সোমবার, ২২ অক্টোবর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৮, ০৫:৪৩:১২

আমাকে জোরে চেপে বলত, তোমার গন্ধ খুব ভালো লাগে...

আমাকে জোরে চেপে বলত, তোমার গন্ধ খুব ভালো লাগে...

বিনোদন ডেস্ক : ‘#মি টু’ ক্যাম্পেনের জোয়ারে উড়ে যাচ্ছে বলিউডের অনেক অভিনেতাদের মুখোশ। মেয়েদের যৌন কেলেঙ্কারি নিয়ে একের পর এক মুখ খুলছেন অভিনেত্রীরা। বাদ যাননি দীপিকা পাডুকোন, ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চনের মতো অভিনেত্রীরাও। এছাড়া এ তালিকায় রয়েছেন মার্কিন অভিনেত্রী ও মডেল পদ্ম লক্ষ্মী। তাছাড়া বঙ্গকন্যে তনুশ্রী দত্ত, অনন্যা বিশ্বাস, কারিশমা শর্মাসহ আরও অনেকেই।

সবশেষ বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চন। আর তার পরপরেই মুখ খুললেন কঙ্গনা রানাউত। কুইন’র পরিচালক বিকাশ বহেলের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুলেছেন এ অভিনেত্রী। এরপর নয়নী দীক্ষিতও জানান একই অভিযোগ।

এরপর এ তালিকায় যোগ হয় সোনা মহাপাত্রের নাম। জনপ্রিয় গায়ক কৈলাশ খেরের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন এই কন্ঠশিল্পী। সোনার পর তালিকায় নাম এসেছে আলোকনাথের।

এবং সবশেষ সাবেক প্রেমিক হৃতিক রোশনকে খোঁচা মারলেন কঙ্গনা রানাউত। কঙ্গনার সঙ্গে হৃতিকের প্রেমের গুঞ্জন একসময় বি-টাউনে সাড়া ফেলেছিল। মি টু আন্দোলন প্রসঙ্গে কঙ্গনা বলেছেন, যাঁরা বউকে ট্রফি বানিয়ে রেখে তরুণীর সঙ্গ নেয়, তাঁদেরও শাস্তি হওয়া উচিত।

কুইন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত বলেন, ‘প্রতিবার কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে দেখা হলে আমরা পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে অভ্যর্থনা জানাতাম। আর প্রতিবারই সে আমার ঘাড়ে মুখ গুঁজে দিত, আমাকে খুব জোরে চেপে ধরে আমার চুলের গন্ধ নিত। নিজেকে ওঁর কবল থেকে মুক্ত করতে বেশ বেগ পেতে হতো আমার। ও বলত, তোমার গন্ধ খুব ভালো লাগে।’

অভিনেত্রী আরও লেখেন, ‘যেসব মানুষ তাদের বউকে ট্রফি বানিয়ে রাখে ও তরুণী মেয়েদের রক্ষিতা হিসেবে রাখে, তাদেরও শাস্তি হওয়া উচিত।’

হৃতিক রোশনকে নিয়ে ওই কথা বললেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে কঙ্গনা বলেন, ‘আমি হৃতিক রোশনকেই উল্লেখ করেছি, তার সঙ্গেও মানুষের কাজ করা উচিত হবে না।’

কঙ্গনা রানাউত ও হৃতিক রোশনের যন্ত্রণাদায়ক অতীত আছে। এখন পর্যন্ত তাঁদের মতো ‘নোংরা বিচ্ছেদ’ বলিউডে কেউ কখনো দেখেনি। ‘কৃষ-৩’ ছবির শুটিং চলাকালে কঙ্গনা-হৃতিকের প্রেম হয়। বিচ্ছেদের পর একে-অপরের বিরুদ্ধে অনবরত অভিযোগ ও কাদা ছোড়াছুড়ি দেখেছে সবাই। এখনো তা চলছে।

আজকের প্রশ্ন

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন ‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে বিএনপির নেতারা মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি করছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?