বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ,২০১৭

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ০৬ জুলাই, ২০১৭, ০৮:২০:৩১

চট্টগ্রাম বিভাগে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী যারা

চট্টগ্রাম বিভাগে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী যারা

আগামী জাতীয় নির্বাচন বিএনপির চাহিদামতো সহায়ক সরকারের অধীনে হবে কি না তা নিয়ে আলোচনা চলছে। বিএনপি তার দাবিতে অনড়। অন্যদিকে ক্ষমতাসীনরা বলছে, সংবিধান অনুযায়ী শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচন হবে। এ অবস্থার মধ্যেই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ভোটের মাঠে নেমে পড়েছে। আর বিএনপির পক্ষ থেকেও নির্বাচনে অংশ নেয়ার প্রস্তুতি চলছে।

নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে আসনভিত্তিক সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকাও করছে বিএনপি। প্রাথমিকভাবে ৩০০ আসনের জন্য ৯ শতাধিক প্রার্থীর তালিকা করেছে দলটি। এই তালিকায় চলবে আরো সংযোজন বিয়োজন।

বিএনপির একাধিক সিনিয়র নেতা জানান, সরকার দলের হেভিওয়েট প্রার্থীদের মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে নির্বাচনের অযোগ্য করার ষড়যন্ত্র করছে। তাই প্রতি আসনে কমপক্ষে তিন জন করে প্রার্থী রাখা হচ্ছে।

এরইমধ্যে আমরা ঢাকা বিভাগে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা পাঠকদের জানিয়েছি। আজ থাকছে চট্টগ্রাম বিভাগের ১২টি জেলার ৫৮টি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা:

চট্টগাম-১ (মীরসরাই): বিএনপির সম্ভাব্য ৩ জন প্রার্থীর মধ্যে আছেন- দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য কামাল উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক এমপি এমএ জিন্না ও থানা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাইদ চৌধুরী। এছাড়া বিএনপি চেয়ারপাসন খালেদা জিয়ার প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি): দলের স্থায়ী কমিটির প্রয়াত সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী বা ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী, কাদের গনি চৌধুরী, পেশাজীবী নেতা ড. খুশরিদ জামিল চৌধুরী।

চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ): নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি মোস্তফা কামাল পাশা, স্থানীয় নেতা মোস্তফা বাবুল ও সাবেক যুবদল নেতা সাখাওয়াত হোসেন শওকত।

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও সিটির ৯ ও ১০ ওয়ার্ড): দলের যুগ্ম-মহাসচিব আসলাম চৌধুরী। তবে বিকল্প প্রার্থী হিসাবে রাখা হয়েছে সাবেক মন্ত্রী এলকে সিদ্দিকীর পরিবারকে।

চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও সিটির ১ ও ২ ওয়ার্ড): দলের ভাইস চেয়ারম্যান মীর নাসির, চেয়ারপরসনের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হক, সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম ও জেলা বিএনপির সদস্য ব্যারিস্টর শাকিলা ফারজানা।

চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান): ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস কাদের চৌধুরী ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার।

চট্টগ্রাম-৭ (রাংগুনিয়া ও বোয়ালখালী উপজেলার কিছু অংশ): বিএনপির সাবেক স্থায়ী কমিটির সদস্য প্রয়াত সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পরিবারের একজন-স্ত্রী অথবা ছেলে।

চট্টগ্রাম-৮ (শ্রীপুর-খারণদ্বীপ ইউনিয়ান ব্যতীত বোয়ালখালী থানা ও সিটির ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ড): দলের ভাইস চেয়ারম্যান মোর্শেদ খান শক্ত প্রার্থী ও নগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান।

চট্টগ্রাম-৯ (সিটির ১৫, ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৩, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৪ ও ৩৫ নং ওয়ার্ড): নির্বাহী কমিটির সদস্য শামসুল আলম, মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহদাত হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন।

চট্টগ্রাম-১০ (সিটির ৮, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ২৪, ২৫ ও ২৬ নং ওয়ার্ড): এখানে বিএনপি একক প্রার্থী হলেন- দলের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান।

চট্টগ্রাম-১১ (সিটির ২৭, ২৮, ২৯, ৩০, ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪১ নং ওয়ার্ড): দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহামুদ চৌধুরী ও সাবেক এমপি রজি কবির।

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া ও আনোয়ারা উপজেলার কিছু অংশ): দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী শাহজান জুয়েল, সহ-সভাপতি এনামুল হক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইরদিস মিয়া।

