রবিবার, ৩১ মে ,২০২০

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ০৮ এপ্রিল, ২০২০, ১০:০২:৩৬

বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদ গ্রেফতার, কটূক্তির দায়ে ইবি ছাত্রী বহিষ্কার

বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদ গ্রেফতার, কটূক্তির দায়ে ইবি ছাত্রী বহিষ্কার

ঢাকা : সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার বিচার নিয়ে করা কটূক্তির দায়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) এক শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বৃহিষ্কৃত শিক্ষার্থীর নাম তানজিদা সুলতানা ছন্দ। তিনি বাংলা বিভাগের স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী।

সোমবার রাতে বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি ও ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের অন্যতম ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদকে রাজধানীর উত্তরার একটি বাসা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক স্ট্যাটাসের কমেন্টে একে ‘পুরাতন কাসুন্ধি ঘাটা’ বলে মন্তব্য করেন তানজিদা।

বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান নেতাদের নজরে এলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে ওই শিক্ষার্থীর শাস্তি দাবি ও বহিষ্কারের দাবি জানান।

এরই প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার রাতে এক জরুরি সভায় তানজিদাকে বহিষ্কার করে ঘটনা তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এসব তথ্য ব্রেকিংনিউজকে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফ।

খুনি মাজেদকে গ্রেফতারের পর ইবি শাখা ছাত্রলীগের সাবেক কর্মী ও বাংলা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন ফেসবুকে দেয়া এক স্ট্যাটাসে লিখেন- ‘কেউ পারেনি যা, পেরেছে করোনা: করোনার ভয়ে ভারত থেকে পালিয়ে এসে ঢাকায় গ্রেফতার বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি মালেক #স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।’

সাজ্জাদের ওই পোস্টের নিচেও তানজিদা সুলতানা ছন্দা ‘কমল ছন্দ’ নামে একটি আইডি থেকে মন্তব্য করে লিখা হয়- ‘শেখ মুজিব খুন না হলে কি এখনও পর্যন্ত বেঁচে থাকতেন? শেখ মুজিবর রহমান অনেক বয়স পরই মারা গেছেন। কিন্তু আমরা আদিখ্যেতা জাতি একজনের খুনের বিচার করতে করতে ভুলেই যাই প্রতিদিন কতশত মানুষ আমাদের আশেপাশে খুন হচ্ছে, গুম হচ্ছে। আমরা পুরাতন কাসুন্দি নিয়ে খুব বেশি ঘাটাঘাটি করতে পছন্দ করি।’

এ ব্যাপারে ইবির ভিসি অধ্যাপক ড. রাশিদ আকারী বলেন, ‘গোটা দেশ যখন জাতির জনকের খুনিদের বিচার চাইছে তখন ওই ছাত্রীর এমন মন্তব্য জাতির পিতার প্রতি অসম্মান। এতে করে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়েরও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পেশ করলে চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মণকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের কমিটিতে আইন বিভাগের প্রফেসর ড. রেহানা পারভীন এবং পরিসংখ্যান বিভাগের সভাপতি ড. সাজ্জাদ হোসেনকে রাখা হয়েছে।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির নেতারা আইন না বুঝেই মন্তব্য করে আইনমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে আপনি কি একমত?