বুধবার, ২১ আগস্ট ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০১৯, ০৪:৩২:০৩

প্রেমের জোয়ারে ভাসলেন ফারহান-শিবানী!

প্রেমের জোয়ারে ভাসলেন ফারহান-শিবানী!

বিনোদন ডেস্ক : বলিউডের অন্যতম ‘হ্যাপিয়েস্ট কাপল’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন ফারহান আখতার ও অধুনা আখতার। কিন্তু হঠাৎ করেই যেন ছন্দপতন ঘটে। ২০১৬ সালে স্ত্রী অধুনার সাথে ১৬ বছরের সম্পর্কের ইতি টানেন নির্মাতা, অভিনেতা এবং শিল্পী ফারহান।

অধুনার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর কখনো অদিতি রায় হায়দারি, আবার কখনো শ্রদ্ধা কাপুরের সঙ্গে নাম জড়ায় ফারহানের। সবকিছু মিলিয়ে বিচ্ছেদের পর থেকে বিভিন্ন সময় সংবাদের শিরোনামে উঠে আসেন ফারহান আখতার। সবশেষ শিবানী দান্ডেকরের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন শোনা যায়। এরপর থেকে নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে কোনো লুকোচুরি করেননি ফারহান-শিবানী।

সম্প্রতি নিজেদের ইন্সটাগ্রামে সমুদ্র সৈকতের ছবি পোস্ট করেছেন এই জুটি। দেখে মনে হচ্ছে শিবানীকে সঙ্গ দিতে গিয়েছিলেন ফারহান। আর সেখানও তারা খানিক রোমান্স সেরে নিয়েছেন। তবে ফারহানের ছবি তোলার হাত যে দিন দিন আরো সূক্ষ্ম হচ্ছে সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

একটি প্রেমপূর্ণ ছবিতে তো দু’জনকে দেখা যাচ্ছে কান এঁটো করে হাসতে। ফারহান পরেছিলেন ট্রপিক্যাল প্রিন্টের টি শার্ট। আর শিবানী একটি মিষ্টি বিকিনির উপরে শ্রাগ পরেছিলেন। আর তাদের মেজাজ যে একেবারে সপ্তম স্বর্গে ছিল তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

শিবানী দাণ্ডেকরও একটি ছবি শেয়ার করেছেন নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে। সেখানে অবশ্য তাকে একাই দেখা যাচ্ছে। আর ছবি সৌজন্যে অবশ্যই ফারহান আখতার।

সম্প্রতি দু’জনে এক বন্ধুর বিয়েতেও গিয়েছিলেন। এপ্রিল মাসে ফারহান একটি ‘সানসাইন অ্যান্ড স্মাইল’ ক্যাপশন লেখা ছবিও পোস্ট করেছিলেন।

কিছুদিন আগে হাতের উপরে হাত রাখা একটি ছবি শেয়ার করে প্রথম তার ও শিবানীর সম্পর্কের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছিলেন ফারহান। দু’জনেই যখন তখন পরস্পরের ছবি শেয়ার করেন। আর সে সব ছবি এতটা মিষ্টি যে আপনিও প্রেমে পড়ে যেতে পারেন।

ফারহান ও শিবানীর পরিবারও তাদের সম্পর্কের বিষয়ে স্পষ্টভাবেই জানে। জাভেদ আখতার ও শাবানা আজমির সঙ্গে হোলি পালন করেছেন শিবানী। আবার শিবানীর বোন অপেক্ষার বিয়েতে তার সঙ্গে গিয়েছিলেন ফারহান। তবে বিয়ে কবে সে প্রশ্নের উত্তর কিন্তু এখনো দেননি এই যুগল। আপাতত সেই অপেক্ষাতেই রয়েছেন ভক্তেরা। সূত্র: এনডিটিভি

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?