শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ০১ নভেম্বর, ২০১৯, ১১:৪৩:৪০

ফোন হ্যাকের চাঞ্চল্যকর তথ্য

ফোন হ্যাকের চাঞ্চল্যকর তথ্য

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক: ফের সামনে আসল এক চাঞ্চল্যকর হ্যাকিংয়ের তথ্য। আর এ তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই বিশ্বজুড়ে প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে একাধিক মার্কিন-জোটভুক্ত দেশের ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের ফোনের সফটওয়্যারের মাধ্যমে হ্যাকিংয়ের চেষ্টা করা হয়েছিলো বলে একটি তথ্য সামনে এসেছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, ওইসব কর্মকর্তাদের ফোন হ্যাকের জন্য হ্যাকাররা হোয়াটসঅ্যাপকে ব্যবহার করেছে।

চুক্তি লঙ্ঘনের বিষয়ে হোয়াটসঅ্যাপের অভ্যন্তরীণ তদন্তের সঙ্গে পরিচিত সূত্রগুলো জানিয়েছে, যাদের হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাক করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে তারা বেশিরভাগই বিশ্বের অন্তত ২০টি দেশের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা। আর যে দেশগুলোকে আক্রমণের লক্ষ্য করা হয়েছিলো তাদের মধ্যে বেশিরভাগই আমেরিকার বন্ধু দেশ।

এদিকে শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের স্মার্টফোনে স্পাইওয়্যার ছড়িয়ে ব্যক্তিগত তথ্য হাতানোর চেষ্টায় রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার ইসরায়েলের হ্যাকিং সরঞ্জাম সরবরাহকারী এনএসও গ্রুপের বিরুদ্ধে হোয়াটসঅ্যাপ একটি মামলা করেছে।

ফেসবুকের মালিকানাধীন সফটওয়্যার জায়ান্ট অভিযোগ করেছে যে, এনএসও গ্রুপ একটি হ্যাকিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে এবং বিক্রি করেছে। যার মাধ্যমেই গত ২০১৯ সালের ২৯ এপ্রিল এবং ১০ মে কমপক্ষে ১৪ শ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর সেলফোন হ্যাক করতে হোয়াটসঅ্যাপের মালিকানাধীন সার্ভারগুলিতে একটি স্পাইওয়্যার ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিলো।

হ্যাক করা হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর মোট সংখ্যা আরো বেশি হতে পারে বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের।

লন্ডনের মানবাধিকার আইনজীবী, যার হোয়াটসঅ্যাপও আক্রমণের লক্ষ্য ছিলো বলে জানা গেছে, তিনি ১ এপ্রিলে কেনা ওই ফোনটি ভেঙে ফেলার চেষ্টা করেছিলেন।

কর্মকর্তাদের ফোন হ্যাক করার জন্য কোন সফটওয়্যারটিকে ব্যবহার করেছে তা এখনও পরিষ্কার নয়, এনএসও বলেছে যে তারা নিজেদের স্পাইওয়্যারটি একচেটিয়া সরকারি গ্রাহকদের কাছেই বিক্রি করে। যাদের ফোন হ্যাক করা হয়েছিল তারা বেশিরভাগই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, বাহরিন, মেক্সিকো, পাকিস্তান এবং ভারতের নাগরিক।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?