বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৯, ০৬:৩৯:৪২

দুই হাতে হিন্দি আর উর্দুতে কী লিখলেন নুসরাতের স্বামী?

দুই হাতে হিন্দি আর উর্দুতে কী লিখলেন নুসরাতের স্বামী?

বিনোদন ডেস্ক : গত কয়েক মাস ধরেই বারবার শিরোনামে আসছেন পশ্চিমবঙ্গের বসিরহাটের তৃণমূলের সাংসদ এবং অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। এই সুন্দরী অভিনেত্রী বিপুল ভোটে জয়ী হয়েই জনপ্রতিনিধি হয়েছেন।

ভোটের পর থেকেই নুসরাত ছিলেন মানুষের নানা আলোচনা-সমালোচনায়। তবে নিখিল জৈনকে বিয়ে করার পর থেকে অন্য বিতর্কে তিনি। নিখিলকে বিয়ে করে তিনি কেন সিঁদুর পরছেন, কেন তাঁর গলায় মঙ্গলসূত্র, কেনই বা তিনি অষ্টমীতে অঞ্জলি দিলেন? কেন সিঁদুর খেলায় মত্ত হয়েছেন ইত্যাদি প্রশ্ন উঠছে বারবার। সম্প্রতি হয়ে গেল করবা চৌথ। আর সেখানেও রীতি মেনে পালন করলেন নুসরাত। সেই ছবি আগেই ভাইরাল হয়েছে। এবার সামনে এল নিখিলের পোস্ট করা একটি ছবি।

নিখিলের হাতে মেহেদি। আর সেই ছবিই পোস্ট করেছেন তিনি। একটি হাতে হিন্দি ও অপর হাতে উর্দুতে লেখা। নুসরাতও হাত ভরে মেহেদি লাগিয়েছেন। সেই ছবিও দিয়েছেন নিখিল। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘মেহেন্দি হ্যায় রচনেওয়ালি।’

অনেকেই কমেন্টে বক্সে লিখছেন যে কী লিখেছেন নিখিল? একটি হাতে হিন্দিতে লেখা ‘নয়না’। নুসরাতকেই আদর করে নয়না বলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। অপর হাতে উর্দুতে লেখা রয়েছে ‘নুসরাত’।

সম্প্রতি, দুর্গাপুজোয় অষ্টমীর সকালে শাঁখা-সিঁদুর পরে স্বামী নিখিল জৈনের সঙ্গে পৌঁছে যান সুরুচি সঙ্ঘের মণ্ডপে নুসরাত। অঞ্জলিও দেন। ফের নতুন করে তাঁর বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করেন কট্টরপন্থীরা। তাঁদের অভিযোগ নুসরত ইসলাম ধর্মের অবমাননা করছেন। এমনকী, তাঁরা নুসরতের নাম বদলেরও দাবি করেন।

এই মন্তব্যে গুরুত্ব না দিয়ে তৃণমূল সাংসদ বিজয়া দশমীতে ফের সিঁদুর খেলেন তিনি। বৃহস্পতিবার করবা চৌথেও স্বামী নিখিল জৈনের জন্য ব্রত রাখেন নুসরত। করবা চৌথের বেশ কিছু ছবি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করেন তিনি। কোথাও দেখা যাচ্ছে নুসরাতকে পানি খাইয়ে দিচ্ছেন নিখিল। কোথাও আবার নিখিলকে খাইয়ে দিচ্ছেন নুসরাত।

নুসরত অবশ্য আগেই বলেছেন, তিনি ঈশ্বরের বিশেষ সন্তান। বারবার তাঁর বিরুদ্ধে দেওয়া ফতোয়া কোনোদিনই তোয়াক্কা করেননি তিনি। তবে এই করবা চৌথ তাঁকে নতুন করে কোনো বিতর্কের মুখে ফেলে দেবে কিনা, তা অবশ্য এখনও বোঝা যাচ্ছে না। সূত্র: কলকাতা ২৪

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?