শনিবার, ২০ অক্টোবর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ১২:৫০:৪৪

‘হইচই’ রিমেক ঘটনায় মুখ খুলেন পরিচালক

‘হইচই’ রিমেক ঘটনায় মুখ খুলেন পরিচালক

বিনোদন ডেস্ক : দেব সেদিন দুপুরে ফোন করে জিজ্ঞেস করলেন ‘অনিকেতদা ছবিটা কপি নয় তো’ ফোন কেটে দিয়েছিলাম রাগে। মানে অন্যদের কথা পরে, নিজের প্রযোজকেরই আস্থা নেই। পরিষ্কার জানিয়েছিলাম ‘আগে দুঃখ প্রকাশ করবেন, তারপর আমি লিখব আমার কথা।’ তো উনি দুঃখপ্রকাশ করেছেন। আমি লিখলাম আমার কথা। অবশেষে ‘হইচই’ রিমেক ঘটনায় মুখ খুলেন ছবির পরিচালক অনিকেত চট্টোপাধ্যায়।

সম্প্রতি গোটা বিষয়টা খোলসা করে, তিনি ফেসবুকে একটি খোলা চিঠি লেখেন। যেখানে তিনি জানান, “হইচই আনলিমিটেড’ আমার লেখা মৌলিক গল্প। এখনো দেশি বা বিদেশী ছবি থেকে আংশিক বা পুরো টুকে ছবি করার ইচ্ছে হয়নি, হলে জানিয়ে করবো। কেউ কেউ আছেন জানিয়ে করেন, তাদের সেলাম। অনেকেই আছেন না জানিয়েই এই কম্মটি করেন, আশা করবো আমার বন্ধু ইন্দ্রনীল সে সব অনুপ্রাণিত ছবি নিয়ে দু’ চার টে টুইট করবেন। (*প্রমাণসহ, তা না হলে আবার দেওয়ালে মা কালী লটকাতে হবে)

দেবের পুজো ইনস্টলমেন্টে ‘হইচই অ্যানলিমিটেড’। যা রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এমনকি টলিউডে এন্ট্রি নিয়ে ফেলেছে পুলিশও। সৌজন্যে চলচিত্র সাংবাদিক ইন্দ্রনীল রায়। ও তার দাবি। ‘হইচই’ টিজার মুক্তি পর তিনি টুইট করেন। দেবের ‘হইচই অ্যানলিমিটেড পাকিস্তানি ছবি ‘জাওয়ানি ফের নেহি আনি’-এর রিমেক। এই দাবি নিয়ে, তিনি তার বেশ কিছু টুইট পাকিস্তানি প্রযোজক সংস্থান এআরওয়াই-কে ট্যাগ করেন। সঙ্গে দেবের বিরুদ্ধে কিছু ব্যাঙ্গাত্মক কথাও লেখেন। আর ‘হইচই’ ছবির উইকিপিডিয়ার স্ক্রিনশট। যেখানে লেখা হইচই অ্যানলিমিটেড পাকিস্তানি ছবি ‘জাওয়ানি ফের নেহি আনি’-এর রিমেক।

এরপরই রা রা করে ওঠেন দেব ফ্যানেরা। টুইটারে শুরু যুদ্ধ। ‘হইচই অ্যানলিমিটেড’-এর উইকিপিডিয়া এডিটিং নিয়ে দেব অনুরাগীরা আঙুল তোলেন ইন্দ্রনীলের ওপর। তাদের কথায় এই কাজ ইন্দ্রনীলই করেছেন। এমনকি দেবের এক ফ্যান সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে ইন্দ্রনীলকে ‘চোর’ বদনামও দিয়ছেন। এমন পরিস্থিতিতে সাইবার ক্রাইম পুলিশের দ্বারস্থ হন টলিউডের সুপারস্টার দেব।

অভিযোগ উইকিপিডিয়ায় তার আগামী ছবি ‘হইচই অ্যানলিমিটেড’-এর তথ্য সমগ্র কেউ এডিট করেছে। যেখানে লেখা হয়েছে, ‘হইচই অ্যানলিমিটেড’ পাকিস্তানি সিনেমা ‘জাওয়ানি ফের নেহি আনি’-এর রিমেক। কিন্তু অভিনেতার দাবি, এমনটা মোটেও নয়। তাই কে লিখল এমন কথা? সেই রহস্য সন্ধানে সাইবার পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন দেব।

তারপরই সাইবার পুলিশ তলব করেন সাংবাদিক ইন্দ্রনীলকে। কিন্তু তিনি জানান এই কাজ তার নয়। নিজ পক্ষের সমর্থনে তিনি বলেন, “উইকিপিডিয়ায় এডিটিংয়ের জন্য সেখানে অ্যাকাউন্ট থাকতে হয়। যা তার নেই। তাছাড়া যে কাম্পিউটার থেকে এডিটিং করা হয়েছে, তার আইপি অ্যাডড্রেস বিজয়ওয়াড়ার কোনো সার্ভারের। সুতরাং তার এটা করার কোনো প্রশ্নই নেই।”

তবে ইন্দ্রনীলের ট্যুইট থেকে তার পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। দু’ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছে নেটদুনিয়া। অনেকে মনে করছেন পুলিশে এফআরআর দায়ের করাটা দেবের বাড়াবাড়ি। নায়ক সাংবাদিক সম্মেলন করে বিষয়টা খোলসা করতে পারতেন। অথবা ইন্দ্রনীলের সঙ্গে কথা বলেও সমস্যার সমাধান হতে পারত। কেউ কেউ আবার এই ঘটনাকে একজন সাংবাদিকের স্বাধিনতায় হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলছেন। অনেকে আবার এক ধাপ এগিয়ে বলছেন, দেব রাজনৈতিক ক্ষমতা দেখাচ্ছেন।

কিন্তু এত কিছুর পরও চুপ ছিলেন এই ছবির পরিচালক, প্রযোজকসহ অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। তবে আজ সবার হয়ে ফেসবুকে এই ছবির সত্যতা খোলসা করলেন অনিকেত চট্টোপাধ্যায়। সূত্র: কলকাতা২৪x৭
   

আজকের প্রশ্ন

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন ‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে বিএনপির নেতারা মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি করছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?