শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ,২০২০

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ০৩ নভেম্বর, ২০১৯, ০৯:৩৬:৫৩

নারায়ণগঞ্জ থেকে এসপি হারুনকে প্রত্যাহার

নারায়ণগঞ্জ থেকে এসপি হারুনকে প্রত্যাহার

আলোচিত-সমালোচিত নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) হারুন অর রশিদকে প্রত্যাহার করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তাকে মন্ত্রণালয়ের পুলিশ অধিদফতরের টিআর পদে সংযুক্তি করা হয়েছে।

রবিবার (৩ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে তাকে প্রত্যাহার করা হয়। মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ অধিশাখার উপসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে পুলিশ অধিদফতরের পুলিশ সুপার (টিআর) শাখায় বদলি করা হলো। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

এর আগে গত ১ নভেম্বর দিবাগত রাত ১টার দিকে পারটেক্স গ্রুপের কর্ণধার আবুল হাসেমের ছেলে আম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান শওকত আজিজ রাসেলের গুলশানের বাসভবন থেকে তার স্ত্রী ফারহা রাসেল এবং পুত্র আহনাফ রাসেলকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে এসপি হারুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন আম্বার চেয়ারম্যান রাসেল।

আম্বার চেয়ারম্যান অভিযোগ করেছিলেন, আম্বার ডেনিম থেকে ৮ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন হারুন অর রশীদ। এই চাঁদার টাকা না পেয়ে গত বুধবার তার ব্যক্তিগত গাড়ি জব্দ করা হয়। পরে ১ নভেম্বর গভীর রাতে তার গুলশানের বাড়িতে ৫০-৬০ জন ডিবি পুলিশ, থানা পুলিশ ও সাদা পোশাকের পুলিশ সদস্যদের নিয়ে হানা দেন এসপি হারুন।



২০তম বিসিএসের এই ক্যাডার সবচেয়ে আলোচনায় আসেন ২০১১ সালে বিরোধী দলের চিফ হুইপ জয়নুল আবেদীন ফারুককে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং প্রকাশ্যে লাঠিপেটা করে। ব্যাপক সমালোচনা হলেও এমপি পেটানো তৎকালীন এএসপি হারুনকে পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি দেয়া হয়।

এরপরও আলোচনায় আসেন বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের ব্যাপারে কঠোর এই প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা। ইসির নির্দেশনা উপেক্ষা করে পক্ষপাতমূলক আচরণের কারণে ২০১৬ সালে গাজীপুর সিটি নির্বাচনেও আলোচনায় আসেন। সেই সময় বিএনপি ও অন্যান্য দলের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে প্রত্যাহার করা হয়। 
 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির নেতারা আইন না বুঝেই মন্তব্য করে আইনমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে আপনি কি একমত?