বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৮, ১০:১৮:০৬

পঁচিশ বছরে বিভিন্ন যু্দ্ধে ১২.৫ মিলিয়ন মুসলিমের মৃত্যু

পঁচিশ বছরে বিভিন্ন যু্দ্ধে ১২.৫ মিলিয়ন মুসলিমের মৃত্যু

ইস্তাম্বুল: Turkish Historical Society এর পরিচালক রেফিক তুরান ইস্তাম্বুলের এক সম্মেলনে রিপোর্ট প্রকাশ করেছেন যেখানে তিনি বলছেন যে, গত পঁচিশ বছরে প্রায় ১২.৫ মিলিয়ন মুসলিমের মৃত্যু হয়েছে যা একটি বিশ্ব যুদ্ধের সমান।

তিনি বলেন, যুদ্ধ সাধারণত দুই দেশের মধ্যে হলেও অনেক সময় নিজ দেশের মধ্যেও যুদ্ধ হয়। যুদ্ধের ফলাফল কখোনোই অনুমান করা যায় না। তুরস্ক ও সিরিয়া অসমাপ্ত যুদ্ধে লিপ্ত বলে মনে হচ্ছে। খবর ডেইলি সাবাহ এর

তুরান আরো বলেন, আমেরিকা, রাশিয়া ও ইরান নিজেদের স্বার্থে সিরিয়াতে শান্তি চায় না তা স্পষ্টভাবে প্রমানিত।


মানবিজ থেকে সন্ত্রাসীদের বিতাড়িত করার পর সিরিয়াতে একটি আশার আলো দেখা দিয়েছে, পুরো সিরিয়াকে মুক্ত করা এখন সময়ের দাবী।

গত ২০১১ সাল থেকেই সিরিয়া একটি অমানবিক যুদ্ধে লিপ্ত আসাদ সরকার ক্ষমতার লোভে যে কোনো উপায়ে সরকার টিকিয়ে রেখেছে। জাতিসংহের হিসাব অনুযায়ী কয়েক লক্ষ মানুষ শুধু সিরিয়াতেই নিহত হয়েছে।

এছাড়া বিগত বছর গুলোতে ইরাক, আফগানিস্থান, পাকিস্থান, ইয়ামেন, মিয়ানমার, ফিলিস্তিন, ভারত সহ আফ্রিকার কিছু দেশে অগনিত মুসলিম নিহত হয়েছে। এর মধ্যে কিছু নিহত হয়েছে অন্য দেশের সাথে যুদ্ধে আবার কিছু নিহত হয়েছে গৃহযুদ্ধে।

আরো পড়ুন . . .
সিরিয়ায় গণকবরে ২০০ লাশের সন্ধান

দামেস্ক: সিরিয়ায় জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের সাবেক ঘাঁটি রাকায় একটি গণকবরে ২০০ মানুষের লাশ পাওয়া গেছে। এগুলো জিহাদি ও বেসামরিক মানুষের লাশ।
শনিবার (১০ই মার্চ)  স্থানীয় এক কর্মকর্তা এ কথা জানিয়েছেন। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি।
রাকা সিভিল কাউন্সিল কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আব্দাল্লাহ্ আল-এরিয়ান বলেন, ওই গণকবর থেকে প্রায় ৫০টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সেখানে দুইশর মতো লাশ রয়েছে।
একটি হাসপাতালের কাছে ফুটবল খেলার মাঠে গণকবরটি পাওয়া গেছে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সিরিয়া ও ইরাকের আইএসের দখলে থাকা বেশ কয়েক জায়গায় গণকবর পাওয়া গেছে।
আরো পড়ুন....

ইসলামি দেশগুলোর সেনাদের প্রশিক্ষণ দিতে আগ্রহী পাকিস্তান
পরমানু শক্তিধর দেশ পকিস্তান বিশ্বের সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে ইসলামি দেশগুলোর সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। সৌদি আরবের উদ্যোগে মুসলিম সামরিক জোটভুক্ত দেশগুলোর সেনাদের এই প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।
বাংলাদেশও এই জোটের অন্তর্ভুক্ত।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসব দেশের সামরিক বাহিনীকে আধুনিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত সহায়তা ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করবে দেশটি।
জাতীয় নিরাপত্তা নীতির মতো বিষয়গুলোতেও সহায়তা দেবে পাকিস্তান। সামরিক কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলার পরই এ বিষয়ে পাক প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দেবেন।
ইসলামি সামরিক জোটের ভূমিকা নিয়ে ইতোমধ্যে বিস্তারিত কথা বলেছে পাকিস্তান ও সৌদি আরব। সম্প্রতি জোটকে এগিয়ে নিতে পাকিস্তানকে অনুরোধও করেছে সৌদি প্রশাসন। এখানে পাক প্রশাসনের ভূমিকাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার সূত্র জানিয়েছে, দুই ভ্রাতৃপ্রতীম দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ হয়েছে। কূটনৈতিক পর্যায়ে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমিয়ে আনতেও কাজ করেছে পাকিস্তান। দেশটি এক্ষেত্রে তার ভূমিকা অব্যাহত রেখেছে।
সৌদি আরবের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, যেকোনো সংকটপূর্ণ সময়ে তারা পাকিস্তানের পক্ষে দাঁড়াবে। পবিত্র কাবা শরিফসহ সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় সম্ভাব্য সব সহায়তা দেয়ার কথা জানিয়েছে পাক প্রশাসন।
ইসলামি সামরিক জোটভুক্ত দেশগুলোর নিরাপত্তা দিতে সমন্বিত একটি নীতি প্রণয়নের ব্যাপারেও একমত দুই দেশ। স্থল, নৌ ও আকাশ- সবক্ষেত্রে এই নীতি প্রণয়ন করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে দেশটি।

 

আজকের প্রশ্ন

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন ‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে বিএনপির নেতারা মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি করছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?