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা ও পটিয়া উপজেলার বাকি অংশ): নির্বাহী কমিটির সদস্য সারওয়ার জামাল নিযাম বহিষ্কার হওয়ায় জেলার সদস্য অ্যাড. কবির চৌধুরীর সম্ভাবনা বেশি।

চট্টগ্রাম-১৪ (চান্দনাইশ ও সাতকানিয়া উপজেলার কিছু অংশ): এই আসন জোটের শরীকদের জন্য রাখা। আগে কর্নেল অলি আহমেদ এ আসন থেকে নির্বাচন করছেন। জোটের কাউকে না দিলে এ আসনে লড়বেন ড. হোসেন মহাসিন জিল্লুর রহমান।

চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া ও সাতকানিয়া উপজেলার কিছু অংশ): এই আসনটি আগে জামায়াতের ছিল। এবার বিএনপি থেকে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শেখ মহিউদ্দিন, ব্যবসায়ী আ. গফুর চৌধুরী ও থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান। জোটগত হলে জামায়াতের প্রার্থী হবে।

চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী): সাবেক মন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর): একমাত্র প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি বিশিষ্ট শিল্পপতি সৈয়দ এ.কে. একরামুজ্জামান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ): বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক প্রতিমন্ত্রী উকিল আবদুস সাত্তার ভূইয়া, সরাইল উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুর রহমান, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. শামীম, আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু আসিফ আহমেদ, আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির মিয়া।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর): ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট হারুন-আল-রশিদ, অর্থনীতি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, জেলা বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সংসদের সাবেক ভিপি জহিরুল হক খোকন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া): বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি আলহাজ্ব মুশফিকুর রহমান, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নাছির উদ্দিন হাজারী ও বিএনপির সহ-তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শাকিল ওয়াহেদ সুমন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর): বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা তকদীর হোসেন মো. জসিম, সাবেক এমপি প্রয়াত কাজী মোহাম্মদ আনায়োর হোসেনের ছেলে নাজমুল হোসেন তাপস, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আবদুল মান্নান, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আনিছুর রহমান মনজু ও বিশিষ্ট আয়কর আইনজীবী গোলাম সারোয়ার। সাবেক ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ল জাসাস সভাপতি ও নির্বাহী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন শিশির।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্চারামপুর): বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি এম.এ. খালেক এবং নির্বাহী কমিটির সদস্য রফিক সিকদার।

কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি ও মেঘনা): দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তবে এখানে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের পরিবর্তে তার ছেলে নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেন প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ওবায়দুল হক ভূঁইয়া

কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস): বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য এমকে আনোয়ার। এছাড়া হোমনা উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আজিজুল হক ও তিতাস উপজেলা চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন সরকারের নামও শোনা যাচ্ছে।

কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর): ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেইন কায়কোবাদ তালিকায় আছেন। মামলার কারণে তিনি নির্বাচন করতে না পারলে তার (কায়কোবাদ) মামা ইঞ্জি. সৈয়দ শফিকুল ইসলাম অথবা তার ভাই ভাই কাজী মুজিবুর রহমান প্রার্থী হতে পারেন। ছাত্রদলের ৯০ দশকের ছাত্র একরামুল হক বিপ্লব, শিল্পপতি যুবদলের গোলাম কিবরিয়া।

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার): সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী, তার স্ত্রী সাজেদা আহসান মুন্সী ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল আউয়াল খান।

কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া): বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাংবাদিক শওকত মাহমুদ, আরো নমিনেশন চাইবেন কৃষক দলের নেতা এএসএম আলাউদ্দিন ভূঁইয়া ও বিএনপি নেতা জসিম উদ্দীন।

কুমিল্লা-৬ (সদর): বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি আলহাজ্ব মো. মনিরুল হক চৌধুরীর সম্ভবনা বেশি। সাক্কু ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি নেতা হাজী আমিন উর-রশিদ ইয়াছিনের নাম সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছে। এছাড়া আছেন হোটেল ময়নামতির মালিক ফজলুল হক ফজলু।

কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা): বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় আছেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সভাপতি খোরশেদ আলম। এর পাশাপাশি ২০ দলীয় জোটের শরীক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী ড. রেদোয়ান আহমেদ।

কুমিল্লা-৮ (বরুড়া ও সদর দক্ষিণের একাংশ): সাবেক এমপি ও দলের কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক জাকারিয়া তাহের সুমন, যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু, দলের বিশেষ সম্পাদক আবু নাসের মো. ইয়াহিয়া (শারমিন)।

