বুধবার, ২৪ এপ্রিল ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯, ০৩:০২:২৮

যেভাবে সঙ্গীদের প্রোপোজ করেছিলেন বলিউড তারকারা

যেভাবে সঙ্গীদের প্রোপোজ করেছিলেন বলিউড তারকারা

বিনোদন ডেস্ক : ভ্যালেন্টাইন্স সপ্তাহ শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রেমের সপ্তাহের পঞ্চম দিন উদ্যাপন করা হয় এই প্রমিস ডে। প্রতি বছর ১১ ফেব্রুয়ারি পালন করা হয় এই প্রমিস ডে। আর এই দিনে নিশ্চয় জানতে ইচ্ছা করছে প্রিয় তারকারা কীভাবে প্রোপোজ করেছিলেন তার সঙ্গীদের। বলিউড তারকাদের প্রেম কাহিনী সমসময়ই বেশ চর্চার বিষয়। কয়েকজন তারকা যেভাবে তাদের সঙ্গীকে প্রোপোজ করেছিলেন, তা বেশ আকর্ষণীয়। চলুন জেনে নেয়া যাক এসব তারকা সম্পর্কে-

শাহরুখ খান ও গৌরি খান:
টিনএজেই একে অপরের সঙ্গে ডেট শুরু করেছিলেন শাহরুখ ও গৌরি। কিন্তু শাহরুখ গৌরি সম্পর্কে প্রচণ্ড পজেসিভ ছিলেন। এ কথা বুঝতে পেরে তারা কিছুদিনের জন্য একে অপরের থেকে দূরে থাকার কথা ভাবেন। এরপর একটি জন্মদিনের পার্টির জন্য গৌরি শাহরুখকে কিছু না জানিয়েই বন্ধুদের সঙ্গে মুম্বই চলে আসেন। এরপর গৌরিকে খুঁজতে শাহরুখও মুম্বই রওনা দেন। শেষে মায়ানগরীর সমুদ্র সৈকতে গৌরির সঙ্গে দেখা হয় তার। তারা একে অপরকে কতটা মিস করেন, তা বুঝতে পারেন। এরপর আবেগবিহ্বল শাহরুখ গৌরিকে প্রপোজ করেন। সেই সময় তার চোখে জল চলে এসেছিল। গৌরি সেই প্রস্তাব ফেরাতে পারেননি। ১৯৯১-এ তারা বিয়ে করেন। তাদের তিন সন্তান-আয়ান, সুহানা ও আবরাম।

কারিনা কাপুর ও সাইফ আলি খান:
সাইফিনা তাদের ব্যক্তিগত জীবনকে প্রচারে আলো থেকে দূরে রাখতেই পছন্দ করেন। কিন্তু তাদের সম্পর্কের কথা অনুরাগীদের কাছে কখনো গোপন করেননি। একে অপরের সঙ্গে ডেট করার আগে সাইফের বিয়ে অমৃতা সিংহর সঙ্গে হয়েছিল। আর কারিনার সঙ্গে শাহিদ কাপুরের সম্পর্ক ছিল। তশন সিনেমার সময় কারিনাকে ভালোবেসে ফেলেন সাইফ। সাইফের প্রস্তাবে রাজি হওয়ার আগে দুবার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন কারিনা। তিনি নিজেই জানিয়েছিলেন যে, সাইফ প্যারিসে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তখন কারিনা রাজি হননি। ওই সফরের সময়ই সাইফ দ্বিতীয়বার প্রস্তাব দেন। আসলে, ওই সময় কারিনা কেরিয়ারের তুঙ্গে ছিলেন। তাই সাইফের কাছ থেকে তিনি কিছুটা সময় চেয়ে নেন। এর দুদিন পর কারিনা সাইফের বিয়ের প্রস্তাবে রাজি হন। ২০১২ সালের ১৬ অক্টোবর তাদের বিয়ে হয়। তার এক সন্তান-তৈমুর আলি খান।

অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই:
কুছ না কহো সিনেমার সময়ই একে অপরের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন। দুজনেই স্বীকার করেছেন যে, গুরু সিনেমার সেটে তারা একে অপরের প্রেমে পড়েন। অভিষেক জানিয়েছেন, নিউইয়র্ক সিনেমার সময় তাদের হোটেলের ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে ভাবতেন, বিয়ের পর এখানে তিনি যদি ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে থাকতেন…! এরপর গুরু সিনেমার নিউইয়র্কে প্রিমিয়ারের পর অভিষেক ওই হোটেলের ব্যালকনিতে ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে গিয়ে প্রপোজ করেন। ২০০৭-এ দুজনের বিয়ে হয়। তাদের একটি মেয়ে আরাধ্যা।

অক্ষয় কুমার ও টুইঙ্কেল খান্না:
ফিল্মফেয়ার ম্যাগাজিনের শ্যুটিংয়ের সময় অক্ষয় ও টুইঙ্কেলের দেখা হয়। প্রথম দেখাতেই প্রেম। অক্ষয় জানিয়েছেন, ২০০০ সালে টুইঙ্কেলের মেলা সিনেমা রিলিজ হওযার কথা ছিল। ওই সিনেমা নিয়ে খুব আত্মবিশ্বাসী ছিলেন টুইঙ্কেল। তখন তিনি বলেছিলেন, এই সিনেমা ফ্লপ হলে বা বক্স অফিসে কোনো সাফল্য আনতে না পারলে তিনি অক্ষয়কে বিয়ে করে নেবেন। মেলা সিনেমা ফ্লপ হয়। এরপর ২০০১ সালে দু’জনের বিয়ে হয়। তাদের দুই সন্তান রয়েছে।

করণ গ্রোভার ও বিপাশা বসু:
অ্যালোন সিনেমার সময় তারা একে অপরের কাছাকাছি এসেছিলেন। করণ জানিয়েছিলেন যে, দিনটা ছিল ৩১ ডিসেম্বর। রাতে পুরো আকাশ আতসবাজির আলোয় ভরেছিল। করণ আংটি সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিলেন। কেউ একজন করণকে বলেছিলেন, এটাই সঠিক সময়। বিপাশা যখন তার মোবাইলে আকাশের সৌন্দর্যের ভিডিও করছিলেন, তখন সুযোগ বুঝে তার হাতে আংটি পরিয়ে দেন করণ। আর বিপাশার প্রতিক্রিয়া! করণ জানিয়েছেন, তখন মনে হচ্ছিল সিনেমায় কাউকে মেরে ফেলার সময় যেমন প্রতিক্রিয়া হয়, ঠিক তেমনটাই হয়েছিল। প্রায় ১০ মিনিট হাঁটু মুড়ে বসেছিলেন করণ। বিপাশা জিজ্ঞাসা করেন, তোমার হয়েছে কী? তুমি আমাকে বিয়ে করবে? আমি তোমাকে বিয়ে করছি না। পরে শেষপর্যন্ত করণের প্রস্তাবে রাজি হন বিপাশা।

অনিল কাপুর ও সুনীতা:
সিনে দুনিয়ায় অনিল যখন কেরিয়ারের জন্য লড়াই করছিলেন, তখন একদিনের সুনীতাকে দেখেন তিনি। এক দেখাতেই মুগ্ধ হয়ে যান অনিল। বন্ধুদের সাহায্যে সুনীতার ফোন নম্বর যোগাড় করেন। ১৯৮৪ সালে মশাল সিনেমার সাফল্যের পর অনিল সুনীতাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। আর তখন তার মনে হচ্ছিল, বড় তাড়াহুড়ো করে প্রপোজ করে ফেলেছেন তিনি। কিন্তু ওইদিনই ফোনে তার প্রস্তাবে রাজি হন সুনীতা। ১৯৮৪ সালের ১৯ মে অনিল ও সুনীতার বিয়ে হয়। তাদের তিন সন্তান-সোনম, হর্ষবর্ধন ও রেহা। সূত্র: এবিপি-আনন্দ

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?