শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০১৯, ১০:৩১:০১

সংগীতশিল্পী খালিদ হোসেন আর নেই

সংগীতশিল্পী খালিদ হোসেন আর নেই

বিনোদন ডেস্ক : না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন বরেণ্য নজরুলসংগীত শিল্পী খালিদ হোসেন (ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন)। বুধবার রাত সোয়া ১০টার দিকে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

খবরটি নিশ্চিত করে খালিদ হোসেনের ছাত্র পরদেশী সিদ্দিক বলেন, কিছু দিন আগে স্যার ভারত থেকে চিকিৎসা নিয়ে ফিরেছেন। দেশে ফেরার সময় ভারতের চিকিৎসকরা বলেছিলেন- তার শারীরিক অবস্থা আরও খারাপের দিকে যাবে। হচ্ছেও তাই। বেশ কয়েক বছর ধরে তিনি হৃদরোগে ভুগছিলেন। সর্বশেষ আজ সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান এ গুণি শিল্পী।

আজ বৃহস্পতিবার কুষ্টিয়ায় মায়ের কবরে তাঁকে দাফন করা হবে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। কিছুদিন আগে তাঁর কিডনির জটিলতা বেড়ে যায়। ফুসফুসেও সমস্যা হচ্ছিল। পাশাপাশি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যা ছিল।

খালিদ হোসেনের জন্ম ১৯৩৫ সালের ৪ ডিসেম্বর। তখন তাঁরা ছিলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগরে। দেশ বিভাগের পর মা–বাবার সঙ্গে তিনি চলে আসেন কুষ্টিয়ার কোর্টপাড়ায়। ১৯৬৪ সাল থেকে তিনি স্থায়ীভাবে ঢাকায় ছিলেন। তিনি শুধু গায়কই ছিলেন না, ছিলেন নজরুল গবেষকও। নজরুলের ইসলামী গান গাওয়ার জন্য ছিলেন সুপ্রসিদ্ধও। তার ছয়টি নজরুলগীতির অ্যালবাম এবং ১২টি ইসলামী গানের অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। সংগীতে অবদানের জন্য বরেণ্য এই শিল্পী বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদকে ভূষিত হন। ‘চম্পানদীর তীরে’ শিরোনামে একটি আধুনিক গানের অ্যালবামও রয়েছে তাঁর।

এছাড়া তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের সব মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ টেক্সট বুক বোর্ডে সংগীত নিয়ে প্রশিক্ষক ও নিরীক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন। নজরুল ইনস্টিটিউটে নজরুলসংগীতের আদি সুরভিত্তিক নজরুল স্বরলিপি প্রমাণীকরণ পরিষদের সদস্য তিনি।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?