সোমবার, ২০ নভেম্বর ,২০১৭

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০১৭, ০৭:৫৪:১৯

যৌতুকের দাবিতে খুটিতে বেঁধে গৃহবধূকে নির্যাতন

যৌতুকের দাবিতে খুটিতে বেঁধে গৃহবধূকে নির্যাতন

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ে এক গৃহবধুকে যৌতুকের দাবিতে খাটের খুটির সাথে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।

 

নিযাতনের শিকার  গৃহবধুর নাম আঞ্জুয়ারা বেগম (৩১)।তিনি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আখানগর হাজীপাড়া এলাকার আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী। বর্তমানে নির্যাতিতা গৃহবধু সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

 

শনিবার দুপুর ৩ টায় ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এমন অভিযোগ করেন তিনি।

 

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আখানগর ইউনিয়নের হাজীপাড়া গ্রামের জবান আলীর ছেলে আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী ও শহরের ফকিরপাড়া এলাকার আনোয়ার হোসেনের মেয়ে আঞ্জুয়ারা বেগম।

 

নির্যাতিত আঞ্জুয়ারা বেগম জানান, গত বছরের অক্টোবর মাসে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আখানগর ইউনিয়নের হাজীপাড়া গ্রামের মো. জবান আলীর ছেলে আব্দুস সাত্তারের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে প্রায় সময় স্বামীসহ তার পরিবারের লোকজনেরা আঞ্জুয়ারাকে মারপিট করতো।

 

গত ০২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ৫০ হাজার টাকা যৌতুকের দাবিতে স্বামীর সঙ্গে বাকবিতন্ডা হয় আঞ্জুয়ারার। সে সময় তার স্বামী আব্দুস সাত্তার, শ্বশুর জবান আলী, শ্বাশুরী সবুরা বেগমসহ ওই পরিবারের লোকজন ঘরের দরজা বন্ধ করে বাঁশের লাঠি দিয়ে আঞ্জুয়ারাকে খাটের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে বেধড়ক মারপিট করে।

 

পরে খবর পেয়ে আঞ্জুয়ারার পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে ওই গৃহবধূ ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।

 

নির্যাতনের ব্যাপারে জানতে অভিযুক্ত স্বামী আব্দুস সাত্তারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

 

ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালের চিকিৎসক শুভেন্দু কুমার দেবনাথ বলেন, ‘আঞ্জুয়ারা বেগমের ডান হাত ভেঙে দেয়া হয়েছে এবং মাথায় ৪টি শেলাই দিতে হয়েছে। এছাড়াও তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের দাগ রয়েছে।’

 

রুহিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার রায় বলেন, ‘গৃহবধূকে মারপিটের ঘটনাটি শুনেছি। তবে এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।’

 

 

আজকের প্রশ্ন

কিছু সহিংসতা ও অনিয়ম হলেও সামগ্রিকভাবে ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে—সিইসির এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি একমত?