কুমিল্লা-৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ): সাবেক এমপি কর্নেল (অব.) আনোয়ারুল আজিম পদত্যাগ করেছেন, সাবেক এমপি এটিএম আলমগীর, লাকসাম উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শিল্পপতি আবুল কালাম (চৈতী কালাম) ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নজির আহমেদ বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় আছেন।

কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট উপজেলা, সদর দক্ষিণের একাংশ ও নবগঠিত লালমাই উপজেলা): সম্ভাব্য প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি আলহাজ্ব মো. মনিরুল হক চৌধুরী, সাবেক এমপি আবদুল গফুর ভূঁইয়া ও স্থানীয় নেতা মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া।

কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম): জামাতের আসন। আব্দুল্লাহ মো আবু তাহের, ড. নয়ন বাঙ্গালী, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি কাজী নাছিমুল হক, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির একাংশের আহবায়ক মো. কামরুল হুদা, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির অপর একাংশের আহবায়ক জিএম আবু তাহের পলাশী।

নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী): বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সালাউদ্দিন কামরান।

নোয়াখালী-২ (সেনবাগ): আসন থেকে চেয়াপারসনের উপদেষ্টা বিরোধী দলীয় সাবেক চিপ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি কাজী মফিজুর রহমান।

নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ): বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক সংসদ সদস্য বরকত উল্যা বুলু, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মেজর (অব.) রেজাউল হক, জেলা বিএনপির সদস্য শামীমা বরকতুল্লাহ। সৌদি বাংলা চেম্বার অব কমার্সের চেয়ারম্যান সভাপতি নির্বাহী কমিটির মেম্বার আলহাজ্জ আব্দুর রহমান।

নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর): বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি মো. শাহজাহান, মাহবুব আনোয়ার আলো।

নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট): বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ একক প্রার্থী।

নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া): সাবেক সংসদ সদস্য ফজলুল আজিম ও আলাউদ্দিন।

চাঁদপুর-১ (কচুয়া): সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আ ন ম এহছানুল হক মিলন, মালয়েশিয়া বিএনপির সভাপতি মোশারফ হোসেন ও ইঞ্জিনিয়ার মানিক।

চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ): নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. জালাল উদ্দিন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী, মোস্তফা খান সফরী।

চাঁদপুর-৩ (চাঁদপুর সদর ও হাইমচর): সাবেক এমপি জি এম ফজলুল হক, সাবেক এমপি প্রফেসর আব্দুল্লাহ (এলডিপি), জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, স্বেচ্ছাসেবকদলের সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান শাহীন, নির্বাহী কমিটির সদস্য শফিকুর রহমান ভূঁইয়া, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপি বরÍমান যুগ্ম আহ্বায়ক সেলিমুস সালাম।

সাবেক এমপি ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এস এ সুলতান টিটুকে যদি বিএনপিতে পদ দেয়া হয়, তাহলে তার পাওয়ার সম্ভবনা বেশি।

চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ): সাবেক এমপি, বিএনপির অর্থ ও ব্যাংকিং বিষয়ক সম্পাদক লায়ন হারুনুর রশিদ, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সভাপতি এম এ হান্নান ও নির্বাহী কমিটির সদস্য মোতাহার হোসেন পাটওয়ারী।

চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি): সাবেক এমপি এমএ মতিন, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক, শাহরাস্তি থানা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু।

ফেনী-১ (ছাগলনাইয়া, পরশুরাম ও ফুলগাজী): বিএনপির একক প্রার্থী চেয়ারপারসনে বেগম খালেদা জিয়া।

ফেনী-২ (ফেনী সদর): বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি অধ্যাপক জয়নাল আবদীন ভি.পি, জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট আবু তাহের ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন মিস্টার।

ফেনী-৩ (দাগনভূঞা সোনাগাজী): দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট শিল্পপতি আবদুল আউয়াল মিন্টু ও বিএনপির আশির দশকের ছাত্রনেতা কেন্দ্রীয় নেতা ও শিল্পপতি আব্দুল লতিফ জনি।

কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া): বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহম্মদ ও সাবেক এমপি হাসিনা আহম্মদ।

কক্সবাজার-২ (মহেশখালী -কুতুবদিয়া): জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি এ টি এম নূরুল বশর চৌধুরী ও সাবেক এমপি আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।

