শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ০৩:০১:৩৪

অভিন্ন নীতিমালা বাতিল চেয়ে শিক্ষকদের মানববন্ধন

অভিন্ন নীতিমালা বাতিল চেয়ে শিক্ষকদের মানববন্ধন

ঢাকা: বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত দেশের সকল পাবলিক বিশ্বিবদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি বিষয়ক অভিন্ন নীতিমালা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ। বৃস্পতিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এই দাবি জানান তারা। মানববন্ধনে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ফোরামের ব্যানারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্বিবদ্যালয়ের দুই শতাধিক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে উপস্থিত শিক্ষকবৃন্দ সকল পাবলিক বিশ্বিবদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি বিষয়ক অভিন্ন নীতিমালা বাতিলের জন্য বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ফোরামের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর অনুরোধ জানান। সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অভিন্ন নীতিমালা না করে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোরর একাডেমিক কাউন্সিলে আলোচনার মাধ্যমে একটি যুগউপযোগী বাস্তব নীতিমালা প্রণয়নের প্রস্তাব করেন শিক্ষকবৃন্দ। মানববন্ধনে শিক্ষকবৃন্দ বলেন, আমাদের শিক্ষকতের কাজ হচ্ছে শিক্ষা দেয়া, গবেষণা করা। আমাদের রাজপথে নেমে আন্দোলন করতে বাধ্য করবেন না।
মানবন্ধনে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ফোরামের প্রধান সমন্বয়ক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক কামরুল হাসান মামুনের পক্ষে একটি বিবৃতি পাঠ করেন কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক আলতাফ হোসেন রাসেল। বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৫ এপ্রিল ইউজিসির ১৪৬তম সভায় পাবলিক বিশ্বিবদ্যালয়সমূহের শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি বিষয়ক এক অভিন্ন নীতিমালা গৃহীত হয় যা ইউজিসি'র কর্মপরিধির বাইরে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মানোন্নয়নকে নিয়ন্ত্রণ করার সূক্ষ্ম প্রয়াস।
এর পরিপ্রেক্ষিতে এই নীতিমালা নিয়ে একদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে। আর অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রণালয় ও ইউজিসি নীতিমালাটি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। এতে আরো বলা হয়, বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকে ঢালাওভাবে বৈষম্যপূর্ণ আখ্যা দিয়ে ইউজিসি যে অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়ন করেছে তা বৈচিত্রপূর্ণ উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে একধরনের ভুল সাধারণীকরণ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসনের পরিপন্থী এবং বর্তমান সরকারেরই গত ১০ বছরের শিক্ষার উন্নয়নকে অস্বীকার করা।
মানববন্ধনে অধ্যাপক কামরুল হাসান মামুন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে যারা অভিন্ন করতে চায়, বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণাই নেই। বিশ্ববিদ্যালয়কে বলা হয় দেশের ভেতর আরেকটি দেশ। একটি দেশের যেমন সংসদ থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের তেমন সংসদসম সিন্ডিকেট থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল নিয়ম-কানুন স্ব-স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা নির্ধারণ করবে। এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের কারও আরোপ করার বিষয় নয়।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ কেমন হবে সেটা কি কোনো সরকারি কর্মকর্তা বুঝতে পারবে। যেহেতু শিক্ষকরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই সারা পৃথিবীতে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া অনেক দীর্ঘ হয়। যেগুলো আমরা বুঝতে পারি। এগুলো বাইরে থেকে চাপিয়ে দেওয়ার বিষয় নয়। একেকটা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া একেক রকম হবে। সুতরাং বিশ্ববিদ্যালয় গুলো অভিন্ন করার প্রয়াস বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে যায় না।
তিনি আরো বলেন, শিক্ষক সবাই হতে পারে না। কেউ টাকা পয়সার জন্য শিক্ষক হতে আসে না। কেউ বড়লোক হওয়ার জন্য শিক্ষক হতে আসে না। শিক্ষকতা একটা ভিন্ন ধরণের পেশা। আমাদের উচ্চ শিক্ষাকে ধ্বংস করার যে নীল নকশা করা হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে থামাতে না পারলে আমাদের এদেশে উচ্চ শিক্ষার মানে ধ্বস নামবে।

এই বিভাগের আরও খবর

  ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠনকে বিশেষ সুবিধা দিতেই, এ জালিয়াতি: সাদাদল

  ভিকারুননিসায় ফওজিয়ার নিয়োগ কোন ক্ষমতাবলে: হাইকোর্ট

  জাবিতে কোটি টাকা ভাগাভাগি

  যবিপ্রবিতে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু

  ঢাবি সিনেট থেকেও অব্যাহতি শোভনের

  ভিকারুননিসায় ফওজিয়ার নিয়োগে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা, কাল রায়

  কমিশন বাণিজ্য: জাবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে শিক্ষামন্ত্রণালয়ে অভিযোগ

  ভিকারুননিসায় নতুন অধ্যক্ষ ফওজিয়া রেজওয়ান

  ‘জাবি ছাত্রলীগকে টাকা দেয়ার অভিযোগটি শোভন-রাব্বানীর বানানো গল্প’

  ‘চাঁদার জন্য বান্ধবীকে দিয়ে ফোন করাতো রাব্বানী’- জাবি উপাচার্য

  পেছাল মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষা

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, পুলিশের ওপর নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?