বা দাওয়াতবাড়িতেও স্বামীর উপস্থিতি খুবই অনিশ্চিত। দিনের শেষে দু’জনের কথা বলার সময়টুকুও থাকে একেবারে মাপা। স্বামী কাজপাগল হলে স্ত্রীর উপরেই সাংসারিক সমস্ত দায়দায়িত্ব এসে পড়ে এবং সেটা যদি দিনের পর দিন চলতে থাকে, তা হলে হতাশা দেখা দেওয়া খুব স্বাভাবিক। দাম্পত্যজীবন তথা সংসারের প্রতি বিরক্তি দেখা দেওয়াও আশ্চর্য নয়।

প্রশ্ন হলো, আপনার সংসারেও যদি এরকম ছবি দেখা যায় তা হলে কী করবেন আপনি? কীভাবে নেতিবাচক চিন্তা দূরে সরিয়ে রেখে মনোযোগ দেবেন সংসারের প্রতি? স্বামীর দৈনন্দিন কর্মব্যস্ত রুটিনের সঙ্গে মানিয়েই বা নেবেন কীভাবে?

কিছু নিয়ম ঠিক করে নিন
আপনার স্বামী যদি রাতদিন কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকেন, তা হলে তার কারণ সম্ভবত দুটো। এক, ওর বস সারাক্ষণ ওঁর উপর কাজের পাহাড় চাপিয়ে রাখেন, আর দুই, উনি নিজেই কাজ করতে ভালোবাসেন। আপনার ক্ষেত্রে কারণটা যাই হোক না কেন, এ ক্ষেত্রে স্বামীকে বোঝা খুব দরকার। কাজের প্রতি ওঁর অনুভূতিটাও বুঝতে হবে। হয়তো আপনার স্বামী এমন একটা দায়িত্বশীল পদে আছেন যেখানে সব কিছু সামলে সংসারের প্রতি সমান নজর দেওয়া বা ব্যালান্স করাটা ওঁর পক্ষে সত্যিই সম্ভব হচ্ছে না! এখানেই আপনার ভূমিকাটা জরুরি। দিনের পর দিন সংসারের দিকে স্বামী মনোযোগ না দিতে পারলে ওর মধ্যেও একটা অপরাধবোধ তৈরি হতে বাধ্য। তাই এখানে কিছু নিয়ম দরকার। উনি যদি রোজ রাত করে বাড়ি ফেরেন, তা হলে ঠিক করে নিন অন্তত ব্রেকফাস্টটা দু’জনে একসঙ্গে করবেন, আর সেই সময়টা কেউই ফোন ঘাঁটবেন না। অথবা সপ্তাহে অন্তত একদিন একসঙ্গে লাঞ্চ বা ডিনার করবেন। ফাঁক বুঝে সামান্য একটু সময় বের করে নেওয়া খুব বড়ো ব্যাপার নয়, আর সেই সময়টুকু একান্তভাবে নিজেদের জন্য রাখুন।

ঘণ্টার হিসেবে নয়, জোর দিন কীভাবে সময় কাটাচ্ছেন তার উপর
পার্টনারের সঙ্গে দিনের কতক্ষণ কাটালেন, সেটা বড়ো কথা নয়। সময়টা আপনারা কীভাবে কাটালেন, কতটা উপভোগ করলেন সেটাই বড়ো কথা! সপ্তাহের একটা দিনের কিছুক্ষণ নিজেদের জন্য বরাদ্দ রাখুন। ওই সময়টা এমনভাবে কাটান যাতে দু’জনেই তৃপ্তি পান। তা হলে সম্পর্কে আর অপরাধবোধ আসবে না।

নিজেকে সময় দিন
পার্টনার কাজে ব্যস্ত বলে নিজের সময়টা বয়ে যেতে দেবেন না! আপনি নিজেও চাকরি করলে তো কথাই নেই, গৃহবধূ হলেও নিজের পছন্দের কিছু কাজ করুন। চাকরিরতারাও অবসরের সময়টুকু পছন্দের কাজ করতে পারেন। বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করুন, নতুন কিছু শিখুন, ফিটনেস ক্লাসে যোগ দিন। মোট কথা এমন কিছু করুন যাতে দিনের শেষে মনে না হয়, সময়টা নষ্ট হল!

নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবেন না
স্বামী যদি প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারেন, মনের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা দেখা দেওয়া খুব স্বাভাবিক। স্বামীর সঙ্গে ব্যাপারটা নিয়ে খোলাখুলি কথা বলুন। যে কোনও সম্পর্ক সফল করে তোলার জন্য খোলামেলা কথা বলা খুব জরুরি। পারস্পরিক স্বচ্ছতা থাকলে নিরাপত্তাহীনতা আপনাদের সম্পর্কে ঢুকতেই পারবে না।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির নেতারা আইন না বুঝেই মন্তব্য করে আইনমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে আপনি কি একমত?