কক্সবাজার-৩ (কক্সবাজার সদর-রামু): বিএনপির মৎসজীবী বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি লুৎফর রহমান কাজল।

কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ): জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজান চৌধুরী।

খাগড়াছড়ি আসনে এবার বিএনপি সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় আছেন সাবেক এমপি ও জেলার সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভুইয়া ও নির্বাহী কমিটির সদস্য সমিরণ দেওয়ান।

রাঙামাটিতে আছেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক দিপেন দেওয়ান।

বান্দরবন আসনে দলের প্রার্থীর তালিকায় রয়েছেন জেলা বিএনপির সভাপতি মাম্যা-চিং ও স্থানীয় নেতা সাচিং-ক্রউ-জেঈ।

লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ): জোটগতভাবে নির্বাচন হলে এলডিপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম এ আসন পাবেন। বিএনপি নেতাদের মধ্যে আছেন- নাজিমউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা সিটির সাবেক কমিশনার ও দক্ষিণ সিটি বিএনপির সহ-সভাপতি হারুনু রশিদ হারুন ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াছিন আলি, বিএনপি নেতা ইমাম হোসেন।

লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর): সাবেক এমপি ও জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল খায়ের ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক শাহবুদ্দিন সাবু, বিএনপি চেয়ারপারসনের নিরাপত্তা সাবেক সমন্বয়ক কর্নেল (অব.) আবদুল মজিদ ও ঢাকা দক্ষিণ নগর বিএনপির সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন টিপু।

লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর): বিএনপির প্রচার সম্পাদক সাবেক এমপি শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সাধারণ সম্পাদক শাহবুদ্দিন সাবু, সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাইনউদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ।

লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর): সাবেক এমপি আশরাফউদ্দিন নিজান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু ও বিএনপি নেতা সৈয়দ শামসুল আলম।

চট্টগ্রাম বিভাগে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী যারা চট্টগ্রাম বিভাগে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী যারা আগামী জাতীয় নির্বাচন বিএনপির চাহিদামতো সহায়ক সরকারের অধীনে হবে কি না তা নিয়ে আলোচনা চলছে। বিএনপি তার

দাবিতে অনড়। অন্যদিকে ক্ষমতাসীনরা বলছে, সংবিধান অনুযায়ী শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচন হবে। এ অবস্থার মধ্যেই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ভোটের মাঠে নেমে পড়েছে। আর বিএনপির পক্ষ থেকেও নির্বাচনে অংশ

নেয়ার প্রস্তুতি চলছে। নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে আসনভিত্তিক সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকাও করছে বিএনপি। প্রাথমিকভাবে ৩০০ আসনের জন্য ৯ শতাধিক প্রার্থীর তালিকা করেছে দলটি। এই তালিকায় চলবে আরো সংযোজন

বিয়োজন। বিএনপির একাধিক সিনিয়র নেতা জানান, সরকার দলের হেভিওয়েট প্রার্থীদের মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে নির্বাচনের অযোগ্য করার ষড়যন্ত্র করছে। তাই প্রতি আসনে কমপক্ষে তিন জন করে প্রার্থী রাখা হচ্ছে।

এরইমধ্যে আমরা ঢাকা বিভাগে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা পাঠকদের জানিয়েছি। আজ থাকছে চট্টগ্রাম বিভাগের ১২টি জেলার ৫৮টি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা: চট্টগাম-১ (মীরসরাই): বিএনপির সম্ভাব্য ৩ জন

প্রার্থীর মধ্যে আছেন- দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য কামাল উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক এমপি এমএ জিন্না ও থানা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাইদ চৌধুরী। এছাড়া বিএনপি চেয়ারপাসন খালেদা জিয়ার প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা

রয়েছে। চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি): দলের স্থায়ী কমিটির প্রয়াত সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী বা ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী, কাদের গনি চৌধুরী, পেশাজীবী নেতা ড. খুশরিদ জামিল চৌধুরী।

চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ): নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি মোস্তফা কামাল পাশা, স্থানীয় নেতা মোস্তফা বাবুল ও সাবেক যুবদল নেতা সাখাওয়াত হোসেন শওকত। চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও সিটির ৯ ও ১০ ওয়ার্ড): দলের যুগ্ম-

