সোমবার, ২৬ আগস্ট ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ২২ জুলাই, ২০১৯, ০৬:২৩:৪১

৩৩ মাসের সর্বনিম্ন অবস্থানে সূচক

৩৩ মাসের সর্বনিম্ন অবস্থানে সূচক

ঢাকা : সূচকের পতন হতে হতে এমন অবস্থায় চলে এসেছে যে বিনিয়োগকারীরা এখন নিরুপায় হয়ে রয়েছেন। দিনের পর দিন চোখের সামনে পুঁজি হারিয়ে এখন অনেকটা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। কোথাও থেকে কোনো শেয়ারবাজার ইস্যুতে খবর আসছে না। নিয়ন্ত্রক সংস্থা, ডিএসইসহ নীতি নির্ধারণী মহল থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। পুঁজিবাজার এখন অস্থিরতার চরম পর্যায়ে রয়েছে।

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের ব্যাপক পতনে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেনের শুরু থেকেই সেল প্রেসারে টানা নামতে সূচক। সোমবার লেনদেন শেষে সূচকের পাশাপাশি কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর। তবে টাকার অংকে লেনদেন আগের দিনের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। আজ দিন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৬৪ কোটি ১৮ লাখ ৫২ হাজার টাকা।

আজ দিন শেষে ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ৬৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪৯৬৬ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১১৩৯ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক ২৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৭৭৬ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ৩৫৩টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৬০টির, কমেছে ২৭৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬টির। আর দিন শেষে লেনদেন হয়েছে ৪৬৪ কোটি ১৮ লাখ ৫২ হাজার টাকা।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২২ ডিসেম্বর ডিএসই’তে সূচক ছিল ৪৯৯৬ পয়েন্ট। অর্থাৎ পুঁজিবাজারে আজ ৩৩ মাসের সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে।

এর আগের কার্যদিবস দিন শেষে ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স ৯৬ পয়েন্ট কমে অবস্থান করে ৫০৩৩ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করে ১১৫৭ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক ৩০ পয়েন্ট কমে অবস্থান করে ১৭৯৯ পয়েন্টে। আর ওইদিন লেনদেন হয়েছিল ৩৬৮ কোটি ৬৪ লাখ ১৮ হাজার টাকা। সে হিসেবে আজ ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৯৫ কোটি ৫৪ লাখ ৩৪ হাজার টাকা।

এদিকে দিন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সাধারণ মূল্য সূচক সিএসইএক্স ১১৬ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৯ হাজার ২৫৭ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২৮৬টি কোম্পানির ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৫১টির, কমেছে ২১৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টির। আর দিন শেষে লেনদেন হয়েছে ২১ কোটি ১৭ লাখ ৩৬ হাজার টাকা।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?