বুধবার, ২০ নভেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০১৯, ০৪:২৩:১৭

আমাকে ছোঁবে না, আমি সেলিব্রেটি: রানু মণ্ডল (ভিডিও)

আমাকে ছোঁবে না, আমি সেলিব্রেটি: রানু মণ্ডল (ভিডিও)

বিনোদন ডেস্ক : সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল গানের দৌলতে রাতারাতি সেলিব্রেটি বনে গেছেন কলকাতার রানাঘাট স্টেশনের ভিখারি রানু মণ্ডল। চড়ছেন বিমানে, দেখা হচ্ছে বলিউড ও ঢালিউড সেলিব্রেটিদের সঙ্গে।

বলতে গেলে স্টেশনের অপরিচ্ছন্ন ছেঁড়া শাড়ির সেই রানুর সঙ্গে এই সেলিব্রেটি রানুর আকাশ-পাতাল তফাৎ। তার জীবন একেবারেই বদলে গেছে। আর এর সঙ্গে বদলে গেছে তার ব্যবহারও।

জানা গেছে, ভালোবেসে তাকে স্পর্শ না করতে ভক্ত-অনুরাগীদের সাবধান করে দিয়েছেন রানু মণ্ডল। এমনটিই জানা গেল হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনটি বলছে, খুব ব্যস্ত সময় পার করছেন ‘কলকাতার লতাজি’খ্যাত এই রানু মণ্ডল। এরই মধ্যে কখনও কলকাতা আবার কখনও মুম্বাইয়ে দেখা মিলছে তার। একটু সময় পেলে বিভিন্ন রেস্তোরাঁ, শপিংমলে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি।

আর তাকে কাছে পেয়ে অনেকেই তার সঙ্গে সেলফি তুলতে, একটু কথা বলতে ছুটে আসছেন। তবে ভক্তদের এমন আগ্রহ, উচ্ছ্বাসকে তেমন একটা পাত্তা দিচ্ছেন না রানু।

সরাসরি এক ভক্তকে বলেই বসলেন, আমাকে ছোঁবে না, আমি সেলিব্রেটি।

সম্প্রতি টুইটারে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও তাই বলছে।

ভিডিওতে দেখা গেছে, কোনো এক শপিংমলের একটি দোকানে কেনাকাটা করতে গেছেন রানু মণ্ডল। এ সময় পেছন থেকে তার এক নারী ভক্ত তাকে স্পর্শ করে ও কথা বলতে চান। তাৎক্ষণিক মেজাজ হারান রানু। পেছনে ফিরেই তাকে ছোঁয়ার জন্য ঘোর আপত্তি জানান রানু।

ভিডিওটি গত ৪ নভেম্বর টুইটারে পোস্ট করে পোস্টকারী লিখেছেন, আমরাই তাকে সেলিব্রেটি বানিয়েছি, আর এখন তার আচরণ দেখুন।

ভক্তদের সঙ্গে এমন দুর্ব্যবহার আরও কয়েকবার করেছেন রানু। সে খবরও এসেছে ভারতীয় গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায়।

এক সাক্ষাৎকারে রানু বলেছিলেন, তিনি জানতেন ভবিষ্যতে তিনি একটা কিছু হবেন। তিনি অন্যদের থেকে আলাদা। তাই রানাঘাট স্টেশনে অন্য কোনো ছিন্নমূল বা ভিক্ষারির সঙ্গে মিশতেন না তিনি।

সেই সাক্ষাৎকারের পর অনেকেই প্রশ্ন ছুড়েছিলেন আন্তর্জাতিক তারকা বনে যাওয়ার পর কি কি বদলে গেলেন রানু? এবার এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসায় সেই প্রশ্ন যেন আরও জোরালো হলো।

ভিডিওটি দেখুন- https://www.facebook.com/watch/?v=473631589914153

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?