মহাসচিব আসলাম চৌধুরী। তবে বিকল্প প্রার্থী হিসাবে রাখা হয়েছে সাবেক মন্ত্রী এলকে সিদ্দিকীর পরিবারকে। চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও সিটির ১ ও ২ ওয়ার্ড): দলের ভাইস চেয়ারম্যান মীর নাসির, চেয়ারপরসনের উপদেষ্টা এস

এম ফজলুল হক, সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম ও জেলা বিএনপির সদস্য ব্যারিস্টর শাকিলা ফারজানা। চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান): ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস কাদের চৌধুরী ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার।

চট্টগ্রাম-৭ (রাংগুনিয়া ও বোয়ালখালী উপজেলার কিছু অংশ): বিএনপির সাবেক স্থায়ী কমিটির সদস্য প্রয়াত সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পরিবারের একজন-স্ত্রী অথবা ছেলে। চট্টগ্রাম-৮ (শ্রীপুর-খারণদ্বীপ ইউনিয়ান ব্যতীত

বোয়ালখালী থানা ও সিটির ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ড): দলের ভাইস চেয়ারম্যান মোর্শেদ খান শক্ত প্রার্থী ও নগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান। চট্টগ্রাম-৯ (সিটির ১৫, ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৩,

৩১, ৩২, ৩৩, ৩৪ ও ৩৫ নং ওয়ার্ড): নির্বাহী কমিটির সদস্য শামসুল আলম, মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহদাত হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন। চট্টগ্রাম-১০ (সিটির ৮, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ২৪, ২৫ ও ২৬

নং ওয়ার্ড): এখানে বিএনপি একক প্রার্থী হলেন- দলের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান। চট্টগ্রাম-১১ (সিটির ২৭, ২৮, ২৯, ৩০, ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪১ নং ওয়ার্ড): দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু

মাহামুদ চৌধুরী ও সাবেক এমপি রজি কবির। চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া ও আনোয়ারা উপজেলার কিছু অংশ): দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী শাহজান জুয়েল, সহ-সভাপতি এনামুল হক ও সাবেক উপজেলা

চেয়ারম্যান ইরদিস মিয়া। চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা ও পটিয়া উপজেলার বাকি অংশ): নির্বাহী কমিটির সদস্য সারওয়ার জামাল নিযাম বহিষ্কার হওয়ায় জেলার সদস্য অ্যাড. কবির চৌধুরীর সম্ভাবনা বেশি। চট্টগ্রাম-১৪

(চান্দনাইশ ও সাতকানিয়া উপজেলার কিছু অংশ): এই আসন জোটের শরীকদের জন্য রাখা। আগে কর্নেল অলি আহমেদ এ আসন থেকে নির্বাচন করছেন। জোটের কাউকে না দিলে এ আসনে লড়বেন ড. হোসেন মহাসিন জিল্লুর

রহমান। চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া ও সাতকানিয়া উপজেলার কিছু অংশ): এই আসনটি আগে জামায়াতের ছিল। এবার বিএনপি থেকে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শেখ মহিউদ্দিন, ব্যবসায়ী আ. গফুর চৌধুরী ও থানা

বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান। জোটগত হলে জামায়াতের প্রার্থী হবে। চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী): সাবেক মন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর): একমাত্র প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপারসনের

উপদেষ্টা ও নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি বিশিষ্ট শিল্পপতি সৈয়দ এ.কে. একরামুজ্জামান। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ): বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক প্রতিমন্ত্রী উকিল আবদুস সাত্তার ভূইয়া,

সরাইল উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুর রহমান, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. শামীম, আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু আসিফ আহমেদ, আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক

মো. নাসির মিয়া। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর): ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট হারুন-আল-রশিদ, অর্থনীতি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, জেলা বিএনপির

সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সংসদের সাবেক ভিপি জহিরুল হক খোকন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া): বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি আলহাজ্ব

মুশফিকুর রহমান, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নাছির উদ্দিন হাজারী ও বিএনপির সহ-তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শাকিল ওয়াহেদ সুমন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর): বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা তকদীর হোসেন মো.

