রবিবার, ২৪ জুন ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ১৩ জুন, ২০১৮, ০৮:৫৩:৪৪

ঈদের আগমুহূর্তে দেদারসে বিক্রি হচ্ছে মার্সেল ফ্রিজ

ঈদের আগমুহূর্তে দেদারসে বিক্রি হচ্ছে মার্সেল ফ্রিজ

ঢাকা : দুয়ারে ঈদ। মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। ঈদ আনন্দে মেতে উঠতে সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন পছন্দের পোশাক, কসমেটিকস, জুতাসহ বিভিন্ন পণ্য কেনাকাটায়। ঈদ উৎসবকে পরিপূর্ণ করতে শেষ মুহূর্তে অনেকেই ভিড় করছেন ফ্রিজের শোরুমগুলোতে। বিশেষ করে, সেরা দামে সেরা মানের ও ডিজাইনের ফ্রিজ কিনতে দেশীয় ব্র্যান্ড মার্সেলের শোরুমে বেশি ভিড় করছেন ক্রেতারা। ফলে, ঈদের আগমুহূর্তে সারা দেশে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে মার্সেল ফ্রিজের বিক্রি।

মার্সেলের বিক্রয়কর্মীরা জানান, ঈদুল ফিতরকে ঘিরে রোজার শেষ মুহূর্তে দেদারসে বিক্রি হচ্ছে মার্সেল ফ্রিজ। ঈদে সকল শ্রেণি, পেশা ও আয়ের লোকদের জন্য ৬৬টি বৈচিত্র্যময় মডেলের ব্যাপক বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ফ্রিজ বাজারে ছাড়া হয়েছে। ডিজাইন ও কালারে আনা হয়েছে বৈচিত্র্য। এতে অসংখ্য মডেলের মধ্য থেকে ক্রেতারা তাদের পছন্দের ফ্রিজটি সহজেই বেছে নিতে পারছেন।

তারা আরো জানান, মার্সেল ফ্রিজে রয়েছে এক বছরের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি সুবিধা। আরো রয়েছে ফ্রিজের কম্প্রেসারে ১০ বছর পর্যন্ত গ্যারান্টি ও ৫ বছরের ফ্রি বিক্রয়োত্তর সুবিধা। এছাড়া, ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশনের আওতায় মার্সেল ফ্রিজ কিনলেই ক্রেতারা পাচ্ছেন আমেরিকা, রাশিয়া ভ্রমণের সুযোগ কিংবা ফ্রিজ, টিভি ও এসি সম্পূর্ণ ফ্রি। তবে এসব সুযোগ না পেলেও মিলছে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশব্যাক। মূলত, এসব সুবিধার কারণেই ঈদের আগমুহূর্তে ফ্রিজ কিনতে মার্সেলের শোরুমেই ছুটছেন ক্রেতারা।

মার্সেলের বিপণন বিভাগের প্রধান ড. মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, রোজা এবং ঈদে মার্সেলের টার্গেট ৩০ হাজার ইউনিট ফ্রিজ বিক্রি করা। যা কিনা গত ঈদের তুলনায় দ্বিগুণ। এখন পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ফ্রিজ বিক্রি হচ্ছে। তবে রোজার শেষ দিকে এসে বিক্রি ব্যাপক বেড়েছে। তার প্রত্যাশা- বিক্রির এই ধারা অব্যাহত থাকলে টার্গেটের চেয়েও বেশি ফ্রিজ বিক্রি করতে সক্ষম হবে মার্সেল।

জানা গেছে, ঈদে দ্বিগুণ ফ্রিজ বিক্রির টার্গেট পূরণে মার্সেল বাজারে ছেড়েছে ৫২ মডেলের ফ্রস্ট, ২ মডেলের নন-ফ্রস্ট ও ১২ মডেলের ডিপ ফ্রিজ। এর মধ্যে নতুন এসেছে টেম্পারড গ্লাস ডোরের ১১টি বৈচিত্র্যময় মডেলের ফ্রস্ট ফ্রিজসহ ব্যাপক বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ইনভার্টার প্রযুক্তির কম্প্রেসার সম্বলিত ২ মডেলের নন-ফ্রস্ট রেফ্রিজারেটর। মার্সেলের এসব রেফ্রিজারেটরে ব্যবহার করা হয়েছে বিশ্বস্বীকৃত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব এইচএফসি গ্যাসমুক্ত আর৬০০এ রেফ্রিজারেন্ট। সাধারণ প্রযুক্তির ফ্রিজের তুলনায় মার্সেলের এসব ফ্রিজ ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎসাশ্রয়ী।
 
কর্তৃপক্ষ জানায়, মার্সেল ফ্রিজে ব্যবহার করা হচ্ছে ন্যানো হেলথ কেয়ার প্রযুক্তি। যা ফ্রিজের ভেতরে সংরক্ষিত খাবারকে সতেজ রাখার পাশাপাশি ব্যাকটেরিয়া ও দুর্গন্ধমুক্ত রাখে। ফলে ফ্রিজে সংরক্ষিত খাবারের পুষ্টিগুণ থাকে অক্ষুণ্ন। নাসদাত ইউনিভার্সাল টেস্টিং ল্যাব থেকে মান নিশ্চিত হয়ে প্রতিটি ফ্রিজ বাজারে ছাড়া হয় বলে ক্রেতাদের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে মার্সেল ব্র্যান্ড।

আইএসও সনদপ্রাপ্ত সার্ভিস ম্যানেজমেন্টের আওতায় দেশব্যাপী ৭০টিরও বেশি সার্ভিস সেন্টার থেকে বিক্রয়োত্তর সেবা দেওয়া হচ্ছে। হোম সার্ভিসও দেওয়া হচ্ছে। গ্রাহকরা যেকোনো মোবাইল থেকে ১৬২৬৭ নম্বরে কল করে বছরের ৩৬৫ দিনই পাচ্ছেন কাঙ্ক্ষিত সেবা।

আজকের প্রশ্ন

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন ‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে বিএনপির নেতারা মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি করছে। আপনিও কি তাই মনে করেন?