জসিম, সাবেক এমপি প্রয়াত কাজী মোহাম্মদ আনায়োর হোসেনের ছেলে নাজমুল হোসেন তাপস, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আবদুল মান্নান, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আনিছুর রহমান মনজু ও

বিশিষ্ট আয়কর আইনজীবী গোলাম সারোয়ার। সাবেক ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ল জাসাস সভাপতি ও নির্বাহী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন শিশির। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্চারামপুর): বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি

এম.এ. খালেক এবং নির্বাহী কমিটির সদস্য রফিক সিকদার। কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি ও মেঘনা): দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তবে এখানে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের পরিবর্তে তার ছেলে

নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেন প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ওবায়দুল হক ভূঁইয়া কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস): বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য

এমকে আনোয়ার। এছাড়া হোমনা উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আজিজুল হক ও তিতাস উপজেলা চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন সরকারের নামও শোনা যাচ্ছে। কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর): ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল

হোসেইন কায়কোবাদ তালিকায় আছেন। মামলার কারণে তিনি নির্বাচন করতে না পারলে তার (কায়কোবাদ) মামা ইঞ্জি. সৈয়দ শফিকুল ইসলাম অথবা তার ভাই ভাই কাজী মুজিবুর রহমান প্রার্থী হতে পারেন। ছাত্রদলের ৯০

দশকের ছাত্র একরামুল হক বিপ্লব, শিল্পপতি যুবদলের গোলাম কিবরিয়া। কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার): সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী, তার স্ত্রী সাজেদা আহসান মুন্সী ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল আউয়াল

খান। কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া): বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাংবাদিক শওকত মাহমুদ, আরো নমিনেশন চাইবেন কৃষক দলের নেতা এএসএম আলাউদ্দিন ভূঁইয়া ও বিএনপি নেতা জসিম উদ্দীন। কুমিল্লা-৬ (সদর):

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি আলহাজ্ব মো. মনিরুল হক চৌধুরীর সম্ভবনা বেশি। সাক্কু ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি নেতা হাজী আমিন উর-রশিদ ইয়াছিনের নাম সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছে। এছাড়া আছেন

হোটেল ময়নামতির মালিক ফজলুল হক ফজলু। কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা): বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় আছেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সভাপতি খোরশেদ আলম। এর পাশাপাশি ২০ দলীয় জোটের শরীক লিবারেল

ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী ড. রেদোয়ান আহমেদ। কুমিল্লা-৮ (বরুড়া ও সদর দক্ষিণের একাংশ): সাবেক এমপি ও দলের কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক জাকারিয়া তাহের সুমন, যুবদলের

সিনিয়র সহ-সভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু, দলের বিশেষ সম্পাদক আবু নাসের মো. ইয়াহিয়া (শারমিন)। কুমিল্লা-৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ): সাবেক এমপি কর্নেল (অব.) আনোয়ারুল আজিম পদত্যাগ করেছেন, সাবেক

এমপি এটিএম আলমগীর, লাকসাম উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শিল্পপতি আবুল কালাম (চৈতী কালাম) ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নজির আহমেদ বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় আছেন। কুমিল্লা-১০

(নাঙ্গলকোট উপজেলা, সদর দক্ষিণের একাংশ ও নবগঠিত লালমাই উপজেলা): সম্ভাব্য প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি আলহাজ্ব মো. মনিরুল হক চৌধুরী, সাবেক এমপি আবদুল গফুর ভূঁইয়া ও স্থানীয়

নেতা মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া। কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম): জামাতের আসন। আব্দুল্লাহ মো আবু তাহের, ড. নয়ন বাঙ্গালী, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি কাজী নাছিমুল হক, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির একাংশের

আহবায়ক মো. কামরুল হুদা, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির অপর একাংশের আহবায়ক জিএম আবু তাহের পলাশী। নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী): বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন

খোকন ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সালাউদ্দিন কামরান। নোয়াখালী-২ (সেনবাগ): আসন থেকে চেয়াপারসনের উপদেষ্টা বিরোধী দলীয় সাবেক চিপ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান

বিশিষ্ট শিল্পপতি কাজী মফিজুর রহমান। নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ): বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক সংসদ সদস্য বরকত উল্যা বুলু, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মেজর (অব.) রেজাউল হক,

জেলা বিএনপির সদস্য শামীমা বরকতুল্লাহ। সৌদি বাংলা চেম্বার অব কমার্সের চেয়ারম্যান সভাপতি নির্বাহী কমিটির মেম্বার আলহাজ্জ আব্দুর রহমান। নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর): বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক

এমপি মো. শাহজাহান, মাহবুব আনোয়ার আলো। নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট): বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ একক প্রার্থী। নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া): সাবেক সংসদ সদস্য ফজলুল আজিম ও

আলাউদ্দিন। চাঁদপুর-১ (কচুয়া): সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আ ন ম এহছানুল হক মিলন, মালয়েশিয়া বিএনপির সভাপতি মোশারফ হোসেন ও ইঞ্জিনিয়ার মানিক। চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও

মতলব দক্ষিণ): নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. জালাল উদ্দিন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী, মোস্তফা খান সফরী। চাঁদপুর-৩ (চাঁদপুর সদর ও হাইমচর): সাবেক এমপি জি এম ফজলুল হক, সাবেক

এমপি প্রফেসর আব্দুল্লাহ (এলডিপি), জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, স্বেচ্ছাসেবকদলের সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান শাহীন, নির্বাহী কমিটির সদস্য শফিকুর রহমান ভূঁইয়া, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি

ও জেলা বিএনপি বরÍমান যুগ্ম আহ্বায়ক সেলিমুস সালাম। সাবেক এমপি ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এস এ সুলতান টিটুকে যদি বিএনপিতে পদ দেয়া হয়, তাহলে তার পাওয়ার সম্ভবনা বেশি। চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ):

সাবেক এমপি, বিএনপির অর্থ ও ব্যাংকিং বিষয়ক সম্পাদক লায়ন হারুনুর রশিদ, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সভাপতি এম এ হান্নান ও নির্বাহী কমিটির সদস্য মোতাহার হোসেন পাটওয়ারী। চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি): সাবেক

এমপি এমএ মতিন, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক, শাহরাস্তি থানা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু। ফেনী-১ (ছাগলনাইয়া, পরশুরাম ও ফুলগাজী): বিএনপির একক প্রার্থী

চেয়ারপারসনে বেগম খালেদা জিয়া। ফেনী-২ (ফেনী সদর): বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি অধ্যাপক জয়নাল আবদীন ভি.পি, জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট আবু তাহের ও জেলা বিএনপির

সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন মিস্টার। ফেনী-৩ (দাগনভূঞা সোনাগাজী): দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট শিল্পপতি আবদুল আউয়াল মিন্টু ও বিএনপির আশির দশকের ছাত্রনেতা কেন্দ্রীয় নেতা ও শিল্পপতি আব্দুল লতিফ

জনি। কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া): বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহম্মদ ও সাবেক এমপি হাসিনা আহম্মদ। কক্সবাজার-২ (মহেশখালী -কুতুবদিয়া): জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি এ টি এম নূরুল বশর

চৌধুরী ও সাবেক এমপি আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ। কক্সবাজার-৩ (কক্সবাজার সদর-রামু): বিএনপির মৎসজীবী বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি লুৎফর রহমান কাজল। কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ):

জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজান চৌধুরী। খাগড়াছড়ি আসনে এবার বিএনপি সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় আছেন সাবেক এমপি ও জেলার সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভুইয়া ও নির্বাহী কমিটির সদস্য সমিরণ দেওয়ান। রাঙামাটিতে

আছেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক দিপেন দেওয়ান। বান্দরবন আসনে দলের প্রার্থীর তালিকায় রয়েছেন জেলা বিএনপির সভাপতি মাম্যা-চিং ও স্থানীয় নেতা সাচিং-ক্রউ-জেঈ। লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ):

জোটগতভাবে নির্বাচন হলে এলডিপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম এ আসন পাবেন। বিএনপি নেতাদের মধ্যে আছেন- নাজিমউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা সিটির সাবেক কমিশনার ও দক্ষিণ সিটি বিএনপির সহ-

সভাপতি হারুনু রশিদ হারুন ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াছিন আলি, বিএনপি নেতা ইমাম হোসেন। লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর): সাবেক এমপি ও জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল খায়ের ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক

শাহবুদ্দিন সাবু, বিএনপি চেয়ারপারসনের নিরাপত্তা সাবেক সমন্বয়ক কর্নেল (অব.) আবদুল মজিদ ও ঢাকা দক্ষিণ নগর বিএনপির সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন টিপু। লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর): বিএনপির প্রচার সম্পাদক সাবেক

এমপি শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সাধারণ সম্পাদক শাহবুদ্দিন সাবু, সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাইনউদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ। লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর): সাবেক এমপি আশরাফউদ্দিন নিজান, স্বেচ্ছাসেবক দলের

সভাপতি শফিউল বারী বাবু ও বিএনপি নেতা সৈয়দ শামসুল আলম।

আজকের প্রশ্ন

কিছু সহিংসতা ও অনিয়ম হলেও সামগ্রিকভাবে ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে—সিইসির এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি একমত?